বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার মামা ঢাকা থাকে। আমার কখনো ঢাকা যাওয়া হয়নি। তাই এবার ছুটিতে ঢাকায় বেড়াতে গেলাম। সকালে গাড়িতে উঠলাম। আর ভাবলাম কত সুন্দরই না ঢাকা সহরটা। ৪ঘন্টা পরে মামার বাসা পেলাম। চারিদিকে কোলাহল আর হর্নের শব্দ। রাত ১২ টার পরে ঘুমিয়েছি। সকাল হতে না হতেই আবার সেই কলাহল। একটু ঘুরতে গেলাম মামার সাথে। আমার তো দম বন্ধ হয়ে আসছিল। কারন চারিদিকে ধুলা বালি ,গাড়ির কালো ধোয়া একদম বিরক্তিকর। তাই ৩দিন থেকেই চলে আসলাম বাড়িতে।কিন্তু ছুটিতে বাড়িতে কারোকি মোন বসে তাই গেলাম নানার বাড়ি। নানার বাড়ির সামনে বিশাল বড় মাঠ। গাছ গাছালি আছে অনেক। পাখির কিচিরমিচির শুনে নম ভরে যায়। ঠান্ডা বাতাস মন প্রান জুরিয়ে দেয়। প্রাকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য দখলে কেনা মুগ্ধ হয়। রাতের বেলা নানাকে জিঙ্গাসা করলাম। নানা আগেকার দিনে কি এরকম ছিল। নানা বললো, না আগেকার দিনে আরো অনেক গাছ পালা ছিল। শকুন ছিল সব জায়গায়। ঈগল চিল ও ছিলো অনেক। এরা পরিবেশ পরিশকার করে। গাছ আমাদের ছায়া ঠান্ডা বাতাস দেয়। আর এখন এসব কিছুই নেই। এখন মানুষ চাষ করে রাসায়নিক সার দিয়ে। কিটনাসক দেয়। আর ফলে ফরমালিন দেয়। এজন্য মানুষ বেশিদিন বাচে না। নানার এসব কথা আমাকে ভাবায়। আমি প্রতিঙ্গা করি বড় হয়ে অনেক জমি কিনে এসব বিলুপ্তপ্রায় প্রানী দের নিজ হাতে পলে পুষে তাদের বাচ্চাদের এই বাংলাদেশর বুকে সাধিন ভাবে ছেরে দেব। আর ভালো জমিতে নির্ভেজাল ফসল ও ফল ফলসি চাষ করে সবাইকে বাচাবো।
আশা করি আপনারাও আমার মতো চিন্তা করবেন এবং আপনারাও এই কাজে অংশগ্রহণ করবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now