বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়ানক অভিজ্ঞতা-১০

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Monzur Morshed (০ পয়েন্ট)

X তাই বিষয়টাকে আর মাথায় না রেখে মোবাইলটা একপাশে রেখে আবার জানলার পাশে বসতে যাবে ঠিক তখনি মায়ের ডাক শুরু হলো:- -ইশারা ও ইশুমণি -জ্বী মা -নাস্তা করতে আয়.... -আসছি। উফফ এখন যদি নাস্তা করতে না যায়, তাহলে শুরু হবে নানাধরণের তালবাহানা... ইশারার ছোটভাই আইমন দরজায় এসেই বলল- -আপু আসতে পারি? -এত ভদ্র হলি কবে থেকে? -এতে ভদ্র হওয়ার কি আছে? আর আজ নাস্তা করবেনা।নাকি বৃষ্টি আপু তার মেঘরাজকে নিয়ে এসে খাইয়ে গেছে? -বাজে কথা ছাড়।বৃষ্টি তোর কোন ক্ষতি করেছিল বল। তাছাড়া বৃষ্টি নিয়ে এত খোঁটা দিবিনাত।আমি এমনিতেই খেতে যাচ্ছিলাম।চল। দু'ভাই-বোন হাত ধরাধরি করে নাস্তার টেবিলে গিয়ে বসল। -কিরে আজ তুই কলেজে যাবিনা (ইশারার বাবা শাহেদ বলল) -না বাবা কিভাবে যাব বল,বাইরে যা বৃষ্টি হচ্ছে, যাওয়ার উপায় নেই (খেতে খেতে বলল ইশারা) -কেন রে বৃষ্টিতো তোর বন্ধু।এতদিন পর পর আসে একটু দেখা করবিনা? (আইমন) -আইমন ও তোর বড়। আর কখনো যেন এভাবে বেয়াদবি করতে না দেখি (বাবা) -সরি আব্বু -খাওয়ার সময় যে তোমরা কিভাবে এত কথা বল আমি বুঝিনা।অন্তত খাওয়ার সময় টেপ-রেকর্ডার গুলো একটু বন্ধ রেখ। (ইশারার আম্মু শাহানা) -শোন শাহানা, ছেলে-মেয়েদের শাসন করার আর ভালোবাসার জন্য কখনো সময় খুঁজতে যেওনা। পরিশেষে,দেখা যাবে, না পারবে তাদের সৎ পথে রাখতে না পারবে মন জয় করতে (বাবা) -অতসব বাপু আমি বুঝিনা,তোমরাই ভালো বোঝ (মা) ***** খাওয়া শেষ করে মুখ মুছে উঠে রুমে চলে গেল ইশারা। মোবাইলটা হাতে নিয়ে গেইম খেলতে লাগল। কিন্তু,রিদিতার ফোন দেখেই অবাক হয়ে গেল। রিদিতার সাথে কিছুদিন আগে ওর ঝগড়া লেগেছিল। তাই ইশারা ভাবছে ফোনটা ধরবে কি ধরবেনা। বন্ধুতো। ঝগড়া হয়েছে বলে ফোন ধরবনা? ধ্যাত। গ্রিন স্ক্রিনে টাছ করেই কানে মোবাইল লাগাল ইশারা। -হ্যালো... -হ্যালো (অস্ফুটে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে) আমি রিদিতার কাজিন। -আপনি কেন?রিদিতা কোথায়? -রিদিতা আর আমি আজ ওদের বাড়ির দক্ষিণপাশের জঙ্গলটাতে ঢুকে হাটছিলাম -তারপর? -তারপর হঠাৎ আমার মনে হলো পেছন থেকে কেউ আমার গায়ে হাত দিয়েছে। ফিরতেই দেখি কেউ নেই। তারপর সামনে ফিরতেই বড় রকমের ঝটকা খাই, কারণ রিদিতা কিছু গুন্ডা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমিতো ভয় পেয়ে যায়। তারপর ও আমাকে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ওদের নিয়ে আমার হাত-মুখ বেধে ফেলে। তারপর আমার আর কিছু মনে নেই। -কিন্তু কেন? হঠাৎ ওপাশে কারো 'না না' বলার শব্দ শুনতে পেলাম। কেটে গেছে ফোন। ইশারা পুরোই অবাক হয়ে গেছে রিদিতা কেন এমন করছে। তাছাড়া তার কাজিনের সাথেই বা এমন করছে কেন।কোন কিছুরই সঠিক উত্তর খুঁজে পাইনা সে। এখন কিছু ভাবার সময় নেই, যে করেই হোক বাসা থেকে আমাকে বেরুতেই হবে, কিন্তু কি করে? অনেকক্ষণ ভাবার পর ইশারার মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। সঙ্গে সঙ্গে ফোন করল আবিরকে। -হ্যালো -হ্যালো ইশারা। মাই গড, তোর দেখা মিলল তাহলে? তা এই অভাগাকে স্মরণ হলো কি করে শুনি? -শোন না আমার একটা হেল্প করে দে'না -আ'ম রেডি, বলতে থাক। -তোকে আমার কলেজের ক্লাস টিচার সেজে বাবাকে ফোন করে বলতে হবে আমাকে কলেজে পাঠাতে। (তারপর খুব নিখুঁতভাবে একটা একটা করে বুঝিয়ে দিল) কি পারবিতো? -তুই বলেছিস বলে কথা। পারবনা আবার? তোর বাবার নাম্বার লাস্ট এ ৭২?? -হুমমম.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভয়ানক অভিজ্ঞতা-১০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now