বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভৌতিক বয়ফ্রেন্ড

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X -এভাবে বাচ্চা মেয়েদের মত মন খারাপ করলে চলে ? আমি খানিকটা চমকালাম । সত্যি আমার মন খারাপ । সকাল বেলা আব্বু আমাকে আচ্ছা করে বকেছে । আর পরিস্কার বলে দিয়েছে নতুন কোন মোবাইল তিনি কিনে দেবেন না । তখন আমার খুব রাগ হয়েছিল বাবার উপর । কেবল তো মোবাইলই সে চেয়েছিলাম । এখনকার মোবাইল টা পুরানো হয়ে গেছে । বান্ধবীদের কাছে সব নতুন নতুন ফোন । আর আমারটা কত পুরানো । সকালবেলা আব্বুকেও আজে বাজে বলেছি । একটা মোবাইল কিনে দিতে পারে না ! -কি ব্যাপার নীলু কথা বলছো না কেন ? আরে এই লোকটা কে ? আর এ কেমন করে জানে যে আমার মন খারাপ ? আমি নম্বরটা আর একবার দেখলাম । আননোন নাম্বার । -কে আপনি ? লোকটার আমার কথা মনে হল কানে গেল না । লোকটা বলল -তুমি যে সকালবেলা করে তোমার বাবার সাথে এমন খারাপ ব্যবহার করলে এটা কি ঠিক হয়েছে ? তোমার বাবার মন কিন্তু খুব খারাপ হয়েছে । সত্যি সকালবেলা করে আব্বুর সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে । -সে সব সময়ই তো তোমার ইচ্ছা পুরন করতে ট্রাই করে । তুমি কি জানো তোমার জন্য মোবাইল কেনার জন্য তোমার রফিক আংকেলের কাছ থেকে টাকা ধার করার কথা ভাবছে । এটা কি ঠিক হল বল ? আর তুমি তার সাথে কি ব্যবহারটাই না করলে ! এইটুকু বলেই লোকটা লাইন কেটে গেল । আর আমার মাঝে এক অনুশোচনা বোধ দেখা দিল । ছিঃ কি করলাম আমি ? সামান্য একটা মোবাইলের জন্য আব্বুকে এমন ভাবে কষ্ট দিলাম ? চোখে হাত দিয়ে দেখি চোখ দিয়ে পানি পড়ছে । কাঁদতে কাঁদতেই আব্বুকে ফোন দিলাম । -হ্যালো আব্বু ! -কি রে ? কি হয়েছে ? -আই এম সরি আব্বু । আমাকে তুমি মাফ করে দেও । -আরে বোকা মেয়ে কাঁদছিস কেন ? তুই তো এমন কিছু করিস নি । -না আব্বু আমি খুব খারাপ কাজ করেছি । তোমার সাথে এমন ব্যবহার করা আমার একদম ঠিক হয়নি । আমাকে তুমি মাফ করে দেও । আগে কান্না থামা । আমি কিছু মনে করি নি । আর তুই আমার কাছে চাইবি না তো কার কাছে চাইবি বল ! কান্না সামলাতে কিছু সময় লাগলো । বললাম -আব্বু আমার কোন মোবাইল লাগবে না । আর তুমি খবরদার রফিক আংকেলের কাছ থেকে টাকা ধার করবে না । -কি বললি ? -হ্যা আমার মোবাইল লাগবে না । -আচ্ছা ঠিক আছে লাগবে না । কিন্তু আমি যে রফিকের কাছ থেকে টাকা ধার করবো তুই কিভাবে জানলি ? -জেনেছি । ও তোমার শুনতে হবে না । -আচ্ছা ঠিক আছে । করবো না । এখন রাখি । পরে কথা বলি ? ফোন রাখার পর আমার মনটা ভাল হয়ে গেল আপনা আপনি । ঠিক তখনই আবার ফোনটা বেজে উঠল । সেই অপরিচিত নম্বর । ফোন রিসিভ করলাম । -এই তো গুড গার্ল । এখন কত ভাল লাগছে না ? -হু । -আপনি কে বলুন তো সত্যি করে । এতো কিছু কিভাবে জানেন । -জানি । আমি তোমার সব কথা জানি । আর তুমি একটা খুব ভাল কাজ করেছ তোমার বাবা টাকা ধার করতে মানা