বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তো সরাসরি আমার মামাতো ভাইয়ের সাথে ঘটে যাওয়া একটা ভৌতিক ও ভাগ্যর একটি নির্মম ঘটনা এখানে বলতেছি.....
আমার মামাতো ভাইয়ের নাম ছিল সিয়াম.. বয়সে আমার থেকে অনেকটা সিনিয়র হওয়ার পরও দুজনে সবসময় একসাথে খেলতাম, ঘুরতাম,এছাড়াও সব সময় একসাথেই থাকতাম....
আমরা দুজনেই খুব দুরন্ত স্বভাবের ছিলাম কারো গাছে ভালো কিছু দেখলে সেটা যেভাবেই হোক সেটা খেতেই হবে এটা ছিল আমাদের নিত্য দৈন্দিন ব্যাপার।
আজ থেকে ২ বছর আগের ঘটনা আমারা একদিন সিদ্ধান্ত নেই যে একটা গাছের লিচু ফল পেরে খাব।যেই ভাবা সেই কাজ ঠিক দুপুরে যেসময় লোকজন সাধারণত বাড়িতে থাকে সেইসময় দুজনে আমাদের গন্তব্যে স্থলে পৌছলাম।
আসলে গাছটি ছিল একটা কবর স্থানের মাঝে ।সেখানে আরো কয়েকটি আম গাছও ছিল। আমি আমার ভাইকে গাছে উঠতে বললাম কথামতো ও গাছের উচু ডালে উঠল।
কিন্তু আমাকে চমকপ্রদ করে কোনো আতা ছাড়াই আবার নিচে নেমে আসল।আমি বললাম কি রে নামলি কেন? ও বলল লিচু খেয়ে লাভ নাই আম খাব। আমি তো আশ্চর্য কি বলে ছেলে তুই এই দিনে আম পাবি কোথায় এখন তো আমের টাইম না।তাছাড়া গাছে তো আম নাই। তারপর ও হটাৎ আম গাছে চরল এবং একটা লাল বর্নের আম সহ নিচে নেমে আসল আমি তো সত্যিই বিস্মিত। ও আমটা খেল এবং আমাকেও কিছুটা দিল।তো এখন বাড়ি ফেরার পালা।বাড়িতে ফিরতে হলে আমাদের একটা ছোট নদী সাতরিয়ে পার হতে হবে দুজনেই সাঁতার শুরু করলাম আমি পাড়ে পৌছালাম। কিন্তু সে হটাৎ যেন পানিতে ডুবে যেতে লাগলো কিন্তু সে খুব ভালো সাঁতার জানে।আমি পাড়ে থাকা একটা বাশ দিয়ে তাকে উপরে উঠিয়ে আনলাম। তাকে জিজ্ঞেস করলাম সে কেন এমনটা করল? শুনে তো আমি ভয়ে আতকে উঠলাম পানিতে নাকি একটা মহিলা তার চুল দিয়ে আমার ভাইয়ের পা জরিয়ে নিয়েছিল।তার জন্যই ডুবে যাচ্ছিল বাসায় ফিরে একথা আর কাউকে বললাম না।পরদিন বিকেল বেলা দুজনে বসে আছি হটাৎ একটা কুকুর এসে তার পায়ে কামর বসিয়ে দিল....কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে কুকুরের কামরে দুইটা দাঁত বসার কথা কিন্তু কি টাইপ এর ক্ষত তা বলে বুঝানো সম্ভব না।
আর কি করা হসপিটালে গিয়ে ইন্জাকশন দেওয়া হলো তার পর তো আস্তে ও ভালো হয়ে গেল। তারপর একদিন নদীতে মাছ ধরতে গেলাম সেই কবর স্থানের কাছে সেখানে সে একটা মুরগি পেল ওইটা নিয়ে এসে বাড়িতে রান্না করে খাওয়ার পরই তার হাত দুই টি অবশ হয়ে গেল।
এবং কিছুক্ষন পর গায়ে জ্বর চলে আসল ডাক্তার এসে কনফার্ম করল তার শরীরে জলাতঙ্কের উপস্থিতি। কিন্তু এটা একে বারেই অসম্ভব কারন কুকুরের কামরের পর জলাতঙ্ক হলে ৩ মাসের মধ্যে হওয়ার কথা কিন্তু তখন ছিল প্রায় ৪ মাস।
অনেক ডাক্তারী চিকিৎসার পরও তাকে ফেরত পাঠানো হলো তখন জলাতঙ্ক পাগলের পর্য়ায়ে চলে গেছে।মৃত্যু ছাড়া আর কোনো উপায় নাই কেননা কোনো প্রকার খাদ্য ও খেতে পারত না পানি তো সহ্যই করতে পারত না। সবসময়ই শিকল দিয়ে বেধে রাখা লাগতো।
আমার এক চাচা নিজেই একজন কবিরাজ। তাই আমার চাচা এসে তৎক্ষনাৎ বুঝতে পারলো যে তার শরীরে কোনো অশরীরির প্রকোপ আছে।
আমার চাচা নিজেও অনেক চেষ্টা করার পরও অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। আমার চাচা যদি আগে থেকে বাড়িতে থাকতো তাহলে হয়তোবা বাচানো সম্ভব হতো কিন্তু তিনি কাজে গিয়েছিলেন।
দীর্ঘ ৭ দিন নিদারুণ কষ্টের পর অবশেষে সে মৃত্যু বরন করে। সে মৃত্যুর আগের দিনগুলোতে এতোটাই ভালো হয়ে গিয়েছিল যে বলে বুঝানো সম্ভব না। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহী রাজিউন
আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন যেন সে জান্নাত বাসি হয়।এটা একদম সত্য একটি ঘটনা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now