বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিঘাত-০৩

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X বিঘাত শোভন নবী স্পাই থ্রিলার পর্ব ৩ ১০ হায়দার আর মনসুর। গলির শেষ মাথায় এসে হতভম্ব হয়ে গেল। যে লোকটাকে ফলো করার অর্ডার ছিল সে কোথাও নেই। নেই মানে নেই। হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে যেন। হতভম্ব হায়দার পেছনে ফিরে তাকাল। যাকে ফলো করছিল সেই যুবক কোন না কোন ভাবে তাদের পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে। যুবকের হাতে উদ্যত পিস্তল। পরপর দুবার গুলি চালালো সে। প্রথম গুলিটা হায়দারের কপালে একটা তৃতীয় নয়ন তৈরি করল। পরবর্তি গুলিটা বিঁধল মনসুরের মাথার পেছনে। আইএসআইয়ের দুই অপারেটর মাটিতে পড়ার সাথে সাথে রুদ্র সামনের ছফুটি দেয়ালের ওপর চড়ে বসলো। এর ওপারে একটা লেন পার হলেই সে তার অটোটা আবারও পেয়ে যাবে। একটা ঝামেলা বাড়লো। মিশনের সফলতা এখন অনিশ্চিত। কামাল পাশা ঘরে ঢুকতেই মেয়েটা তার দিকে তাকাল। কামাল পাশা শিউরে উঠলেন। মেয়েটার মুখের বা পাশটা বিভৎসভাবে পোড়া। সম্ভবত এসিড। বাম চোখের দৃষ্টি ঘোলাটে। পাশে দাঁড়ানো এজেন্ট বলল, “স্যার মেয়েটার নাম সুরাইয়া। রুদ্র এর ঘরেই উঠত।” কামাল পাশা বললেন, “তুমি বাইরে যাও। সুরাইয়া আর আমার মধ্যে এখন কথা আছে। মেয়েটা আমাদের অনেক কিছু বলবে তাইনা?” সুরাইয়ার হাতদুটো টেবিলের সাথে জোড়া দেওয়া হ্যান্ডকাফে আটকানো। সে হাতের মুঠি শক্ত করে ফেলল। কামাল পাশা তার সামনে বসলেন। একটা ছবি এগিয়ে দিলেন। বললেন, “এর নাম রুদ্র। চেনো একে?” সুরাইয়া কোন কথা বলল না। রুদ্র তাকে বলেছিল ভয়ানক অত্যাচারের কথা। সেটা কখন শুরু হবে? যে নরক থেকে তাকে বের করা হচ্ছিল তার চেয়েও ভয়ানক? কামাল পাশা ধমক দিয়ে বললেন, “কথা বলো।” সুরাইয়া এবার চমকে উঠলো। তার চোখ ছলছল করছে। সে দাতে দাত পিষে হিসিয়ে উঠল, “আমাকে কেন ধরে এনেছেন?” -তুই বুঝিস না কেন এনেছি? এই লোকটা তোর সাথে প্রায় দুবছর ছিল। এখানে আসলে তোর ঘরে উঠতো। এর সম্পর্কে যা যা জানিস বলতে শুরু কর। রুদ্রের ছবিটার দিকে ইশারা করলেন তিনি। সুরাইয়া ছবিটার দিকে তাকাল। সে আবারও বলল, আমি একে চিনিনা। -তোর কি অবস্থা আমরা করবো তুই কল্পনাও করতে পারবি না। তিনি হাত ইশারা দিতেই তিনজন শক্তিশালী চেহারার যুবক ইন্টারোগেশন সেলে ঢুকলো। রুদ্র ঘরে ঢুকে দেখলো সবাই থমথমে মুখে বসে আছে। তাকে দেখে চার্লি বললেন, “প্যাক আপ। আগামী দশ মিনিটের ভেতর এই বাসা থেকে আমাদের অস্তিত্বের সমস্ত প্রমাণ গায়েব চাই আমি।” রুদ্র যা বোঝার বুঝে নিল। সে বলল, “স্যার মিশন কল অফ করবেন না। যা হবার তা হয়ে গিয়েছে। অনেকদুর এগিয়ে গেছি আমরা। এটাই শেষ সুযোগ।” চার্লি তার দিকে তাকালেন। চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন, “আমি কর্ণেলকে বলেছিলাম এক্সপারট কাউকে