বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভুতূড়ে মেস

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাইমন জাফরি (০ পয়েন্ট)

X ভুতূড়ে মেস ♣♣♣♣♣♣♣♣ সৌমেন বড়ুয়া নামক জনৈক বড় ভাই থেকে শোনা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে ১ টা প্রাইভেট ভার্সিটি তে ভর্তি হন সমু দা।( আসল নাম অন্য,ছদ্ম নাম ব্যবহার করছি)। একটা মেস ভাড়া করেন থাকার জন্য, সাথে ছিলেন আরো ২বন্ধু। তুলনায় মেসটা বেশ সস্তাতেই পেয়ে যান তিনি। তাই খুশি মনেই থাকতে শুরু করেন। তবে সস্তার ৩ অবস্থা বলে একটা কথা আছে, সপ্তাহ না পেরোতেই সেটা টের পেলেন সমুদা। প্রথম প্রথম সমুদাই টের পেলেন।প্রায়ই মেসে অন্যদের তুলনায় আগে ফিরতেন সমুদা এসেই দেখতেন বই পত্তর সব ছড়ানো ছিটানো, আর নাকে পেতেন বিশ্রী এক বোটকা গন্ধ। তবে খুব একটা আমল দিতেন না। তবে ঘটনা গড়ালো আরো দূরে। সামনে এক্সাম থাকায় রাত জেগে পড়ছিলেন সমুদা। রাত বেশী হওয়াতে খানিক টা তন্দ্রাভাব এসেছিল, আর তখনই ঘরের দক্ষিণ কোণে একটা বামনাকৃতির মহিলাকে দেখতে পান তিনি, কোঁকড়া চুল আর প্রায় মুখখানা চুলেই ঢাকা। সচকিত হয়ে দেখলেন কিছুই নাই। ভাবলেন পরীক্ষার চাপ আর ঘুমের ঘোরে উল্টাপাল্টা কিছু দেখেছেন। কয়েকদিন পর রাতে ঘুমিয়ে আছেন তিনি। হঠাৎ ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। জানালা দিয়ে চাঁদের স্বল্প আলো ঢুকছিল। বাকি এক বন্ধুর নাক ডাকার আওয়াজ ছাড়া কোন শব্দ শোনা যাচ্ছে না। হঠীৎই পায়ের কাছে একটা ঠাণ্ডা স্পর্শ পেয়েই চমকে যান সমুদা। সেই শীতল স্পর্শ।ক্রমশ উপরে উঠতে লাগলো ভালো করে চেয়ে দেখলেন দুটো রক্তবিহীন ফ্যাকাসে সাদা হাত তার গা বেয়ে তরতর করে উঠছে। প্রচন্ড ভয়ে চিৎকার মারলেন সমুদা ঘুম ভেঙ্গে গেল বন্ধুদের বিরক্ত হলেন তারা, তার কথা বিশ্বাস না করে বরং উপহাস করতে লাগলেন। যাইহোক, আর কিছুদিন পর মাঝরাতে বাথরুমে যেতে উঠলেন সমুদা। বাথরুমের কাজ সেরে বেসিনে হাত মুখে পানি দিতে বেসিনে যান, কারণ চোখ দুটো ভীষণ জ্বলছিল। হঠাৎই সেই বোটকা গন্ধটা পেলেন। তাড়াতাড়ি করে হাত ধুতে গিয়ে আয়নার এক দিকে লেগে আঙ্গুল গেল কেটে। শুরু হলো ভীষণ রক্তপাত। কিছুতেই রক্ত তো বন্ধ হয় না! বেসিনের পানি ও বন্ধ করা যাচ্ছে না, রক্ত গড়িয়ে বেসিনের পানি ও লাল হয়ে যাচ্ছে। দৌঁড়ে গেলেন দরজা খুলে বাইরে যেতে, দরজা ও খুলা যাচ্ছেনা। এইবার দেখলেন সেই মহিলা বামন টি বসে আছে এক কোণে, তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে লোলুপ চোখে চেয়ে আছে ক্ষতটির দিকে আর সহ্য হলোনা, বিকট চিৎকারে সমুদা জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফিরলেই দেখেন তিনি তখনো বাথরুমে পড়া। বাইরে কাক ডাকছে, মানে ভোর হয়ো গেছে। একটু পরেই সব মনে পড়ল। কিন্তু হাতে কোন ক্ষত চিহ্ন তো দূর, সামান্য কাটা দাগ ও পেলেন না।আর বাথরুমের মেঝে ও শুকনো। আর তার।চিৎকার ও কেউ শুনলনা। দরজাখুলে বাইরে এসে দেখেন।দুজনেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।তবে খুবই অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি। চলে এলেন চট্টগ্রামে।সপ্তাখানে­ক পর বন্ধু ফোনে জানলেন যে তারা ও ভয় পেতে শুরু করেছে।পরে তারা মেসটি ছেড়ে দেন। এটই ছিলো কাহিনী। ##চয়ন দাশ মুন্না


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভুতূড়ে মেস

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now