বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূতের গল্প ০৩ শেষ

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান বাপ্পী (০ পয়েন্ট)

X আগের রাতে মুরগি রান্না করেছিল ফুপি আমরা এসে দেখি করাই উলটানো খাবলা মেরে খাওয়া ছিল। বিড়াল খাইছে ভাবছিলাম। আম্মু আমার রুমে ই ছিল আর আমার রুমে আম্মু সব সময় একটা মেয়ে দেখত। কোনায় বসে থাকত। আম্মু মনের ভুল ভেবে পাত্তা দে নি। জর অনেক বেরে গেছিল বলে।পুরা এক মাস পর আম্মু সুস্থ হল।বাচ্চা হারিয়ে আম্মু মানসিক ভাবে ভেংগে পরেছিল।তাই আব্বু ভাবল যে পরিবার কে নিয়ে ঘুরে আসা টা ভালো হবে। ঈদের পর আমরা সবাই কক্স বাজার যাই।বাড়ি তো আর খালি রাখা যাবে না। তাই ছোট মামাকে বাসায় রেখে যাই।আম্মু মামাকে বলেছিল একা না থাকতে।আমরা ৩ দিনের মধে এসে পরি।মামা যা দেখছে তা বলল সবাইকে আমি ছাড়া।মামা প্রথম রাতে একাই থাকতে যায়। রাত আনুমানিক ১০ টা হবে মামা TV দেখছিল। হঠাৎ মামা মহিলা কান্নার আওয়াজ শুনল।কান্না টা যে কোথা থেকে আসছিল মামা পুরা বাড়ি খুজেও কান্নার উৎস খুজে পেল না। কান্না টা খুব কস্টের ছিল। যেন কেও অনেক কস্টে কান্না করছে।খজতে বের্থ হয়ে ভাবল যে আশে-পাশে কোনো বাড়ি থেকে আসছে। মামা TV দেখতে গেল tv এর চেনেল গুল আপনা আপনি বদলাচ্ছে।রিমটও কাজ করছে না। না পেরে মেইন সুইচ অফ করে চাচ্চুর রুমে ঘুমাতে যায়।মামা ঘুমানো সময় ফিল করল যে মামা ডান পাশ কাত হলে। মামার পাশে কাত হয়। মানে মামার সাথে কে যেন শুয়ে আছে তা মামা ফিল করছিল। এ পাশ হয়ে আর দেখেনি আর ঘুমিয়ে গেল।ঘুম ভাংল কান্নার শব্দ শুনে। মামা চোখ খুলে দেখল যে মামার পায়ের কাছে কে যেন বসে আছে চুল বেশ বড়। ঝুকে আছে কান্না করছে। ছেলে না মেয়ে বুঝা যাচ্ছিল না। মামা এক লাফে দোড় দিয়ে ডয়িংরুম এ এসে পরে TV দেখে সারা রাত কাটায়।পরের দিন রাতে মামা বন্ধুের নিয়ে আসে তারাও ভয় পায়। সারা রাত বাচ্চা কান্না মহিলা কান্না। ওরাও ডয়িংরুম এই জেগে রাত কাটায়। আমরা ঘুরে আসার পর আম্মু কিছুটা সাভাবিক হয়।কিন্তু আমাদের আর্থিক অবস্তা খারাপ হতে থাকে ...business লস হতে থাকে।সেপটেম্বর মাসের কথা। রাত ৩ টায় আম্মুর ঘুম ভেংগে যায়।শুনে যে ডয়িংরুম এ কারা যেন ফিস ফিস করে কথা বলছে। আম্মু আব্বু কে ডাকল আব্বু বলল কি হয়েছে? ডয়িংরুম এ কারা কথা বলে! আব্বু বলল আব্বা আর জসিম মনে(চাচ্চু) হয়। ঘুমাও তো তুমি!আম্মু বলল এত রাতে ওরা কথা বলবে? মাথা ঠিক আছে তো! তারপর আব্বু ভাবল এবং ভালো মত শুনল।আব্বু বলল বাসায় কি কেও ঢুকল নাকি।সানজিদা তো ঘুমাচ্ছে। ওকে কিছু যদি করে। আম্মু: ওর রুম এ যাই চল।