বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
____তার স্বামি এখন কি করবে কিছু বুঝতে পারতেছেন। হাঁঠটে হাঁঠটে তার স্বামী এক বাশ ঝারের মধ্যে দিয়ে হাঁঠটে যাবেন তেমন সময় মনে হলো শুদু বাশ গুলু লরছে। পাশের অন্য গাছ গুলো লড়ছে না। রহিমা আক্তার এর স্বামী একটু এগোতেই কত গুলো বাঁস তাকে একটা জেল খানার মন বাঁশ গুলো তাকে চিপটে দরে দরে উপরের দিকে নিয়ে যায়।
অপর দিকে রহিমা আক্তার দেখলেন। কিছু যেন তার দিকে আসছে। রহিমা দেখলেন তাদের ঐ ষাড়। রহিমা ষাড় নিজের অজান্তে হাঁটতে শুরু করেন। কিছুদূর পথ যাওয়ার পর তিনি মনে করেন ষাড়ের চোখ গুলো দেকতে কেমন যেন অন্য রকম। তিনি ভয় পেয়ে চিৎকার দিলেন। কখনি ষাড় থেকে কালো কিছুর মত দানবীয় চেহারা তার সামনে বেসে উঠে। তিনি ঐ খান থেকে পালাতে চান কিন্তু তিনি পালাতে পারলেন।
ঐ দিকে তার পরিবার তাদের খুজতে শুরু করলেন। সকাল বেলা গ্রামের কিছু মানুষ, রুনা আক্তার ও তার স্বামীর লাশ গ্রামের নদীর পাশে পাওয়া গেছে। রুনা আক্তার এর স্বামীর শরীরে শুধু দাক। মনে হচ্ছে যেন তাকে মেরেছে। শরীরে এক ফুটা রক্ত নেই। কেউ যেন তার রক্ত খেয়ে নিয়েছে। রুনা আক্তারের একটা চোখ নেই। শরীরে রক্ত নেই। শরীরে হিংস্র পশুর আচর।
________(সমাপ্ত)__________
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now