বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
ভুলোমনের পন্ডিত
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Papia (০ পয়েন্ট)
X
রাজধানী শহর থেকে অনেক দূরের এক গ্রাম। গ্রামের নাম শিমুলতলী।সেই গ্রামে বাস করতেন পন্ডিত। গ্রামে সবাই তাঁকে ভালোবাসতো।কিন্তু পন্ডিতে অনেক বয়েস হওয়ার কারনে মনভুলো সভবের হয়ে পরেন । তার পরেও নানা বিষয় নিয়ে চিন্তা করতেন ।ভাবতেন পৃথিবীতে নানান বণের মানুষ জন্মাবার কী দরকার ছিল?পশু,পাখি এমন আলাদা আলাদা চেহারাকেন হল? এমন সব চিন্তায় পন্ডিত সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকত এমনকি খাবার খাএয়ার কথা ভুলে যান। এমন করেই পন্ডিতের দিন কাটে।তার মনে বড় দুঃখ ।শিমুলতলী গ্রামের লোক ছাড়া দেশের কেউ তার নাম জানে না তিনি শুনেছেন রাজধানী শহরে অনেক বড় বড় পন্ডিত আছেন। তিনিও ঠিক করেন শহরে যাবেন । তার বৌ আর মেয়েকে জানিয়ে রাজধানী যাবেন ঠিক করে। জাবার সময় কিছু খাবার আর মথায় টুপি, হতে লাঠি আর কাধে থলি নিয়ে রাজধানী পথে পন্ডিত রওনা হলেন।পন্ডিত রাজধানীর পথ চলতে চলতে একটা নদীর ধারে পৌঁছুলেন । নদীর পানি পরিষ্কার দেখে মনে হল তার পিপাসা পেয়েছে।টুপিটা খুলে একটা গাছের ঝোপের মাথার রেখে পানি খেতে নদীতে নামলো পন্ডিত। হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে নানান কথা ভাবছেন। অনেক ক্ষণ পর তার মনে হল তার তো রাজধানী য়াওযার কথা।তিনি নদী থেকে তারাতাড়ি উঠে আবার চলতে শুরু করলেন । হঠাৎ তার চোখে পরে ঝোপের মাথায় একটা টুপি। টুপি দেখে হাসতে শুরু করে পন্ডিতে তখন মনেই ছিলনা ।মনে মনে বললেন কেউ ভুল করে রেখে গেছে।পন্ডিত আবার পথ চলতে শুরু করলো।চলতে চলতে এক সময় রাত নেমে এল।সারাদিন পথ চলায় পন্ডিত খুব ক্লান্ত।তখন একটা গাছের তলায় বসে ভাবছিল ঘুমিয়ে যাওয়ার আগে রাজধানী পথের নিশানা ঠিক রাখা দরকার। হঠাৎ তার মাথায় বুদ্ধি এল। লাঠির মাথাটা ঠিক রাস্তার মাঝখানে রাজধানী দিক তাক করে রাখলেই ত হয়।ঘুম থেকে উঠে লাঠির মাথা বরাবর পথ ধরে গেলেই রাজধানী যাওয়া যাবে।যেমন চিন্তা তেমন কাজ। তখন পন্ডিত ঘুমিয়ে পরে । ভোরবলা এই পথে এক লোক যাওয়া সময় পথে মাঝখানে একটা লাঠির দেখে বড় কৌতুহল হল তার । লাঠির. নিয়ে পথিক চলে যাচ্ছিল। হঠাৎ দেখে গাছের তলায় একজন লোক ঘুমিয়ে আছে। পথিক ভাবলো লাঠিটা হয় ত ওই লোকটার।তাই লাঠিটা সেখানে রেখে চলেগেল। কিন্তু লাঠিটা রাখার সময় লাঠির মাথায় উল্টো দিক করে রাখল। সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠল পন্ডিত। তার মনে খুব আনন্দ। আর এক দিন পথ চলই রাজধানী শহর ।তখন পন্ডিত লাঠিটা ঠিক রাস্তার মাঝখানে থেকে হাতে নিয়ে নিশানা বরাবর হাটতে শুরু করল। কিছু দুর চলের পর দেখে একটা ঝোপের গাছের মাথায় টুপি ।পন্ডিত তখন হসতে শুরু করল। পন্ডিত বলল এই গ্রামের লোক গুলো বোকা তাই গাছের মাথায় টুপি পরিয়ে রেখেছে।হাসতে হাসতে নিজ পথ ধরে চলতে লাগলো।অনেক ক্ষণ চলার পর মাঠের শেষ প্রান্তে গ্রামের বাড়িঘর আর মানুষের আনাগনা দেখে যাচ্ছে। পন্ডিত খুব খুসি। রাজধানী তে যে সময় পৌছানোর কথা তার অনেক আগে তিনি পৌছে গেছেন। ঠিক তক্ষুণি এক জন লোক পন্ডিতকে সালাম জানিয়ে চলে গেল। তিনি মনে মনে খুসি হলেন। ভাবলেন এখান কার লোক খুব ভালো। তখন ধানর ক্ষেত আর বাগানের ধার দিয়ে হাটতে হাটতে পন্ডিত খুব অবাক হচ্ছেন রাজধানী র সাথে তার গ্রাম শিমুলতলী কি অদ্ভুত মিল। তিনি শুনেছেন রাজধানী তে দালান কোঠা আর বহু ধরনের জিনিস আছে। কিন্তু এখন তো দেখা যাচ্ছে সব কিছু ই শিমুলতলী গ্রামের মত। এমনকি এখানকার মানষ গুলোর চেহরাও একই রকম।আবার একটু হাটার পর সামনে একটু দূরে সুন্দর ফুটফুটে একটি মেয়ে তাকে দেখে কি যেন বলযছে। কিন্তু মেয়েটি তো দেখতে ঠিক তার নিজের কন্যারই মত। ততক্ষণে মেয়েটি তার সামনে এসে বলছে বাবা, তুমি এত তারাতাড়ি রাজধানী শহর থেকে ফিরলে কেমন করে? তোমার মাথায় টুপি কোথায়? পন্ডিত তখন ভসবছে তার মেয়ে এত দ্রুত রাজধানী এলো কেমন করে। সামনে তাকিয়ে দেখেন ঠিক তার নিজের বাড়ির মত একটা বাড়ি। তার বৌয়ের মত একজন মহিলা দোরগোড়ায় দাড়িয়ে আছেন।পন্ডিত মহা দু শ্চিন্তায় পড়লেন । অনেক ক্ষণ পর বুঝতে পারল সে ঘুরে তার বাড়ি ফিরে এসেছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now