বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিয়ে ____________
.
লেখক: আলি এরশাদ
.
_____________ পর্ব: ২য়__________
পড়ার টেবিলে বসে ঘুম দেবতার
সহিত কখন যে প্রেমের পরিনয়
ঘটল বোধগম্য হলো না। দেয়ালঘড়ির
পানে লক্ষ্য করে দেখি সময়ের চাকা
দশটা পার করেছে।তবে ঢাকার
মতো জনবহুল শহরে এ সময় কিছুই
না বরং এখানে সব কাজ রজনীর
নিশিতেই হয় এ কথা বলা বাহুল্য।
ভাবলাম একটু বাহির থেকে যান্ত্রিক
শহরের কার্বনডাইঅক্সাইড এর
সাদ নিয়ে আসি সাথে যদি কোন
মনুষ্য সন্তানের তাজা রক্ত চোষা
যায় মন্দ হয় না। বের হলাম রাস্তায়,
গলির ভেতরের ল্যাম্পপোস্ট এর
আলোর নিভো নিভো আভার পথ
ধরে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। এই কনকনে
শীতের রাতে নাগরিক জীবনে নিস্তব্ধতা
নেমে এসেছে হয়তো তাই মানুষের
আনাগোনা এতো চোখে পরছেনা।
যদি কোন শিকার পাওয়া যেত এখন
আর ছাড়তাম না। কিছুদূর যেতেই
গলির চিপায় দুই বাড়ির মাঝের
ফাকা যায়গায় প্রেমিক যুগলের
নিষিদ্ধ ভালোবাসার খেলা চোখে
পড়ল। ভাবলাম থাক ওদের বিরক্ত
না করি নতুন শিকার খুজি। হঠাৎ
কুয়াশার আরালে কারো ছায়া লক্ষ্য
করলাম।
সামনে এগিয়ে দেখি মায়া, হাতে
চিনি আর ময়দার প্যাকেট। ভাবলাম
এখনই ঘারে আমার দাত দুটো বসিয়ে
আমার কচি রক্তের লোভ মিটিয়ে
নেয়া যেতে পারে..........
.
..........এই গাধা প্যাকেট গুলো ধরে
সাহায্য করো। বাসা পর্যন্ত এগিয়ে
দাও একটু।
.......তুমি কেন বাজার করলে, তুমার
বাড়িতে কি পুরুষ মানুষ নেই।
.......বাবা অসুস্থ আর আমি একাই
কোন ভাই বোন নেই। বাবার পেনশনের
টাকা আর আমার টিউশনের টাকাতেই
সংসার চলে,,,
........আচ্ছা এসো বাসার দিক আগানো
যাক।
.
মায়াকে বাসায় পৌছে দিলাম। এবারো
রক্তের সাদ নেয়া হলোনা পরের
বার আর সুযোগ ছাড়া যাবেনা।
পরের দিন পরিক্ষা শেষে ক্যাফেটেরিয়াতে
গেলাম মায়ার সাথে দেখা করতে।
........কেনো আসতে বলেছিলে?
........ভাই বোন নেই যেহেতু তাই
ভাইটু বানাতে...
.........আমার এতো শখ নেই,
........এই শার্ট টা ধরো, এই এক
শার্ট আর কতোদিন পরবে শুনি?
.......তুমায় আমার জন্য শার্ট কেনার
কথা কে বলেছে?
.......কেও বলতে যাবে কেনো,ভালো
লাগলো তাই কিনে নিলাম।
........ধন্যবাদ, আমার টিউশনের
সময় হয়ে এসেছে আমাকে যেতে
হবে!!
........হুম্ম যাও আমিও আসি
.
শার্ট নিয়ে বাসার টিউশনের বাসার
দিকে যেতে থাকলাম। ভাবলাম
বাসায় যেয়ে শার্ট খুলে দেখবো কেমন
হয়েছে।
টিউশন শেষে বাসায় যাওয়ার পর
শার্ট খুলে দেখলাম।খুবই সুন্দর
আমাকে ভালো মানাবে। হঠাৎ মায়ার
ফোন আসলো....
.
.............সৈকত শোন, ৮.০০ টা
বাজে তুমি আমাদের গলির মোরে
একটু থেকো দরকার আছে,
......আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু কেন?
ওই পাশের লাইনটা কেটে গেলো।
আমি ভাবলাম আজই সুযোগ কচি
রক্তের পিপাসা আজ মেটাবো সুন্দরীশ্রেষ্ঠা।
মায়ার দেয়া শার্ট পরেয় রাত ৮.০০
ঘটিকায় গলিতে উপস্থিত হলাম।
মায়া দেখি আগেই দাড়িয়ে আছে।
......হুম্ম বলো, কেন আসতে বললে?
মায়া তার ব্যাগ থেকে একটি ছবি
বের করে দেখালো আমায়,ছবির
মানুষটা একদম আমার মতো।বুজতে
দেরি হলোনা যে বাবা আমায় ভুল
মানুষের আকার দিয়েছে। একই
চেহারার মানুষ আরেক জন রয়েছে।
আমি ছবির দিক তাকিয়ে থাকলাম।
.......এই শোন, এই ছবির ছেলেটা
আমার বিএফ ছিল যে দুই বছর
আগে মারা গিয়েছে। তুমি দেখতে
একদম আমার আসিফ এর মতো।
এখন চলো কাজি অফিসে তুমায়
বিয়ে করবো,,
,
আমি আকাশ থেকে পড়লাম। রক্ত
চোষতে এসে বিয়ের ফাদে পরে
গেলাম। এ দেখি আমার রক্তই চোষে
যাচ্ছে।
মায়া কানের কাছে এসে আবার
চিৎকার দিয়ে বললো,
,
.......এই আমার বাংলা কথা তোর
কানে যাই না??রিকশা ডাক দে একটি
কাজি অফিসে যাবো,,,,,,,,,,,,,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
_______________ চলবে _______________
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now