বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ যে ঘটনাটি আমি শেয়ার করবো, সেটি আমার কাজিনের সাথে ঘটে যাওয়া একটি বাস্তব ঘটনা। তার মতো করেই শেয়ার করছি..........
আমি তখন কিশোর বয়সী। আমাদের গ্রামে তখন (আজ থেকে ৮-১০বছর আগে) নিয়মিত জুয়ার আসর বা মেলা বসত। সেই মেলায় নানা ধরনের জুয়াখেলা চলতো। সন্ধ্যা থেকে সারারাত হতো। তখন পুলিশের এ বিষয়ে তৎপরতাও ছিলো খুব বেশী। একদা একটি রাতে, এমনি সেদিন জুয়ার আসর বসেছিল। তাস ছাড়াও নানা ধরনের জুয়া। আমার জুয়াখেলার নেশা বরাবরই। আমি আমার এক চাচার (পাশের বাড়ির) সাথে জুয়াখেলায় গেছি। তো হঠাৎ করেই সেদিন মধ্যরাতে পুলিশ এসে সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। কে যে কোথায় পালিয়ে গেছে, খেয়াল নেই। আমিও অনেক কষ্টে আমাদের বাড়ির নিচে এসে পৌঁছেছি। রাত তখন দেড়টার মতো হবে। কিন্তু বাড়ি আসতেই মনে পড়লো, চাচার কাছে তো আমার জুয়াখেলার অর্ধেক টাকা রেখে এসেছি। সেটা আনতেই হবে। জুয়াখোর তো... কোথায় আমার টাকা খরচ করে বসে কে জানে। তাই একটুও দেরী না করে তার বাড়িতে গেলাম। আসার সময়ও তার সাথে দেখা হয় নি। বাড়িতে না পেয়ে অন্যত্র খোঁজতে গেলাম। তিনি যে টিলা বেয়ে রাস্তা দিয়ে আসার সম্ভবনা খুব বেশী, আমি সেই রাস্তা দিয়েই তাঁকে খুঁজতে গেলাম। সেখানে একটা কবরস্থানও আছে। কবরস্থান থেকে কিছুদূর এগিয়েই তাঁকে ডাকতে লাগলাম। খুব জোড়ে নয়, আবার আস্তেও নয়। কোনো সাড়া না পেয়ে পিছনে ফিরে কবরস্থানের পাশে এসে বাঁশঝাড়ের দিকে চোঁখ পডতেই দাঁড়িয়ে গেলাম। চাচা দেখি বাঁশঝাড়ের পাশে চাদর মাথায় দিয়ে টাকা গুনছেন। আমি পাশে গিয়ে বসেই বলা শুরু করলাম।
- তোমাকে আমি সারা জায়গা খুঁজছি..। আর তুমি এখানে বসে থেকে কোনো সাড়া দিচ্ছ না ?
চাচা আমার কোনো উত্তর দিলেন না। লক্ষ্য করলাম, চাচার শরীর থেকে পচা দূর্গন্ধ বের হচ্ছে। অনেকক্ষণ বসে থেকে আমি চাচার চাদর সরিয়ে হাত দিকে তাকে ধধাক্কা দিয়ে বললাম......
- কোনো কথা বলছো না কেনো ?
কিন্তু.................
আমি ধধাক্কা দিতেই উনি আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে ব্যাঙ্গাত্নকভাবে এক ভয়ঙ্গক হাসি দিয়ে উঠলেন। উনার মুখটা একদম মানুষের মতো ছিলো না। মুখের মাংসগুলো মনে হচ্ছে যেনো ঝুলে পড়ে যাচ্ছে। রক্ত বের হচ্ছে শরীর থেকে। হাহা করে চিৎকার দিয়ে উনার প্রথম হাসিতেই আমি ভয় পেয়ে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিলাম। একবিন্দু দেরী করে সেখান থেকে প্রাণভয়ে দৌঁড়ে গিয়ে আমি উল্টোপথে একটা বাড়িতে গিয়ে উঠলাম। তাদের বারান্দায় গিয়ে প্রথম চিৎকার দিয়েই আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরে তাদের একজনের সাহায্য নিয়ে সে রাতে বাড়ি ফিরে আসলাম। পরের দিন.. চাচাকে গিয়ে ঐ ঘটনা বললে, তিনি অবাক হয়ে বলেন.. তিনি তো সে রাতে তখন অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়ি চলে এসেছিলেন। (সমাপ্ত)
***কালেক্টেড***
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now