যেই ওরা মাটিতে পা রাখল ফিস ফিসানি বন্ধ। আম্মু আব্বু আমার রুমে এসেই ঘুমাল।তারপর থেকে আম্মু আব্বু ডয়িংরুম রুমে ঘুমায়।প্রতেকদিন রাতে ওরা বাচ্চা কান্নার শব্দ শুনে।দাদা কোনোদিন তাহাজ্জুদের নামাজ লাইট জালিয়ে পরতেন না। কিন্তু ওই বাসায় যাওয়ার কিছুদিন পর থেকেই লাইট জালিয়ে নামাজ পরতেন। যাই হক এক রাতে দাদার ঘুম ভাংল। ছপ ছপ শব্দে। চোখ খুলে দেখেযে সিলিং কোনো প্রানি উলটা হয় চার পায়ে হাটছে। দাদা আইতুল কুরসি পড়া শুরু করল। ওই প্রানিটা গোন্গানি শব্দ করে ঘোলাটে হয়ে গায়েব হয় গেল। পরের দিন সকাল এ দাদা সবাইকে ডাকাল।আর বলল নতুন বাড়ি দেখ আমার এই বাড়ি পছন্দ না। আম্মু ও সায় দিল। বাসা পেও গেল।শেষ ঘটনা আমার সাথে ঘটে।বাড়ি ছাড়ার ১ দিন আগের ঘটনা।রাতে হঠাৎ ঘুম ভেংগে যায় আমার।পানি পিপাসা লাগে প্রচুর। তো আমি ডয়িংরুম এ যাই। জগ এ পানি ছিল না।তাই আমি রান্না ঘরে যাই। কপাল টা খারাপ ই ছিল ওই দিন দাদা আর চাচ্চু নতুন বাড়ি তে ছিল।যেই কল খুলে পানি ভরলাম জগ এ পানির রং হলদে দেখা দিল। মুখের সামনে নিতেই কেমন পচা গন্ধ। কল ছেরে পানি টা স্পর্শ করতেই হাতের আন্গুল গুল নিল হয়ে গেল। পানি টা এতই ঠান্ডা ছিল আমি আমার আন্গুল নারানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলাম। পানিটা হলে ছিল আর অনেক খারাপ ছিল গন্ধ।হঠাৎ কে যেন সানজিদা বলে ডাকল।ডাক এর আওয়াজ খুব আলাদা ছিল। যেন কেও কাচের রুমের ভিতর থেকে ডাকছে। আমি কাওকে দেখি নাই। ওই ভয় পেয়েছিলাম।আমি কোনোরকমে রুম এ গিয়ে সুরা পরে ঘুমিয়ে গেলাম। সকাল এ উঠে রান্না ঘরে যাই। কল খুলে দেখি যে একদম নরমাল পানি। আম্মু ক্ জিগেস করলাম যে টান্কে prb হইসে নাকি আম্মু বলল না।মোট কথা সবাই ভয়াবহ অতি প্রাকৃতিক জিনিস অনুভুতি করছিল কেও কাওকে বলছিল না।কারন টা আমি ছিলাম।নতুন বাসায় এসে একে একে সবাই সবার ঘটনা বলল।আমি আমার কাজিন কে নিয়ে ওই বাড়ির সমন্ধে investigation করলাম বেশ।আশে-পাশে মানুষদের দারা অনেক কিছুই জানতে পারছি যেমন,এই বাড়ির করার আগে এক বৃদ্ধ বাবা আর মেয়ে থাকত। মেয়েটা খুব সুন্দর ছিল এক ছেলের সাথে সম্পক ছিল। মেয়ে টা অন্তসত্বা হয়ে যায়। ছেলেটা মেয়েটাকে বিয়ের ওয়াদা করে ভেগে যায় বিদেশে। ৩ মাসের বাচ্চা ছিল মেয়েটার। এইরকম হওয়াটা খুব লজ্জার বেপার আর তারা ছিল অনেক দরিদ্র। মেয়ে টা আর কোনো রাস্তা না পেয়ে গলায় ফাসি দেয়। করে। আমরুতগাছ ছিল ওই রুম এ যে রুমে মেয়ে টা suicide করে।