বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
(গত পর্বের পর) সবাই মিত্তির চিৎকার শুনে দৌড়ে এলোওর মা তো পাশেই ছিল। ওকে জিজ্ঞাসা করা হলো- কি হয়েছে? মিত্তিঃ(আমতা আমতা করে) ঐ লোকটা! মিত্তির বাবাঃ কোন লোকটা মা? মিত্তি ঃ যে আমার ফুটবল নিয়েছিল।প্রেত সাধক ঃ একটু খুলে বলো সোনামণি। মিত্তি ঃ (নির্ভয়ে) গতকাল বিকালে বলটা কাঁটা বাগানে চলে গেলে আমি ঐ খানে যাই। দেখি, গাছের উপর একটা মহিলা, যার চুলগুলো মাটিতে পড়ে আছে।আমি চুলগুলো ধরি।ভূতটা বলে,' চুল ছাড়'।আমি বলি, আপনি যদি আমাকে মেরে ফেলেন! ভূতটা বলে, তোকে কিচ্ছু করবো না।তারপর আমি এমনিতেই অজ্ঞান হই।মিত্তির মাঃ তাহলে এইমাত্র চিৎকার করলে কেন? মিত্তি ঃ ঐ মহিলা স্বপ্নে এসে বলে, কাঁটা বাগানে গেলে ফুটবল ফেরত পাবি। প্রেত সাধক ঃ (মিত্তির অভিভাবককে লক্ষ্য করে)'আপনাদের মেয়েকে কাঁটা বাগানটা ১ বার ঘুরিয়ে আনবেন।।' তারপর মিত্তিকে কোমড়ে বাঁধার জন্য একটি তাবিজ দেওয়া হয়। ঘটনা এখানেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।কিন্তু তা হলো না! একদিন মিত্তি ভুলবশত তাবিজটা রেখে পুকুরে যায়।পুকুরে তার আম্মার সাথেই গোসল করতেছিল।'মিত্তি, তাড়াতাড়ি উঠো', এই বলে তার মা আড়ালে কাপড় পাল্টাতে গেল।হঠাৎ মিত্তি বলে উঠলো-"মা, মা! এটা কি?" ভাগ্যিস, তার মার কাপড় পড়া শেষ! (চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now