বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
writer:- KM Saju Ahmed Rokib
রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে নাফিজাকে ফোন করি এবং আমাদের জন্য যে হোটেল টা ঠিক করেছিলাম সেটার ঠিকানা আমি তাকে জানিয়ে দিলাম। পরের দিন আমি সেই হোটেল এ গিয়ে নাফিজার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম,,, ও আসতে একটু দেরি হওয়াতে আমি ফোন করি।
আমি:- হেলো কোথায় তুমি?
নাফিজা:- রাস্তায় একটু জ্যাম,,, ৫ মিনিট সময়
অপেক্ষা কর আমি আসে গেছি।
আমি:- আচ্ছা আস তাহলে।।।
আমি নাফিজার অপেক্ষায় হোটেল এর সামনে দাড়িয়ে রইলাম। হঠাৎ দেখি নাফিজা রিক্সায় করে এসে গেছে আমি গিয়ে রিক্সাওয়ালা মামাকে ভাড়া দিয়ে দিলাম।।। নাফিজা অন্যন্যা দিনের চাইতে আজকে একটু বেশি সেজে এসেছে। আমি নাফিজার হাত ধরে হোটেল এ প্রবেশ করি। হোটেল এর রুমে প্রবেশ করে আমি নাফিজাকে জিগ্যেস করি,,,,
আমি:- বাসার কেউ কিছু টের পায় নাই তো,তুমি কোথায় যাচ্ছ?
নাফিজা:-মা জিগ্যেস করেছিল কোথায় যাচ্ছি আমি বললাম বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যাচ্ছি।
(তারপর আমি নাফিজাকে জড়িয়ে ধরি দেখলাম ও কাপতে লাগল। এবং বলল,,,)
নাফিজা:- আমার খুব ভয় করছে ফাহিম।
আমি:- ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই এখানে শুধু তুমি আর আমি।
এই বলে আমি নাফিজার অনৈতিক কাজগুলো শুরু। আমার কাজ শেষ হলে হোটেল থেকে আমি আর নাফিজা বের হয়ে যাই। নাফিজার মুখ খুবই বিষণ্ণ। আমি একটা রিক্সা ডেকে নাফিজাকে তুলে দিয়ে আমি অন্য রিক্সায় আমার বাসায় চলে যাই।
আমার খুবই ভাল লাগছিল কারণ এতদিন যেটা চেয়েছিলাম সেটা আমি পেয়ে গেছি।
রাতে নাফিজা আমাকে ফোন দিচ্ছিল ওর ফোন ধরতে আজ কেমন জানি ইচ্ছে করছিল না। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ওর ফোন ধরলাম।
আমি:- হেলো,কি হল এরকম বার বার ফোন করতেছ কেন??
নাফিজা:- ফাহিম আমার শরীরটা খুব খারাপ, জ্বর এসে গেছে।।।
আমি:-তো আমার কি করার??? জ্বর এসেছে ঔষধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়। একটু রেস্ট নাও তাহলে দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে।
নাফিজা:-তুমি এমনভাবে কথা বলতেছ কেন? আগে তুমি এমন করে কোনদিন বল নাই?
আমি:- আমার এখন এসব শুনতে ভাল লাগতেছে না, পরে ফোন কইর।
নাফিজা:- (কান্না স্বরে) কি হয়েছে ফাহিম? একদিনেই এতটা বদলে গেলা? আগে তো আমার অসুখ এর কথা শুনলে তুমি চিন্তায় পড়ে যেতা আমি ঠিকঠাক ভাবে ঔষধ খাইছি কিনা শরীরের যত্ন নিচ্ছি কিনা। আজ এমন করতেছ কেন?
(আমি মনে মনে ভাবলাম এখন ওর সাথে যদি এরকম খারাপ ব্যাবহার করি তাহলে হয়তো আর আমাকে সুযোগ নাও দিতে পারে)
আমি:- সরি সোনা আমি মনটা একটু খারাপ ছিল তাই তোমাকে কি বলতে কি বলে ফেলেছি। আচ্ছা রাতে খাওয়া করে জ্বরের ঔষধ খেয়ে নাও।
নাফিজা:- হুমমম,,, আমার খাওয়া দাওয়া হয়ে গেছে & ঔষধও খেয়ে নিয়েছি।
আমি:- আর হে!!! মনে করে তুমি পিল খেয়েছ তো??
নাফিজা:- হুমমম,,,খেয়েছি। আমার শরীর প্রচণ্ড ব্যাথা করতেছে।।।।
আমি:- (শান্তনার স্বরে) প্রথম প্রথম তো তাই এরকম হচ্ছে। বিশ্রাম নিলে সব ঠিক হয়ে যাবে।।।।
এভাবে আরো কয়েকদিন আমি নাফিজাকে হোটেল এ নিয়ে যাই। আর নাফিজা আমার প্রতি অন্ধবিশ্বাস থাকার কারণে আমি সে সুযোগ নিয়েই যাচ্ছি। একদিন আমি এইসব গোপনে ভিডিও করে নেই। আর সেটা আমার সকল ফ্রেন্ড এবং ইন্টারনেট এ আপলোড দেই।।।
নাফিজাকে মেসেঞ্জার ভিডিওটা এবং নাফিজা বলে সত্যিই তুমি আমাকে অনেক মজা দিয়েছ। আমি এটা ইন্টারনেট এ আপলোড দিয়েছি আমার বন্ধুরা দেখেও খুব মজা পেয়ে। ওরা বলেছে তোমার সাথে নাকি ওরা করতে চায় অনেক টাকা দিবে তোমাকে। নাফিজা দুচোখের পানি ফেলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল ছি ফাহিম আমার বিশ্বাস হচ্ছে না এটা তুমি।। কেন আমার জীবনটাকে নিয়ে এত বড় খেলা খেললে একটাবারও তোমার বিবেক এ বাঁধা দিল না??? তুমি এত বড় জঘন্য একটা মানুষ এটা আমি কোনদিন কল্পনাও করতে পারিনি। (চলবে),,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now