বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সোনিয়া প্রতিদিন আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে স্কুলে যেত। হঠাত দেখলাম মেয়েটা এত বড় ও এত সুন্দরী হয়েছে এর আগে খেয়ালি করিনি। তাই সোনিয়া স্কুলে যাবার সময় প্রতিদিন বারান্দায় এসে দারাতাম এক নজর দেখার জন্য। এই ভাবে কিছুদিন যাবার পর ও হয়তো বুঝতে পারলো যে বারান্দায় যে আমি দারিয়ে থাকি সেটা ওর জন্যই। মেয়েটা সুন্দর এবং কম বয়সে বেশি লাম্বা হয়ছে ঠিক কিন্তুু ততটা বুদ্ধি মাথায় যে হয়নি সেটা বুঝতে পারি ওর কিছু কথাবার্তায়। আমি একদিন বাজারে যাচ্ছিলাম ও তখন স্কুলে যাচ্ছিলো হঠাত আমাকে দেখে বলল ভাইয়া আপনার সাথে আমার কিছু কথা আছে শুনবেন। তখন আর কি করা বললাম বলো তখন যে কথাটা বললো তাতে একটু লজ্জিত হলাম ও বললো ভাইয়া আমি বুঝতে পারি আপনি আমাকে পছন্দ করেন। এই জন্য বারান্দায় দারিয়ে চুপিচাপি করে আমাকে দেখেন। যদি ভালো লাগে সরাসরি বলতে পারেন আমি রাজি। কথা শুনে আগের ধারনাটা পাল্টে গেলে যতটা ছোট ও বুদ্ধিমান কম মনে করিছিলাম সেই ধারনাটা একদম ভুল ছিলো বুঝতে পারলাম তখন। উপরে এক ধরনের রাগ দেখালাম আবার মনে মনে খুশিও ছিলাম এই জন্য যে এক সময় এই কথাটা আমি তো বলতাম। তখন কার মতো বললাম সোনিয়া তুমি এখন যাও আমি পরে তোমাকে বলবো। মেয়েটা যে মন খারাপ করেছে আমি সেটা বুঝতে পারলাম। আর এই রকম সুযোগ আমি আগে কখনো দেখিনি যে মেয়েরা নিজে থেকে কখনো কাওকে বলে যে আমি তোমাকে ভালোবাসি। কিছুদিন পর আবার সামনা সামনি দেখা সোনিয়া বললো কই উত্তর তো পেলাম না। মেয়েটার লজ্জা বলতে কিছু নেই ওর চেয়ে মনে হয় আমি বেশি ভিতু তাই। নিজের সাহস দেখাতে শেষে রাজি হলাম শুরু হলো প্রেম। কি না করেছি সোনিয়ার জন্য রাত দিন শুধু ওকে সময় দিয়েছি টাকাকে টাকা মনে করি নি উরিয়েছি ওর জন্য ১বছর যাবার পর পারিবারিক ঝামেলার জন্য কিছুদিন কথা বলতে পারি নি। কিন্তুু এই সুযোগে যে ও পাল্টে যাবে ভাবি নি। স্কুলে অন্য ছেলেদের সাথে কথা বলে হাসাহাসি করে ভাবতাম স্কুলে বন্ধুদের সাথে কথা বলবে সমস্যা কি। কিন্তুু ওর বান্ধবীদের কাছ থেকে শুনি ও আরেক ছেলের সাথে রিলেশন করে কিন্তুু আমি এটা বুঝতাম না। সময় পেলে আমি কল দিলে ধরতো বা দেখা করতে চাইলে না করতো না আগের মতো ভালো বাসতো আমাকে বুঝতাম। কিন্তুু কি ছিলো ওর মনে এটা বুঝতাম না। অন্য ছেলের সাথে রিলেশন করে কিনা এটা বললে মন খারাপ করে আমাকে জরিয়ে ধরে কান্না করতো বলতো অন্য কথায় কান না দিতে। বেশ কিছুদিন যাবার পর বুঝলাম ও আসলে কাওকে ভালোবাসে কিন্তুু আমাকে ছারছে না। তার মানে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলার মতো তার পর আমার রাগারাগি করাতে হয়তো আমাকে একটু