বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিয়ে ছাড়া বউ পার্ট ২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান শাহরিয়ার (guest) (০ পয়েন্ট)

X ???? বিয়ে ছাড়া বউ ???? #_পর্ব_২_ ইরা :- আচ্ছা আমি এখন গোসল করে আসি তারপর আমরা দুজন মিলে ফেমিলির প্লান করবো। আমি :- আরে বিয়েইতো হয়নি এখন কিসের ফ্যামিলি প্লানিং। হেসে হেসে বললাম। ইরা রাগে ফেটে যাচ্ছে। ইরা :- খবিস। আমি ফ্যামিলি প্লানিং য়ের কথা বলিনি। আমি : -মিত্থ্যে কথা তুমি একটু আগেই তো বললে। ইরা লুচির মতো ফুলছে। গাল দুটো বেলুনের মতো হয়ে গেছেফেটে গেলে খুব জোরে শব্দ হবে। হয়তো আপনারাও শুনতে পাবেন। ইরা :- বদমাইশ ছেলে, আমি এই ফ্যামিলি প্লানিং য়ের কথা বলছি না। তুমি যা ভাবছো সেটা না। আমি আমাদের এখানে চলতে হলে প্লান মানে রুটিন অনুযায়ী চলতে হবে সেটা বলেছি। আমি :- ওওও আমি আরো ভাবলাম। মনে হয় আমাদের বাবুদের কথা ভাবছো। ইরা :- রাবিস। বলে রাগ করে টাওয়াল আর তার কাপড় নিয়ে বাথরুমের দিকে গেলো। আর আমি বিছানায় বসে বসে হাসছি। ইরা গোসল করে বের হলো। হলুদ একটা কামিজ পড়েছে। হলুদ পরী লাগছে। আমি :- এখন আর কাপড় পড়ে এসে কি করবে? ইরা :- রেগে গিয়ে বলল, মানে!! আমি :- যা দেখার আছে। সবতো দেখে নিয়েছি। ইরা :- ওয়াট! কি দেখেছো তুমি? আমি আঙুল দিয়ে বাথরুমের দিকে ইশারা করে বলল, আমি : - ঐ দিকে থাকাও। ইরা বাথরুমের দিকে থাকিয়ে হা হয়ে গেলো আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছেবাথরুমের দরজা গ্লাসের। খুবই সচ্ছ। বাইরে থেকে আবছা আবছা দেখা যায়। ইরা :- অবাক হয়ে বলল,তার মানে তুমি আমার।!! আমি :- হ্যা,সব দেখে নিয়েছি। আর ফ্রি পেলে কেউ কি হাত ছাড়া করে। ইরা :- ভ্যাএএ,ভ্যাএএ। আমি :- আরে কি হলো কাঁদছ কেনো? ইরা :- আমার সব শেষ হয়ে গেলো। আমি :- আরে কি শেষ হলো? ইরা :- ঐ যে তুমি আমার সব দেখে নিলে। আমি :-আরে শুধুইতো দেখেছি কিছু করি নিতো। ইরা আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, ইরা:-দাড়া কুত্তা তোর করা বের করছি। তকে আজ আমি বলেইরা আমাকে বালিশ দিয়ে মারতে লাগলো। আমি :- আরে আরে ইরা কি করছ কি? ইরা :- তকে আজ আমি মেরেই ফেলবো। আমার সাথে ফাইজলামি। আমি :- আরে আমার লক্ষি বউ মেরোনা প্লিজ। ইরা :- ঐ কে তোর বউ হিম। আমি :- কেনো তুমিই না বললে আমি তোমার স্বামী। ইরা :- ওটাতো ঐ সময় বাসাটা ভাড়া পাওয়ার জন্য বলেছি। আমি :- আচ্ছা, বলছো যকন তখন আমি আমার অধিকার টা,পুষিয়ে নেই। ইরা :- অধিকার মানে কিসের অধিকার। আমি :- আরে বউয়ের অধিকার যেমন ধরো, তুমি আমার পা টিপে দিবে, মাথা টিপে দিবে, ভাত খাইয়ে দিবে। আর। ইরা :- হুম বলো আর কি? (রেগে গিয়ে বলল) আমি :- আর ঐ যে, ফ্যামিলি প্লানিং। ইরা :-দাড়া তোর ফ্যামিলি প্লানিং বের করছি। এই ফাকে আমি দিলাম দৌড়। ইরাও আমার পিছনে পিছনে দৌড়চ্ছে। আমি শুবার রুমে গিয়ে ব্রেক কষে দিলাম আর অমনি আমার বউ মানে ইরা আমার বুকের উপর। আর আমি বিছানার উপর।