চাচ্চুর রুমের বাহিরেও আমরুত গাছ ছিল। এর কিছু দিন পর মেয়েটার বাবাও মারা যায়। তারপর ওই জায়গা কিনে এক বিদেশি লোক। বাড়িটা প্রায় ৮০ বছর পুরণ। এক বিদেশি তার cancer এ আক্রান্ত wife এর জন্ন বানিয়েছিল শেষ ইচ্ছে হিসেবে।বাড়ি তৈরি ঠিক ই হয়ে যায়। কিন্ত বারি তে ধুকার আগেই সেই বিদেশি লোকের wife মারা যায়। তারপর বাড়িটি ১০ বছর খালি থাকে। তারপর ওই লোক বাড়ি টি বিক্রি করে দেন অনেক বার বিক্রি করে বতমান বাড়ির মালিকের কাছে আছে।আমাদের আসার পর এক দম্পতি বাসা ভাড়া নেয়। আমরা বলেছিলাম যে বাড়ি টা ভাল না যেহেতু উনারা বিদেশ থেকে এসেছে বিশ্বাস করেনি আমাদের কথায়।কিছু দিন পর বাড়ি ওরাও ছেড়ে দে।আমাদের বাড়িতে আসছিল উনারা তারা যা বলল তা হল।উনারা চাচ্চুর রুমের বাথরুম এর বাথটাব এ কেও মাথা নিচা করে বসে থাকতে দেখেছে। ওই মহিলা টা বাসায় যে দিন একা ছিল কিছু একটা গলা চেপে ধরে তাকে কোনোরকমে আল্লাহ উচ্চারণ করে রিহাই পায়। বাচ্চা কান্না করছে। মহিলা কান্না তারাও শুনেছে।পরের দিন উনারা বাড়ি ছেড়ে দেয়।বর্তমান ওই বাড়িতে বাড়িআলাই আছে। কেও বাড়ি ভাড়া নে নাই। তাদেরআর্থিক অবস্তা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে শুনলাম তারা নাকি কারের দরজার অন্ধকারে সবুজ উজ্জল চোখ দেখছে। কে যানে কি সত্ত।কিছু প্রশ্নের উত্তর পেলাম না ওই তালিমে যে বৃদ্ধ টা এসেছিল উনি কিভাবে জানল আম্মু pregnant? উনি বলেছিল যে আম্মুর বাচ্চা টা মারা যাবে আর আম্মু কখনো মা হতে পারবে না। উনার কথা সত্তি হয়েছে।আম্মু যখন আবার ডক্টর দেখায় ডক্টর বলে আম্মু আর মা হতে পারবে না।ওই বৃদ্ধ কে অনেক খুজছি পাই নি।আমার সাথে যা ঘঠেছে পরিবারে কাওকে বলেনি। আপনাদেরকেই জানালাম। কিছু ঘটনা রাজ থাকাই ভালো।অতি প্রকৃতিক অনুভুতি খুবই খারাপ অনুভুতি। এত গুলো মানুষ তো আর ভুল হতে পারে না। আমি ভয় পাই না।তাই এগুলো নিয়ে ভালই গবেষনা করি। ওই দুনিয়ারবাসিদেরসন্মানও করি। আমি মানি তাদের অস্তিত্ত। কোনো evidence নাই আমার কাছে কিন্তু যা হইছে আমাদের সাথে। যারা অনুভুতি করেছে তারা ঠিক ই বিশ্বাস করে।কিন্ত ওই ঘটনা আমার আম্মুর অনেক বড় জিনিস নিয়ে নিয়েছে। অনেকে বলে আমার উপর কিছু হত। কিন্তু তা আম্মুর পেটের বাচ্চার উপর দিয়ে গেছে। কস্ট লাগে অনেক ভাবলে।আল্লাহ কে স্বরণ করবেন আল্লাহ আছে আমাদের সাথে।ভালো লাগলে জানাবেন। ভালো না লাগলে জানাবেন না প্লিজ। অনেক কস্টে লিখিছি আমাদের এক বছরের সেই ভয়ানক দিন গুলো। (সমাপ্ত)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটা দারুন ভূতের গল্প(শেষ)
→ ভূতের গল্প ০৩ শেষ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now