বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়ানক একটি পিশাচ

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shajib Raj (০ পয়েন্ট)

X ঘটনাটা বরিশালের ,বাউফল থানারমুলাদি গ্রামের!ঘটনাটা ৪০বছর আগের!আমার এক নিকট আত্বীয়ের ঘটনা ওতারকাছথেকে শোনা! তার ভাষায়!আমার বয়স তখন ২২বছর !আমার বাবার খুবইডায়রিয়া হয়েছিল!গ্রামেরএককবিরাজকে দেখিয়েছি এবং সে বলে না’যত তারাতারি সম্ভভশহরে নিয়ে ভালডাক্তার দেখাতে!কারন তখনকারদিনে গ্রামের দিকে কোন ডাক্তারছিল না! আর শহর ২৫কিঃ মিঃ দূরে! শহরে যেতে হবে নৌকায়করে!যোগাযোগে একমাএ উপায় ছিলনদীপথ! ভালরাস্তা তখন ছিল না! বাবাকে নিয়ে যখনরওনা করি তখন বেলা ১২ বাজে! প্রথমে আকাবাকা ছোট খালপেরিয়ে বড়নদী ও তার ঐ পাড়ে শহর!শহরে পৌছাতে আরো ঘন্টা আডাঁইলেগেছে! বিকাল ৫টার দিকে বাবা মারা যায়! বাবারলাশটা নিয়ে আমি আবারবাড়িরদিকে রওনা দেই!বড় নদীটা যখনপারকরে খালের দিকে নৌকাঢূকাই তখনদেখতে পাই নৌকা আর চলছে না’কাঁদায়আটকে গিয়েছে! তখন ভাটা চলছে! জোয়ার আসবে রাত১২টারদিকে!তখন সময়টা আনুমানিকসন্ধা সাডে ৬টা হবে! শীতেরকাল থাকায় ঐসময়ে অন্ধকার হয়ে গিয়েছিলচারপাশ! আকাশের জোত্নার আলো ছিল খুব!জনমানবশূন্ন একটি স্থানে এসে নৌকাটা আর চলছে না! খালটার বামপাশে একটুদূরে একটি পরিতেক্ত শ্বশান আরডানপাশে গভীর জঙ্গল!জঙ্গলেরবটগাছগুলে দানবের মত দাড়িয়ে আছে! বটগাছের ডালে কিছু বাদুরঝুলে আছে!এতটাইনির্জনজায়গায় যে কোন শব্দ হলেই বুকেরভিতরে কেমন যেন করে ওঠে!ভয়েবাবার লাশটা স্পর্শ করে বাবারপাশে বসে থাকি!শুধু অপেহ্মা ছাড়া আর কোনউপায় নেই! একটা চাদরদিয়ে বাবারলাসটা ঢেকেদিয়েছি!রাত যতবাডতে থাকে ভয়ততটাইতীর্বরোহতে থাকে! মনে হয় জঙ্গল থেকে কিছুএকটা বেডিয়এসে আমাকে ধরবে ! হটাত্নৌকাটা কেমনযেন একটু দুলে উঠলে মনে হল আমারমৃতবাবা নাডে উঠছে! বাবার ঠান্ডা শরিরথেকে হাতটা সরিয়ে নেই! দোয়া যতটুকুপাড়ি সবইপড়তে চেষ্টা করছি কিন্তভয়ে কিছুইমনে নেই! ইচ্ছা করছিল চিত্কার করি বাচাঁওবাচাঁও বলে!কিন্তু আমি জানি আমারএইচিত্কার কারো কানে পৌছাবেনা! না পারছি এখানথেকে যেতে,না পারছি থাকতে! নিজেরমৃতবাবাকেও ভয় করছে! আনুমানিক রাত ১১টারদিকে একটা ছায়া দেখতে পেলামবট গাছেরঅড়াল থেকে বেডিয়ে আমাদের নৌকারকাছে আসলো ওআমাকে জিঙ্গাসা করলো’তুমি কিঐদিকে যাবা ?লোকটি একটা চাদরগায়ে জড়িয়ে আছে ও তারমুখটা চাদরে ডাকা ছিল! লোকটি ইশারায়যে দিকে দেখালো ঐ দিকেইআমরা যাচ্ছি! লোকটিকে বললাম জোয়ারআসলে যাব!লোকটি নৌকায় উঠলো ও বাবার কাছে বসলো কিন্তু বাবারসম্পর্কে কিছুইজিঙ্গাসা করলো না!একদৃষ্টিতে বাবারলাশটার দিকে চেয়ে ছিল! লোকটার মুখটা আমি তখনো দেখতেপাই নি!এই গহীনজঙ্গলে এতরাতে তারআগমনেরকারনটা পর্যন্তে জানতে ইচ্ছা করেআগমনে শস্তি পেয়েছি! রাত ১২টার দিকে জোয়ার আসলে আমি নৌকাটা চালাতেশুরুকরি!নৌকাযত সামনের দিকে যাচ্ছে ততইএকটা গন্ধ নাকে লাগছে!ধিরে ধিরে গন্ধেরতীবরোতা বাড়তে থাকে!কিছু কচুরিপনা ,কলাগাছ ও মরা একটাগরুরফুলে থাকা দেহএকসাথে জটলা করে এমনভাবে নৌকাসাথে আটকে আছে যে আমি অনেকচেষ্টা করে ও নৌকাটাকে কিছুতেই সামনেরদিকে নিতে পারছিনা! বাদধো হয়ে আমি নৌকা থেকে পানিতরশি ধরে টানতে থাকলাম !প্রায় ৫মিনিটটানার পর আমি নৌকার কাছে আসি ! তখনযা দেখলাম বুকের ভিতর কেমন যেনকরে উঠলো!দেখি লোকটাবাবারবুকেরকাছে বসে বারার বুকের ভিতরহাতঢুকিয়ে দিয়ে কলজাটা বেরকরে নিয় তখন আমি কোন উপায়না দেখে বৈঠাটা হাতেনিয়ে লোকটমাথায়আঘাতকরি একাধিক বার! লোকটা আমারদিকে যখন ঘুড়ে তখন ঠিক গলার মাঝখানে বৈঠাটা ঢুকিয়ে দেই !এতে লোকটা পানিতে পড়ে যায়! আমি পানিতে খুবজোরে জোরে বৈঠাদিয়ে আঘাতকরি ওচিত্কার করি সাহষ থাকলে সামনে আয়!চাঁদেরআলোতে লোকটার রক্তমাখা লোমশহাতটা দেখেছিলাম !বড়বড় নখ ওকোঠরে ঢোকানো চোখের নীলআভা মনে পড়লে বুকটা শুকিয়ে যায়!দাতগুলো লালচে খুব ছোট ছোট তীখ্ন আরধারালো! আমার চিত্কার শুনে টর্চলাইটনিয়ে কয়েকজনলোক ছুটে আসে তাদের সব কিছুখুলে বলি ! সব কিছু শুনে তারা বাবারলাশটা দেখে’তখনও বাবার বুকের ছোপ ছোপরক্তগুলো শুকায়নি! ঐ রাতটা ছিল আমার জীবনেরসবচেয়ে ভয়ংকর রাত!যেরাতের কথা আমি কখনো ভুলতে পারবো না! ঐটা ছিল একটা পিশাচ !


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভয়ানক একটি পিশাচ
→ ভয়ানক একটি পিশাচ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now