বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

(বই রিভিও) ক্ষীরের পুতুল

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X বইঃ ক্ষীরের পুতুল লেখকঃ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকাশনীঃ আনন্দ পাবলিশার্স বইয়ের ধরনঃ শিশু-কিশোর বই প্রচ্ছদঃ আশিস সেনগুপ্ত পৃষ্ঠাঃ ৫৪ মুদ্রিত মুল্যঃ ৫০৳ (ভারতীয়) #রিভিউঃ এক রাজার দুই রানী। দুয়ো আর সুয়ো। রাজবাড়িতে সুয়োরানীর কত আদরযত্ন! সাতশো দাসী সেবা করে, পা ধোয়, আলতা পরায়, চুল বাঁধে, সাত সিন্ধুক ভরা সাত হাজার ধন-মানিকের গহনা। রাজার একেবারে প্রাণ সুয়োরানী। আর বড়রানী- দুয়োরানীর বড় অনাদর, অযত্ন, অবহেলা। রাজার দু’চক্ষের বিষ। থাকেন ভাঙ্গা ঘরে, পড়েন জীর্ণ শাড়ি, শুতে দিয়েছেন ছেঁড়া কাঁথায়। রাজা একদিন রাজমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে বললেন জাহাজ সাজাতে, তিনি দেশ-বিদেশ ভ্রমনে বের হবেন। রাজা বিদেশ যাবার আগে সুয়োরানীর সাথে দেখা করলেন এবং জানতে চাইলেন কিছু আনবে কিনা। সুয়োরানী সাথে সাথে বললেন তাঁর জন্যে আট গাছা মানিকের চুড়ি, আগুন বরণ সোনার দশগাছা মল, পায়রার ডিমের মত মুক্তোর হার, জলের মত চিকন শাড়ি আনতে। এদিকে দুয়োরানীর কাছে জানতে চাইলে সে বলে রাজা ভালোয় ভালোয় ফিরুক এই কামনা সে করে আর সাথে করে আনতে বলে একটা পোড়ামুখো বানর। দীর্ঘ ছ’মাস পর রাজা দেশ-বিদেশ ঘুরে এলেন। রাজা ছোটরানীকে তাঁর জন্যে আনা সকল উপহার দিলেন। কিন্তু দিলে কি হবে কিছুই যে মাপমতো হয়নি! রাগে-অভিমানে রানী ঘরের দরজায় খিল দিলেন। আর বড়রানী বানরকে পেয়ে সানন্দে গ্রহণ করলেন। লালন-পালন করতে লাগলেন বানরকে। এভাবেই কাটছিল সবার দিন। সুয়োরানী সাতশো দাসীর মাঝে সুখ করে, ওদিকে দুয়োরানী শুধু ছোটরানীর সুখ দেখে হা-হুতাশ করে। এসবতো তারই প্রাপ্য ছিল। অথচ আজ সে পথের ভিকিরি। চোখের জল ফেলতে ফেলতে সে পোড়ামুখো বানরকে নিজের দুঃখের কথা সব খুলে বলে। বানর প্রতিজ্ঞা করে সে যে করেই হোক দুয়োরানীর সবকিছু তাঁকে ফিরিয়ে দিবে। কিন্তু বানর কিভাবে দূর করবে রানীর সব দুঃখ? পারবে কি সব ফিরিয়ে দিতে? কি করেই বা শাস্তি পাওয়ায় হিংসুটে সুয়োরানীকে? হ্যাঁ, রানী সবই ফিরে পায়। স্বামী-সন্তান, রাজবাড়ির আরাম-আয়েশ। কিন্তু কিভাবে তা জানতে হলে পড়তে হবে “ক্ষীরের পুতুল”। আর যিনি এ-গল্প লিখেছেন তিনি হলেন এক-অবাক করা জাদুকর। তাঁর হাতের ছবি কথা বলত, কথা হয়ে উঠত ছবির মতন। তিনি হলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ (বই রিভিও) ক্ষীরের পুতুল

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now