আমি ইরার দিকে থাকিয়ে আছি আর ইরা আমার দিকে। আমি ইরাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে আছি। আমার মনে হচ্ছে ইরা আমার নিজস্ব বউ। এমন একটা বউ যদি পেতাম। আমি অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইরার কপালের চুলগুলো সরিয়ে দিলাম ইরাকে দেখতে লাগলাম। ইরা আমার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমি ছাড়ার পাত্র নই।আমিও আরো শক্ত করে জরিয়ে ধরেছি। ইরা ভয়ার্ত কণ্ঠে বলল ইরা :- এই,এই কি করছো ছাড় বলছি। আম :- কেনো এতোক্ষণ তো দৌড়াচ্ছিলে এখন হাতের কাছে পেয়েও কিছু করছো না যে। ইরা :- না, না আমি ক কিছু করবো না তোমাকে প্লিজ ছেড়ে দাও। ( তোতলাতে তোতলাতে বলল ইরা) আমি :- আরে বউ ভয় পাচ্ছো কেনো? ইরা :- কই আমি ভয় পচ্ছি না তো। আমি :- আচ্ছা, ভয় পাচ্ছো না? ইরা :- না ভয় পাচ্ছি না। ভয় পাবো কেনো? আমি :- হ্যা, সত্যিইতো ভয় পাবে কেনো স্বামিকে আবার কিসের ভয়? ইরা :- এই এই তুমি আমার কোন কালের স্বামী? আমি :- এইতো এই কালের। । ইরা :- প্লিজ ছেড়ে দাও আমাকে। আমি :- উম, আচ্ছা ছেড়ে দিবো একটা শর্তে। ইরা :- কি কি শর্ত ( প্রচন্ড ভয় পেয়ে তোতলাতে তোতলাতে বলল ইরা) আমি :- আমাকে একটা পাপ্পি দিতে হবে। ইরা :- ইম্পসিবল। এটা হতে পারে না। আমি ইরাকে আরো জোরে জরিয়ে ধরলাম, আমি :- এখন হবে। ইরা :- প্লিজ ছেড়ে দাও। এগুলো করা ঠিক না। আমি :- কোনগুলো? ইরা :- ঐতো ওগুলো। আমি :- ঐতো কোনগুলো। ইরা :- ঐ যে কিস দিতে বললে। আমি :- কেনো ঠিক না কেনো? ইরা :- আমরাতো বিবাহিত মানে স্বামী স্ত্রী না। আমি :- আচ্ছা চলো তাহলে বিয়ে করে নিই। ইরা :- এহ, ইম্পসিবল। আমি :- কেনো কেনো পসসিবল নয়। ইরা :- জানিনা। প্লিজ ছেড়ে দাও। আমি :- আচ্ছা, আগে কিস দাও। ইরা :- প্লিজ এরকম করো না। আমি :- কিরকম? ইরা :- ছেড়ে দাওনা প্লিজ। আমি :- আগে কিস করো। ইরা :- আচ্ছা।( আহত দৃষ্টিতে) আমি :- কি হলো দাও। ইরা চোখ বুজে আমার গালে একটা পাপ্পি দিয়ে দিলো। আমিতো সুখের সাগরে ভাসছি। কি মধুর। ইরা :- এখনতো ছেড়ে দাও। আমি :- আরে আমিতো কিস দিতে বললাম। ইরা :- দিলাম তো। আমি :- কই দিলে? ইরা :- একটু আগেই না দিলাম । আমি :- আরে ওটাতো পাপ্পি দিলে, কিস দিলে না তো। ইরা :- মানে। আমি :- মানে গালে দিলে পাপ্পি আর ঠোঁটে দিলে কিস। আচ্ছা এখন দাও,। ইরা :- হ্যা, দাও দাও তাড়াতাড়ি দাও। আমার তর সইছে না আর। ইরা :- আমি দিতে পারবোনা। আমি :- পারবে না।ইরা মুখ ভেঙিয়ে বলল, ইরা :- না পারবো। আমি :- আচ্ছা তাহলে আমিই দিচ্ছি। ইরা :- এই না,না। প্লিজ এটা করো না। আমি :- আমি এটাই করবো। বলে ইরার ঠোটের দিকে আমি মুখ এগিয়ে নিয়ে যেতেই ইরা চোখ বন্ধ করে দিলো। । । ( চলবে.......)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিয়ে ছাড়া বউ পার্ট ২
→ বিয়ে ছাড়া বউ পার্ট ৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now