পাঠাতে।” মাশিয়াত বলল, “তুমি যে মেয়েটার সাথে ছিলে সে ধরা পড়ে গেছে। এখন সে আইএসআইয়ের ইন্টারোগেশন সেলে। সে হয়তো তোমাকে কম্প্রোমাইজ করে দিতে পারে।” স্তম্ভিত রুদ্র দীর্ঘ একটা সময় মাশিয়াতের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, “সে মরে গেলেও বলবে না।” চার্লি সহজে টেম্পার হারান না। তিনি বললেন, “টর্চার কিভাবে করবে ওরা ওকে তুমি ভাল করেই জানো। কেন গিয়েছিলে?” রুদ্র বলল, “এটার জন্য।” বলেই পকেট থেকে একটা ডাটা কেবল বের করে নিজের স্মার্টফোনটা একটা পিসির সাথে কানেক্ট করলো। করাচি শহরের ম্যাপ ফুটে উঠলো মনিটরে। সেখানে একটা লাল বিন্দু জ্বলজ্বল করছে। রুদ্র কোমল গলায় বলল, “লাল বিন্দুটা স্টেশন চীফ প্যাট্রিক রবিনসন। ওই মেয়েটার কারণেই আমি ওকে ট্র্যাক করতে পারছি। স্যার ডোন্ট কল অফ দ্য মিশন। এখনও আমরা কাজটা করতে পারি। এখন হয়তো রিস্কটা একটু বেশী। কিন্তু হয়তো পারবো আমরা। না পারলে আমরা এমনিতেও মরবো। সো লেটস ডু ইট।” হারুন মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে কোন কথাই বলছে না। চার্লি মাথা নাড়লেন। ভাজ করে রাখা ইসলামাবাদের ম্যাপটা টেবিলে ছড়িয়ে দিলেন। গোল একটা বৃত্তের কেন্দ্রে আঙুল ছুইয়ে বললেন, “ইন্ডিয়ান এম্ব্যাসিটা এখানে...” ১১. ব্রিফিঙয়ের পর সব গুছিয়ে ফেললেন চার্লি। তবে সার্ভেইল্যান্স চলছে। শুধু দুইটা কম্পিউটার এখনও চলছে। একটাতে বিগ্রেডিয়ার পাশার অফিসটা দেখা যাচ্ছে। অন্যটাতে প্যাট্রিক রবিনসনের লোকেশন দেখা যাচ্ছে। পাশার ঘরে একজন লোককে ঢুকতে দেখে হেডফোনটা কানে লাগালেন তিনি। লোকঃ স্যার মেয়েটা মারা গেছে। পাশাঃ মানে? লোকঃ জ্বি স্যার। জামাল ওকে ওয়াটার বোর্ডিং করছিল। এমনিতেই মেয়েটার ব্লাড লস হয়েছিল প্রচুর। ডোজ বেশী পড়ে গেছে মেবি। জামালকে তো স্যার চেনেনই। মেয়ে পেলে টর্চারের সময় হুশ থাকে না। পাশাঃ ছাগলের বাচ্চারা। তোমরা জানো তোমরা কি করেছো? যাও, মেয়েটার লাশ গায়েব করো। লোকঃ জ্বি স্যার। লোকটা চলে গেল। চার্লির পাশেই বসে আছে মাশিয়াত। চার্লি ওর দিকে তাকালেন। বললেন, “এই ব্যাপারটা রুদ্রকে জানানো ঠিক হবে না।” মাশিয়াত মাথা নাড়লো। চার্লি বললেন, “কাল রুদ্রর কন্ট্রোলে তুমি থাকবে। ইউ শুড বি কেয়ারফুল। ছেলেটা পিনখোলা গ্রেনেডের মত।” মাশিয়াত উঠে গেল। চার্লি বসেই রইলেন। মাশিয়াত করিডোরে দাঁড়াল। রুদ্রের ঘরের দরজা খোলা। দরজা দিয়ে উকি দিল মাশিয়াত। রুদ্রকে দেখা যাচ্ছে। ঠোঁটে সিগারেট নিয়ে শুয়ে আছে। মাশিয়াত প্রায় নিঃশব্দে ঘরে ঢুকে দরজাটা লাগিয়ে দিল। রুদ্র টের পেলেও তার দিকে তাকাল না। মাশিয়াত পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল তার দিকে। ঠিক সেই সময়েই একটা জীপ করাচীর সীমানা ছাড়িয়ে গ্রামের দিকে রওনা হল। জীপে যাত্রী মাত্র দুজন। ইয়াসির আর হুসেইন। ইয়াসির একটা কন্টেইনার খুলে খানিকটা দেশী রাম