বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভুত ২ - পর্ব - ০১
লেখক - ফুর্তি
রবিনের চোখেই প্রথমে পড়লো পুরনো বাড়িটা।গ্রীনহিলসে বেড়াতে এসেছে তারা। সম্ভবত,বাড়িটা ৫০-৬০ বছরের পুরনো - অনুমান করলো সে। সাইকেলে চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে
গ্রাম্য অঞ্চল।
তার পাশেই সাইকেলে আছে মুসা। মুসার পেছনো আছে কিশোর। কিশোরের ধারণা,বাড়িটা কমপক্ষে ১০০-১২০ বছরের পুরনো হতে পারে। তবে এতো পুরনো বাড়ি এখানে কি করছে,সেটা জানা অত্যন্ত জরুরি মনে করলো সে। এখান থেকে শহুরে অঞ্চলে যেতে বেশ জোরে ১০ মিনিট লাগে। চারপাশের প্রকৃতি খুবই শান্ত,সুন্দর।
এক.
বাড়িটা কাছে যেতেই বোঝা গেলো বাড়িটা ১৮০০ সালের।বাড়ির একজন দারোয়ানের দেখা পেলো তারা।
"এই পুরনো বাড়িতে দারোয়ানের দরকার কী?" জিজ্ঞাসা করলো কিশোর।
"খাইছে,দারোয়ানের ভুত নাকি?" কেঁপে উঠলো মুসা।
হেসে উঠল দারোয়ান। "এখানে আমি ২০ বছর ধরে আছি। এই বাড়ি আমার পূর্বপুরুষদের। অবশ্য,সম্পর্কে তারা আমার দাদা-র দাদা হবেন। এই বাড়িতে কেউ আসেনা। বরং মাঝে মাঝে আমারই ভয় লাগে।এই বাড়ির পশ্চিমে রয়েছে একটা সুইমিংপুল। নতুন তৈরি করা হয়েছে। ওটার পাশে আরেকটা বাড়ি আছে। আমার। ওখানেই থাকি। "
"ও আচ্ছা,তা ভয় লাগার কারণ কি?" রহস্যের গন্ধ পেলো গোয়েন্দা প্রধান।
"বেশি গম্ভীর ঘটনা" শিউরে উঠল দারোয়ান "আমার নাম নিক। যখন এখানে এসেছিলাম,উদ্দেশ্য ছিলো কোনো ভালো চাকরি করবো। তা তো করছি,নিজের পূর্বপুরুষদের বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ করছি। সবই ঠিক ছিলো,হঠাৎ একদিন আমার স্ত্রী দেখলো বাড়ির সামনের দরজায় ২ দুটো লোক উকি দিচ্ছে। চুরি করতে এসেছিলো। তাদের দেখে ফেলাতে আমার স্ত্রী কে হত্যা করা হয়। তারপর অবশ্য বেশি কিছু ঘটেনি। মাঝে মাঝে আমার স্ত্রী লীনার চিৎকার শোনা যায়। একই চিৎকার,যা আমি শুনেছিলাম যখন তাকে হত্যা করা হয়েছিলো। "
সবকিছু মন দিয়ে শুনলো তিন গোয়েন্দা।
"প্রথমে এই চিৎকারের রহস্য সমাধান করা দরকার। আর,আপনি কি এই কাজে কোনো টাকা পান?" জিজ্ঞাসা করলো কিশোর।
"টাকা আর কি?এই বাড়ি আমারই হবে ভবিষ্যতে।" বলল নিক।
"বাড়ির লোভে এই কাজ করছেন?" বলল রবিন।
"তা অবশ্য নই। নিজের পূর্বপুরুষদের বাড়ি,দেখাশোনা তো করতেই হয়। তোমাদের পরিচয় পেলাম না এখনো" বলল নিক।
"আমি কিশোর,ও আমার বন্ধু মুসা আমান। আর ও রবিন মিলফোর্ড। আমরা শখের গোয়েন্দা। " বলে তিন গোয়েন্দার একটা কার্ড এগিয়ে দিলো কিশোর।
"উম,এই কেসে তোমরা আমাকে সাহায্য করতে পারবে । আসো । আমার ঘরে আসো" বললেন নিক।
( চলবে...)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now