করে । রফিক সাহেব লোকটা ঠিক সুবিধার না । আরে এই লোকটা এতো কিছু জানে কিভাবে ? আসলেই রফিক আংকেল কে আমি একদম পছন্দ করি না । আমাদের বাসায় কয়েক বার এসেছে । কেমন যেন একটা চোখের দৃষ্টি । আমার দিকে কেমন করে তাকায় । আমি ওনার সামনেই যাই না । আমি আবার বলি -কে আপনি ? আমার সম্পর্কে এতো কিছু জানেন কিভাবে ? -বললাম না আমি তোমার সব কিছু জানি । লোকটা হাসতে থাকে । কেন জানি লোকটার হাসি আমার কাছে খুব ভাল লাগে । এরপর থেকে আবীররের ফোন নিয়মিত আসতে থাকে । হ্যা । ও নিজের নাম আবীর বলে । আবীর আমার সম্মন্ধে সব কিছু জানে । আমি কথন কি করি না করি কি খাই না খাই সব কিছু । প্রথম প্রথম খুব অবাক লাগতো তারপর সব স্বাভাবিক হয়ে যায় । আমি মোটামুটি ওর কথা তেই চলতে থাকি । ওর সব কিছুই ঠিক আছে । কিন্তু দেখা করতে চাইলেই কেন জানি গরিমসি করে । আমি বলি -তুমি আমাকে প্রতিদিন দেখ আর তোমাকে দেখতে পারি না । তুমি যদি আমার সাথে দেখা না কর তাহলে কিন্তু তোমার সাথে আমি আর কথা বল বলবো না । তোমার ফোনও ধরবো না । শুনে আবির হাসে । বলে -যদি ফোন না ধরে থাকতে পারো তাহলে ধরো না ! তবে আমি যতদুর জানি তুমি পারবে না । কিছুতেই পারবে না । কথা সত্যি । ও ফোন করলে আমি না ধরে থাকতে পারবো না । এভাবেই চলতে থাকে । কিছুদিন পর । আমি আমার কলেজে যাবো । নবীন বরন অনুষ্ঠান হবে । সেজেগুজে বের হব তখন আবীরের ফোন । -তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে । -তুমি আমাকে কিভাবে দেখো বল তো ? -দুরবীন দিয়ে দেখি বুঝেছ ? -বুঝলাম । মনে মনে রাগ লাগে । আবীর বলল -শোন এখন কলেজে যেতে হবে না । -কেন ? কলেজে যাবো না কেন ? -আজ কলেজে মারামারি হবে । যেতে হবে না । -বলেছে তোমাকে ? কে বলেছে তোমাকে ? -শোন বেশি কথা বলবে না । গলায় অনেকটা কর্তৃতের সুর । -যা বলছি কর । এখন গেলে বিপদ হবে । -হলে হবে । আমি যাবো । আবীর খুব জোড়ে একটা ধমক লাগাল । বলল -তুমি যদি যাও তবে আমি কিন্তু আর কোন দিন তোমাকে ফোন করবো না । কি করবো । কলেজে যেতে পারলাম না । ঘন্টা খানেক পর মা ঘরে আসে । বলল -তোর বাবা ফোন করেছিল । তোদের কলেজে নাকি খুব গোলমাল হচ্ছে । তুই যাসনি শুনে স্বস্তি পেয়েছ । আমি আবার অবাক হই । মা ঘর থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে ফোন বেজে ওঠে । -কি বলেছিলাম ম্যাডাম । আমার কথা বিশ্বাস হলতো ! এভাবে আবীর আমাকে নিয়মিত ফোন করতে থাকে । আমি কখন কি করবো না করবো ওই আমাকে বলে দেয় । আমিও সব কিছু ওর উপর ছেড়ে দিই । মাঝে মাঝে ও আমার কথা ছলে আদর করে । মাঝে মাঝে ধমক দেয় । আমার খুব ভাল লাগে । সেদিন আবীর সারাদিন ফোন করে নি । কি যে অস্বস্থির লাগছিল । অবশ্য আগের দিন রাতেই ও বলেছিল কি এক কাজ আছে সারাদিন ব্যস্ত থাকবে । রাতে ফোন দিবে । তবুও আমি খুব অস্বস্থির হই । যতবার ফোন দিতে যাই বন্ধ আসে ওর ফোন । ভাল লাগে না । বিকেল বেলা আব্বু আম্মু