গলায় ঢালল। হুসেইন গাড়ি চালাচ্ছিল। সে হুসেইনের দিকে কন্টেইনারটা বাড়িয়ে দিতে হুসেইন সেটা ফিরিয়ে দিল। গাড়ি চালানোর সময় সে মদ খেতে পছন্দ করে না। হুসেইন বিড়বিড় করে বলল, “আমার ভয় লাগছে।” ইয়াসির হাসলো, “ভয়ের কি আছে দোস্ত? একটা মেয়ের লাশই তো। নদীতে ভাসিয়ে দেব। ব্যস খেল খতম।” -এই সব হাইওয়েতে অনেকরকম কাহিনী শোনা যায় ইয়াসির। -তাই তো বললাম। খানিকটা গলায় ঢালো ভয় কমে যাবে। -না। তুমি মেয়েটার চেহারা দেখেছিলে? -হ্যাঁ আধেকটা পোড়া। গাদ্দার শালীর একটা বাঙালী নাগর আছে। ওকে ধরার জন্যই তো ওকে ইন্টারোগেট করছিল। দায়িত্ব পড়েছিল জামালের ঘাড়ে। জামালের ইন্টারোগেশন মানে বোঝই তো। মেয়েটা আধঘন্টাও টেকেনি। দীর্ঘ একটা সময় নীরব রইলো ওরা। হুসেইন হঠাৎ ব্রেকে পা চেপে ধরলো। প্রচন্ড ঝাকি খেয়ে থেমে গেল গাড়িটা। ইয়াসির সামলে নিয়ে হতভম্ব গলায় বলল, “বাহেনচোত! কি হল তোমার?” হুসেইনের গলা কাপছে। কিছু একটা দেখেছে সে। ইয়াসির আবার বলল, “কি হল?” -কি যেন দেখলাম। -ওসব তোমার মনের ধান্দা। গাড়ি চালাও। লাশটা ডাম্প করে রাতের মধ্যেই রিপোর্ট করতে হবে। হুসেইন কাপা হাতে আবার গাড়ি স্টার্ট দিল। ইয়াসির বলল, “সাবধানে চালাও দোস্ত।” পাহাড়ি এলাকা দিয়ে যাচ্ছে তারা। রাস্তার একপাশে খাড়া পাহাড় আরেকপাশে গিরিখাত। গাড়ির গতি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইয়াসির আতংকিত গলায় বলল, “স্পীড কমাও দোস্ত।” হুসেইন কোন জবাব দিল না। তার চোখ রিয়ার ভিউ মিররের দিকে। তাদের পেছনের সিটে একজন তরুণী বসে আছে। তরুণীর গায়ে হলুদ কামিজ। মুখের অর্ধেকটা পোড়া। তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকেই। মেয়েটা গাড়ির ট্রাংক থেকে উঠে এল কিভাবে তা তার মাথায় ঢুকছে না। গাড়ির গতি বেড়েই চলেছে। সামনে খাড়া খাদ। ইয়াসির চীৎকার করছে। হুসেইনের সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। সে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে পেছনের সিটে বসে থাকা মেয়েটার দিকে। ১২ মাশিয়াতের ঘুম ভাঙল খুব ভোরে। পাশে অঘোরে ঘুমাচ্ছে রুদ্র। উঠে দাঁড়িয়ে বিছানার পাশে পড়ে থাকা নিজের কাপড়গুলো গায়ে জড়িয়ে নিল। পেছনে তাকাতেই দেখলো রুদ্র উঠে বসে আছে। সে মৃদু গলায় বলল, “মেয়েটার নাম কি ছিল?” রুদ্র নেমে গেল বিছানা থেকে। ট্রাউজারে পা ঢুকাতে ঢুকাতে বলল, “আমি সঠিক জানিনা। ওর বান্ধবীরা ওকে সুরাইয়া বলে ডাকতো।” মাশিয়াত বের হয়ে গেল ঘর থেকে। কবীর চৌধুরী তখনও মনিটরের সামনে বসে আছেন। মাশিয়াতের পায়ের শব্দ শুনে ঘুরে তাকালেন। বিড়বিড় করে বললেন, “কাজটা ভুল হয়েছে। এই ধরণের কাজগুলো সম্পর্কের জটিলতা সৃষ্টি করে।” মাশিয়াত বাঁকা হাসি হাসলো। বলল, “কেন চার্লি? আর ইউ জেলাস?” চার্লি অবাক হয়ে বললেন, “জেলাস কেন হবো?” -তুমিই ভাল জানো। মাশিয়াত নিজের ঘরের