বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটি আমার মায়ের কাছে শোনা।আমার মায়ের কাকা অথ্যাৎ আমার নানা হতেন তিনি খুব সাহসী ছিলেন শুনেছি তিনি অনেক বলশালীও ছিলেন।থাক সেসব কথা। গল্পটি বলি,একদিন রাতে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন তখন প্রায় ১২ টা বাজে।বাড়ির দিকে হেটে চলেছেন, বাড়িতে যাওয়ার রাস্তায় কয়েকটি তালগাছ ছিল।তিনি সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন হঠাৎ দুর থেকে দেখতে পেলেন তালগাছগুলো সব মাটিতে পড়ে আছে।কিন্তু যখন তিনি তালগাছের কাছে পৌছলেন তখন দেখলেন তালগাছ ঠিকই আছে,তখনও তিনি ভয় পাননি।বাড়ির দিকে পা বাড়ান বাড়িতে ঢোকার মুখে দুপাশে বাঁশঝার ছিল, সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় তার মনে হলো তাকে দুপাশের বাঁশগুলো এমনভাবে চেপে ধরেছে যে তিনি প্রায় মরার পথে।তিনি অনেক কষ্ট করছিলেন বেরোতে কিন্তু পারছিলেন না,হঠাৎ মনে হলো বাঁশগুলো স্বাভাবিকই আছে তখনও তিনি ভয় পেলেন না।বাড়িতে গেলেন ঘরে ডুকবেন তখন দেখতে পেলেন দরজার সামনে সাদা কাপড় পরে কে যেনো দাড়িয়ে আছে।তিনি একটুও ভয় পেলেন না বরং লোকটাকে মারতে গেলেন,কিন্তু দেখলেন ওখানে কেউ নেই তবুও তার ভয় হলোনা।ঘরে ঢুকলেন খাওয়া দাওয়া করলেন কিন্তু তার সাথে কি কি হয়েছে কাউকে বললেন না।সবাই ঘুমিয়েছে তার স্ত্রীও শুয়ে পরেছেন তিনি যখন শুতে যাবেন হঠাৎ দেখলেন ঘরের মধ্যে বড় একটা বিড়াল, তিনি বিড়ালটাকে একটা মোটা লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। সাথে সাথে বিড়ালটি অদৃশ্য হয়ে যায় কোথাও আর বিড়ালটিকে দেখতে পাননা।তখন তিনি খুব ভয় পেয়ে যান তার সাথে ঘটে যাওয়া কথাগুলো মনে পরে।তিনি জ্ঞান হারান পরের দিন তিনি সব ঘটনা খুলে বলেন। কয়েকদিন পর তার গায়ে ছোট ছোট ফোসকা পরে সারা শরীর ভরে যায়।কথা বন্ধ হয়ে তিনদিন পর তিনি মারা যান।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now