বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভৌতিক চিরুনি

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:::ভূতুরে MH2 অবন্তীর চাচা বান্দরবনে চাকরি করেন।এবার তিনি তাদের গ্রামের বাড়িতে মানে অবন্তীর বাড়িতে আসবেন।তিনি জানতে চান অবন্তীর কিছু লাগবে কিনা??? অবন্তী জানে বান্দরবনে অনেক অদ্ভূত জিনিস পাওয়া যায়।তাই তার চাচাকে বলল একটা হাতির দাঁতের চিরুনি আনতে।কথামতো চাচা তা এনে দিলেন।অবন্তী হাতির দাঁতের চিরুনি পেয়ে খুশি হলো,সে তা নিয়ে গিয়ে আয়নার সামনে বসে চুল আচড়াতে বসল।যখনই সে তার চুলে চিরুনি স্পর্ষ করালো,তৎক্ষণাৎ তার মাথা ব্যাথা করতে লাগল।মাথা কেমন যেন ভারী ভারী লাগতে লাগল।সে ব্যাপারটাকে প্রথম প্রথম পাত্তা দিল না।রাতে চুল আচড়িয়ে যখন সে শুয়ে পড়ল,সে স্বপ্নে দেখল একটা সাদা কাপড় পড়া মেয়ে তার দিকে অপলকভাবে রাগী দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে,আর বলছে "আমার অংশটা আমায় ফিরিয়ে দাও"। পরের দিন সকালে অবন্তী ঘুম হতে উঠল,স্বপ্নের ব্যাপারটাকে পাত্তা দিল না,ভাবল নিছক একটা স্বপ্ন দেখেছি।কিন্তু তখনই তার সাথে ঘটতে লাগল অদ্ভূত সব ঘটনা। তার মাথার চুল যথেষ্ঠ ঘন আর লম্বা ছিল।কিন্তু যখন থেকে চিরুনিটা এনেছে তখন থেকে তার চুল পরে যেতে লাগল।আর প্রতি রাতে ওইমেয়েটা বারবার বলত আমার অংশটা আমায় ফিরিয়ে দাও। একদিন রাতে অবন্তী স্বপ্নে দেখল ওই মেয়েটা রাগী দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে বলছে আমার অংশটা আমায় ফিরিয়ে দাও,না হলে তোমার ক্ষতি হবে। সে পরের দিন রাতে যখন আবার আয়নার সামনে বসে চুল আচড়াচ্ছে তখন সে দেখল তার পিছনে ওই মেয়েটি দাড়িয়ে আছে।তখন আর তার বুঝতে বাকি রইল না যে মেয়েটি তাকে কী ফিরিয়ে দিতে বলছে,সে বুঝল ওই মেয়েটি তাকে তার হাতের চিরুনিটা ফিরিয়ে দিতে বলছে। সে আর চিরুনিটা নিজের কাছে রাখতে সাহস পেল না।সে তার চাচার কাছে কুরিয়ারে করে ওই চিরুনি পাঠিয়ে দেয় আর চিঠি লিখে জানিয়ে দেয় যে ওই বাজারে যার কাছ থেকে চিরুনিটা কিনেছিল তাকে যেন তা ফিরিয়ে দেয়। চাচা তার কথা মতো বাজারে গেল চিরুনিটা ফিরিয়ে দিতে,কিন্তু সেখানে তিনি কোনো বাজার দেখতে পেলেন না।সেখানে দেখলেন একটা শ্মষাণ ঘাট রয়েছে। লোকদের জিজ্ঞেস করলে ওরা বলল,এখানে তো অতি পুরনো একটা শ্মষাণ আছে,বাজার আসবে কোথা থেকে। তিনি চিরুনিটা শ্মষাণে ফেলে চলে আসেন এরপর তিনি টানা ৭ দিন জ্বরে ভুগেছিলেন।কিন্তু আজও ওই বাজারের রহস্য রহস্যই থেকে গেছে। [সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভৌতিক চিরুনি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now