দিকে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর বের হয়ে এল। পোশাক পালটে নিয়েছে সে। কাঁধে ব্যাগ। সে বলল, “সি ইউ এট দ্য পার্টি।” কবীর চৌধুরীর চোয়াল ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে উঠছে। রাগটা কেন বা কার ওপর তার মাথায় ঢুকছে না। রুদ্রকে ঘর থেকে বের হয়ে কিচেনের দিকে যেতে দেখলেন তিনি। টেবিলের নিচে হাত দিয়ে পিস্তলটা চেপে ধরলেন। নিজেকে শান্ত করার প্রবল চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। ঠিক তখনই রুদ্রের কন্ঠ ভেসে এল রান্নাঘর থেকে। “চার্লি স্যার, কফি খাবেন?” তার গলা আগের মতই। শীতল। ভাবলেশহীন। চার্লি গলা উচিয়ে বললেন, “ব্ল্যাক। নো মিল্ক নো সুগার।” তিনি পিস্তলের ওপর থেকে হাতটা সরিয়ে নিলেন। আলতাফ বেগের অফিসের দরজায় উকি দিল তার এডজুটেন্ট উমরের মুখ। সে ক্লান্ত গলায় বলল, “স্যার বাসায় যাবেন না?” আলতাফ মুখ তুলে বললেন, “তুমি চলে যাও। আমি পরে বের হব।” উমর মাথা নেড়ে বের হয়ে গেল। আলতাফ একটু অপেক্ষা করলেন। তারপর উঠে দাড়ালেন। পুরো অফিস এখন খালি। আলতাফ বেগের হাত পা কাঁপছে। আজ রাতেই কাহিনী যা হবার তা হবে। তার মনে হচ্ছে যে সামথিং ইজ ভেরী রঙ। তার হাতে দুটো ইনভাইটেশন কার্ড। আজ রাতের পার্টির জন্য। এগুলো কবীরের কাছে পৌছে দিতে হবে। কবীর তাকে কিছু দায়িত্ব দিয়েছিল সেগুলো খুব একটা ভালভাবে পালন করতে পারেননি তিনি। কবীরকে তিনি যতটা চেনেন তাতে তিনি বুঝে গেছেন যে কবীর ফাসলে তাকে নিয়েই ফাসবে। তাকে এখন সিআইএর বলয় থেকে বের হতে হবে। প্যাট্রিক কাল রাতে ফোন দিয়ে পার্টির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিল। এমনকি গতকাল টর্চার সেলে মারা পড়া মেয়েটার কথাও জিজ্ঞেস করছিল। প্যাট্রিকের সাথে তার সম্পর্ক ভাল। তিনি যতটা তাকে বলা সম্ভব বলে দিয়েছেন। ওর কাছে লুকিয়ে লাভ নেই। তার পকেটে একটা পেনড্রাইভ। আজকের মধ্যে এটা কবীরকে দেবার ব্যাপারে তিনি সম্মত হয়েছিলেন। কর্ণেল বেগ ইশ্বরকে একবার স্মরণ করে কামাল পাশার অফিসে ঢুকে পড়লেন। কামাল পাশার অফিসটা বেশ বড়। তার চেয়ারে বসে কম্পিউটারটা অন করলেন। পাসওয়ার্ড গতকাল চার্লি তাকে ইনবক্স করেছে। padxisichief00078742। ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিতেই কামাল পাশার একাউন্ট ওপেন হল। আইএসআই সার্ভারে কামাল পাশার একাউন্টে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফাইল। একটা সবুজ বাটন আছে ডাউনলোড অল লেখা। তিনি বাটনটাতে ক্লিক করলেন। পেনড্রাইভটা ঢুকিয়ে ডেস্টিনেশন সিলেক্ট করলেন ইউএসবি ড্রাইভে। ডাউনলোড শুরু হল। দশ মিনিটের মত লাগবে। অফিস এখনো খালি। সাড়ে সাতটা বাজে প্রায়। যেকোন সময় লোকজন চলে আসবে। কর্ণেল বেগের কপালে চিকন ঘাম দেখা দিল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিঘাত-০৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now