বেশি ভালো বাসে তাই সোনিয়া আর কোন ছেলের সাথে কথা বলে না। কিন্তুু আমার সন্দেহ্ কমলো না তাই আমার এক বন্ধুর খালাতো ভাইকে লাগিয়ে দিলাম সোনিয়ার পিছে যে সোনিয়া সেই ফাদে পরে যায় নাকি। প্রথম সোনিয়ার নাম্বার দিলাম। আমি যে আইডিয়া করেছিলাম ঠিক তাই এবারো সে একুই ভুল করলো যা আমি আর কখনো মেনে নিতে পার ছিলাম না। আরে শিওর হবার জন্য বন্ধুর খালাতো ভাইকে বললাম যে একবার তুই সোনিয়ার সাথে দেখা কর। যাতে ওই সময় আমি ওকে হাতে নাতে ধরতে পারি এবং ভুলতে আমার সহজ হবে। কথা মতে কাজ ওরা দুজন মিলে দেখা করার টাইমে আমি হাজির সোনিয়াকে বললাম ওকেরে সোনিয়া বলল খালাতো ভাই ছেলেটাকে বললাম সোনিয়া কি হয় ছেলেটা বললো লাভার জাস্ট এটাই শুনার দরকার ছিলো। বন্ধুর খালাতো ভাইকে বলে রেখেছিলাম যেন আমাকে কোন দিন দেখিস নি এমন অভিনয় করতে। ঘটনা স্হানে মনে হয় আমার চেয়ে বন্ধুর খালাতো ভাইয়ের প্রতি দরদ অনেক বেশি অশ্রু ভরা চোখ নিয়ে পাগলের মতো ফিরে আসতে হলো। তার পর প্রায় ২ বছর কথা হয়নি দেখাও করিনি সামনে পরলে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতাম। সোনিয়া হয়তো অনেক কথা বলার ইচ্ছে ছিলো কিন্তুু সুযোগ দেইনি। হঠাত সোনিয়া ওর পরিবার ছেরে আমার ঘরে উঠে! আমি তো অভাক কিছু বুঝতে পারছিলাম না মাথা কোন বুদ্ধি কাজ করছিলোনা। সবাই জানতে যে সোনিয়ার সাথে আমার প্রেম তাই এটা সাভাবিক কিন্তুু আমার কাছে এটা সম্ভব না। এলাকার লোক জন মুরুব্বী গন শেষে ঠিক করলো সোনিয়ার সাথে আমার বিয়ে আমি রাজি না তবুও রাজি হতে বাধ্য হলাম। প্রথম ৫-৬ মাস না মিললেও ভাগ্য কে মেনে নিয়ে শান্তিতে থাকার কথা চিন্তা করলাম। ভালোই চলছিলো কিন্তুু আমি যত ছার দেইনা কেন ও সব সময় বিপাদে ফেলায় আমাকে ওর পরিবারের কথা শুনে আমাকে না জানিয়ে হঠাত একটা বাচ্চা নেয় সোনিয়া এবং বাচ্চা নেবার পর আমার শুরু হয় কষ্ট যেখানে সেখানে কাজ করে সংসার চালাতাম অনেক কষ্ট করতাম। বউ বাচ্চা কে ভালো রাখার জন্য। বাচ্চা নেবার উদ্দের্শ যেন সোনিয়াকে না ছারি আমি। কষ্টের মাঝে সংসার চলছিলো এ দিকে আবার মেয়েটাও বড় হচ্ছিল দিগুন কাজ করতে হত তাই সোনিয়াকে সময় দিতে পারতাম না। কিন্তু সেই সুযোগ পেয়ে ছলনাময়ী বেইমান সোনিয়া আজ অন্য কারও সাথে বেরিয়ে গেছে। আমাকে আর আমার মেয়েকে মহাসাগররের মাঝপথে রেখে গেছে। আমার মনে হয় যে ছেলের সাথে রিলেশন ছিলো তার সাথে গেছে। আরে বেইমান যাবি যদি আগে বললিনা কেন আমি হাতে তুলে দিতাম। শুধু শুধু কেন অভিনয় করলি আর আমার মেয়েটা কি দোষ করেছিলো। আজও জানি না কোথায় আছে ওর কথা ভাবিও না জানি না মেয়েটার কথা মনে আছে কি না তবু মেয়ে নিয়ে এখন বেচে আছি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now