বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একদিন এক মুদি ব্যবসায়ীর কাছে একজন লোক খাসীর চামড়া বেচতে আসে।মুদি ব্যবসায়ী দেখলো চামড়াটা খুবই স্মুদ।চামড়াটা সে রেখে লোকটিকে দাম দিয়ে দেয়য়।সেদিন সন্ধায় খুব ঝর হয় ফলে বিদ্যুতের খুটি ভেঙে যায়।রাতে দোকান বন্ধ করে ফিরছিলেন মুদি ব্যবসায়ী।বাড়ির আগে একটি পুকুর আছে
সে দেখতে পায় পুকুরপাড়ে কি যেন দেখা যাচ্ছে।টর্চ দিয়ে দেখে কিছু মাছ পাড়ে ওঠে এসেছে।তার হাতে একটি ব্যগ ছিল।ব্যগে মাছগুলো ভরে নিলো।বাড়ি এসে স্ত্রীর কাছে ব্যগটা দিয়ে ফ্রেশ হতে যায় সে।হঠাৎ তার স্ত্রীর বিকট চিৎকার।বাড়ির সবাই দৌড়ে গিয়ে দেখে অজ্ঞান হয়ে আছে কিন্তু ব্যগে কোনো মাছ নেই।জ্ঞান ফেরার পর সে বলে ব্যগে মাছ ছিল না ছিল কয়েকটা বাচ্চার কাটা হাত।এরপর থেকে তাদের বাড়ির চালে গভীর রাতে কে যেন দৌড়াত।ঘর থেকে সবাই বের হয়ে দেখত কয়েকটা বাচ্চা এক মাথা থেকে অন্য মাথায় গিয়ে লাফ দিয়ে জঙ্গলের দিকে চলে যাচ্ছে।মুদি ব্যবসায়ী একদিন রাতে দেখল বাড়ির ওঠোনে অদ্ভুত চেহারার কয়েকটা বাচ্চা খেলা করছে।তাদের মাথার আকৃতি কারো চেপ্টা কারো আবার লম্বা কারো খুবই ছোটো।এইটা দেখে সে খুবই ভয় পায়।তবুও সে ধমক দেয় বাচ্চাদের।তখন বাচ্চারা বাড়ির বেড়া টপকে জঙ্গলের দিকে চলে যায়।বাড়ির সবাই বুজতে পারছে এসব ভুতুরে ঘটনা।একদিন এক হুজুর আসে তার দোকানে এবং তাবিজ লেখার জন্য চামড়া আছে কিনা জিজ্ঞেস করে।সে তখন হুজুরকে সেই চামড়াটা দেয় যেটা কয়েকদিন আগে একটি লোক বিক্রি করেছিল তার কাছে।পরের দিন হুজুর দোকানে এসে বলে এই চামড়াটা সাভাবিক কোনো চামড়া নয়।হুজুরও নাকি কয়েকটা বাচ্চাকে দেখেছে এবং বাচ্চাগুলা নাকি ওনার ঘাড়ে কামড়ে দিয়েছিলো।মুদি ব্যবসায়ী তখন সব ঘটনা বললে হুজুর বলে চামড়াটা জলে ভাসিয়ে দিতে।এরপর মুদি ব্যবসায়ী তাই করে এবং পরে আর কিছু ঘটেনি তার সাথে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now