বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বইয়ের দোকান মানেই যেন তাক ভর্তি সারি সারি রং-বেরঙের বই। দেশ-বিদেশের এত লেখকের মাঝে, তা আপনার পছন্দের লেখক কে?
লিভারেরিয়া লেল্লো, পর্তুগাল
বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বইয়ের দোকানগুলোর কথা বলতে গেলে সবার প্রথম যার নাম নিতে হয়, তা পর্তুগালের পোর্তো শহরে অবস্থিত ‘লিভারেরিয়া লেল্লো’। এই বইয়ের দোকানটি যেন এক জাদুর রাজ্য। নকশাকৃত কাঁচের রঙিন জানালা এবং কাঠের তৈরি প্যাঁচানো সিঁড়ির জন্য মূলত বিখ্যাত এই বইয়ের দোকানটি। বিখ্যাত লেখিকা জে. কে. রাওলিং তার বিশ্ব বিখ্যাত হ্যারি পটার সিরিজের বইগুলো লেখার সময় অবস্থান করেছিলেন পর্তুগালের এই শহরে। ফলে ধারণা করা হয় হ্যারি পটার সিরিজের লেখায় জাদুর স্কুল ‘হগওয়ার্টে’র চিত্রায়ণ লেখিকা এই বইয়ের দোকান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই করেছিলেন। পরবর্তীতে হ্যারি পটার সিরিজের মুভিগুলো তৈরি করার সময় মুভির অনেক দৃশ্য ধারণ করা হয় এই বইয়ের দোকানে। নিও-গথিক ধাঁচের এই ভবনটি ১৯০৬ সালে জাভিয়ার স্টিভেস তৈরি করেন। এই বইয়ের দোকানটিতে রয়েছে এক লাখেরও বেশি বই। বইয়ের দোকানের পাশাপাশি এখানে রয়েছে একটি ছোট্ট কফিশপ।
আটলান্টিস বুকস, গ্রীস
গ্রীসের সান্তোরিনি দ্বীপে অবস্থিত আটলান্টিস বুকস নামের এই বইয়ের দোকানটি যেন এক টুকরো স্বর্গ! ২০০২ সালে দুই বন্ধু বেড়াতে আসেন গ্রীসের সান্তোরিনি দ্বীপের ছোট্ট একটি গ্রাম ‘ওহিয়া’-তে। দ্বীপের অনিন্দ্য সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তারা ভাবেন এমন সুন্দর জায়গায় আরাম করে বসে প্রিয় বইটি পড়তে পারলে মন্দ হয় না। যেই ভাবা সেই কাজ! এর দুই বছর পর ২০০৪ সালে কয়েকজন বন্ধুর মিলে তারা প্রতিষ্ঠা করেন ‘আটলান্টিস বুকস’ নামের এই বইয়ের দোকানটি। সাদা রঙের একটি বাড়ির বেসমেন্টে এই বইয়ের দোকানটির অবস্থান। উপরে ছাদে রয়েছে বই পড়ার ব্যবস্থা। বাড়ির পেছনে রয়েছে এই বাড়ির বাসিন্দার থাকার জায়গা। একটি কুকুর আর বিড়ালও বাস করে এ বাড়িতে। দোকানের সাদা দেয়ালেও লেখা আছে নানা অর্থপূর্ণ কথা। দারুণ এই বইয়ের দোকানগুলোতে তা একবার যেতে পারলে কেমন হয়, ভাবুন তো?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now