বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
বিচার করলেন কিশোর নবী (পর্ব-৩)
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mahin (০ পয়েন্ট)
X
পরের পর্বের পর।পয়গম্বর বকরীওয়ালার কথা শুনে শাহজাদা সুলায়মানকে ডেকে পাঠালেন।বললেন,বাবা!তুমি কেনো আবার ছানি বিচারের দাবি করে বাদীকে পাঠিয়েছ আমার দরবারে?বাদশাহ,আমি তো হক বিচারই করেছি।দাবিদারের যা হক,তার যা প্রাপ্য তাকে তাই দিয়ে সেই মত মামলার ফয়সালা করেই রায় দিয়েছি।বালক সুলায়মানের কাছে কিন্তু এ বিচার মনঃপুত হয়নি।সে নম্র সুরে বলল,আব্বাজান!আমার বিবেচনায় আপনার এ বিচার নায্য হয়নি।পুনরায় বিচারটা করলে ভালো হয়।পয়গম্বর পুত্রের কথা শুনে বললেন,বেশ তো,মামলার রায় যদি নায্য না হয়,তাহলে বিচারটা তুমিই করে দাও।বালক সুলায়মান পিতার আদেশ পেয়ে ডাকলেন বাদী বিবাদী উভয়কে।তারপর নিজের বিচার বিবেচনা মতে মামালার রায় দিয়ে বললেন,ক্ষেতওয়ালা আপাতত বিবাদীর বকরি নিয়ে তার দুধ পান করবে এবং বকরীওয়ালা রোজ রোজ তার ক্ষেতে পানি দিবে।যখন ফসল পূর্বের ন্যায় সতেজ ও বড় হবে,তখন বকরীওয়ালা তার ছাগল ফেরত পাবে।এবং বাদীর ক্ষেতে সে পানি দেওয়া বন্ধ করবে।এই বিচার করে সুলায়মান উভয়কে দিলেন বিদায় করে।তোমরা দেখলে তো,কত সুন্দরভাবে কিশোর সুলায়মান বিচার করল।বকরীওয়ালা তার বকরী চিরদিনের জন্য হারাতে হবে না।সমাপ্ত।ইসলামিক ফাউন্ডেশন {সংগৃহিত}
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now