বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়ঙ্কর একটি সত্য ঘটনা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাইমন জাফরি (০ পয়েন্ট)

X বন্ধুরা আমি এখন যে ঘটনাটা শেয়ার করছি সেটা আমার এক চাচাতো বোনের কাছ থেকে শুনেছি। এটা একটি মহিলা হোস্টেলের ঘটনা। আমি হোস্টেলটির নাম উল্লেখ করছিনা। সেই হোস্টেলটি ছিল পাঁচ তলা। হোস্টেলের পাঁচ তলাতে প্রায় সব রোমেই মেয়েরা থাকতো। কিন্তু সেখানে চতুর্থ তলায় এমন একটা রুম ছিল যেটাতে কেউই থাকতো না। এমনকি রাতের বেলায় কোন প্রকার আলোও জ্বলত না সে রোমে। সে রোমটি ছিল বাইরে থেকে পুরোপুরি তালাবদ্ধ। রোমের চাবি থাকতো কেয়ারটেকার এর কাছে। হোস্টেলের সবারই সেই রোমে প্রবেশ ছিল একেবারেই নিষিদ্ধ। তাই ভুল করেও সেই রোমে কেও প্রবেশ করত না। তখন ছিল ২০০৯ সাল। সে বছর হোস্টেলে কিছু নতুন মেয়ে উঠে। এবং যথারীতি সবার মত তাদেরকেও সেই রোম সম্পর্কে সাবধান করে দেয়া হয়। কিন্তু মেয়েগুলি ছিল একটু বেশি কৌতূহলী। যে কারনে নিষেধ করার কারনে তাদের মাথায় সেই রোমে যাওয়ার ভুত আরও বেশি করে চেপে বসে। তাই তারা মনস্থির করে যে করেই হোক, সেই রোমে তারা যাবেই। তো একদিন তারা অনেক চেষ্টা করে কেয়ারটেকার কে কিছু টাকা খাইয়ে যেকোনো ভাবে চাবি হাত করে। কিন্তু তারা তখনো বুঝতে পারেনি যে, তারা কত বড় ভুল করতে যাচ্ছে। দিনের বেলায় কেও দেখে ফেলার ভয়ে তারা ঠিক করল যে তারা রাতে সেই ঘরে ঢুকবে। হোস্টেলের সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ল তখন তারা সেই রোমটির কাছে গেল এবং একসময় তারা রোমের তালাটি খুলে ফেলল। কিন্তু তারা যখন দরজাটি খুলল, তখন সবাই একটু ভয় পেয়ে গেল। কেননা ঘরের ভিতরে প্রচণ্ড অন্ধকারের কারনে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না, এবং তাদের কাছে কোন প্রকার আলও ছিল না। তাই তারা আর ভিতরে ঢোকার সাহস পেলনা। কিন্তু তাদের মধ্যে একটা মেয়ে ছিল একরোখা টাইপের। সে জেদ ধরে বসলো যে, সে ভেতরে ঢুকবেই। তাই সে তার সহপাঠীদের শত নিষেধ উপেক্ষা করে একাই সেই ঘরে ঢুকে পড়ল। তার তিন সহপাঠী তার জন্য বাইরে অপেক্ষা করতে লাগল। কিছুক্ষন পর মেয়েটি বাইরে বেরিয়ে এল। তার চুলগুলো ছিল এলোমেলো, এবং সে এক দৃষ্টিতে তার সহপাঠীদের দিকে তাকিয়ে রইল। তার সহপাঠীরা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গেল। এরপর সে সবাইকে অবাক করে দিয়ে হা হা করে হেসে উঠে এবং বলে......“কি রে, কেমন ভয় পাইয়ে দিলাম তোদের”।।। এরপর তারা তাদের রোমে চলে যায়। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়...এর পর থেকে তারা মেয়েটির মধ্যে বেশ পরিবর্তন লক্ষ করতে থাকে। মেয়েটি ঠিক মত ক্লাস করেনা, রোমের মধ্যে একা একা বসে থাকে, কারো সাথে তেমন ভালভাবে কথা বলে না। তো হঠাৎ একদিন তাদের এক সহপাঠীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং দেখতে পায় সেই মেয়েটি ঘরের দরজা খুলে বের হয়ে যাচ্ছে। সে তার অন্য সব সহপাঠীদের ডেকে তুলে। তারা সেই মেয়েটির পেছনে পেছনে গিয়ে দেখতে পায় মেয়েটি ঐ বন্ধ ঘরের ভেতর ঢুকছে। তারা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যায় এবং হোস্টেলের সবাইকে ঘটনাটি জানায়। এরপর সবাই ঘরের ভেতর গিয়ে মেয়েটিকে খোঁজা শুরু করে এবং অবশেষে মেয়েটিকে পাওয়া যায় সেই রোমের বাথরোমে গলাকাঁটা রক্তাত্ব অবস্থায়। জানা যায় সেই রোমে প্রায় ৭/৮ বছর আগে একটা মেয়ে কোন একটা কারনে নিজের গলাকেটে আত্মহত্যা করেছিল। এরপর থেকে সেই রোমে যারাই থাকতো, তারা সবাই কোন না কোন সমস্যা ফেস করত। আর এ কারনেই সেই রোম গত ৭/৮ বছর ধরে বন্ধ অবস্থায় ছিল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভয়ঙ্কর একটি সত্য ঘটনা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now