দুজনেই ডাক্তারের কাছে যায় । পুরো বাসায় আমি একা । তখন ওর কথা আরো বেশি করে মনে পড়ে । কি এমন কাজে বিজি সে ? একটা বার ফোনও করা যায় না । খুব রাগ হয় । চোখ ফেটে কান্না আসতে চায় । কিন্তু কিছুতেই কিছু ভাল লাগে না । এমন সময় কলিংবেল বেজে ওঠে । এতো জলদি আব্বুরা চলে আসলো । কিন্তু দরজা খুলেই দেখি রফিক আংকেল । এই লোকটা কে দেখে আরো রাগ হয় । বললাম -আব্বু তো বাসায় নাই । -আমি ফোন দিছিলাম । একটু পরেই চলে আসবে । আমাকে ওয়েট করতে বলেছে । কি আর করা ঘরে ঢুকতে দিতে হয় । কিন্তু আমার মনের কাছে কেন জানি ভাল লাগছিল না । আমি আংকেল কে বসতে বলি । আংকেল বলেন -বাসায় আর কেউ নাই ? -জ্বি না আর তো কেউ নাই । কেমন জানি ওনার চোখ চকচক করে ওঠে । আমার একদম ভাল লাগে না । কি বিশ্রি চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । এমন সময় আমার ফোন বেজে ওঠে । আবীরের ফোন । আংকেল কে বললাম -আমার এক বন্ধু ফোন করেছে । আমি একটু কথা বলে আসি । বলেই আমি নিজের ঘরে চলে আসি । -এতোক্ষন লাগে ফোন ধরতে । ওর কণ্ঠে কেমন যেন একটা এক বেপরয়া ভাব । -কি হয়েছে ? এমন ভাবে কথা বলছো কেন ? -তুমি এখনই তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করো । এখনই কর । এই রফিক ব্যাটার মতলব খারাপ । জলদি করো । আমি কেমন যেন একটা দিশেহারা অনুভব করলাম । ফোন রেখে দরজা বন্ধ করতে যাবো এমন সময় দেখি রফিক আংকেল ঘরে ঢুকছে । মুখে এক কি বিশ্রি হাসি । ঘরে ঢাকেই উনি দরজা বন্ধ করে দিলেন । -কি ব্যপার আপনি দরজা বন্ধ করছেন কেন । উনি আরার সেই শয়তানের মত হাসি দেন । বলেন -বুঝতেছো না কি জন্য করতেছি । অনেক দিন ধরে টকে ছিলাম আজ তোমারে পাইছি । -আমি কিন্তু চিত্কার করবো -কর । তোমার মান সম্মান যাবে । তারপর দেখি তুমি সমাজে কি ভাবে থাকো । আর লোকজন আসতে আসতে যা হবার হয়ে যাবে । এর থেকে চুপচাপ থাকো । কেউ জানবে না । কোন সমস্যা হবে না । আমি এখন কি করবো । ঐ শয়তান টা লোল ফেলতে ফেলতে আমার দিকে এগিয়ে আসে । আর আমি আতংকে নীল হয়ে যাই । কি করবো মাথায় কিছুই কাজ করে না । এখন আমাকে কেবল আবীর বাঁচাতে পারে । জোড়ে জোড়েই বলি -আবীর কোথায় তুমি ? আমাকে বাঁচাও । আমাকে বাঁচাও । শয়তান টা হেসে উঠল । -কোন আবীর ফাবীর তোরে বাঁচাতে পারবে না । আমার কাছে চলে আসে । আমাকে ধরতে যাবে ঠিক এমন সময় একটা কাজ হয় । আমার ঘরে আলো গুলো নিভে যায় । খুব মিষ্টি একটা গন্ধে সারা ঘর সুরভিত হয়ে যায় । হঠাত্ করেই মনের সব ভয় কোথায় যেন গায়েব হয়ে যায় । মনে হয় আবীর এসেছে । আমাকে বাঁচাতে এসেছে । আর তখন আমি শুনতে পাই চড়ের শব্দ । যেন খুব জোড়ে কেউ কাউকে চড় মাড়ল । তারপর ভারী কিছু পড়ার শব্দ সাথে সাথে ঐ শয়তানটার গোঙানীর শব্দ । অন্ধকার কিছুটা সয়ে গেলে আমি ঘরে মধ্যে দুইটা সেইপ দেখতে পাই । একজন আর একজন কে মাথা তুলে আছাড় মারছে । শয়তানটাকে চিনতে পারলাম । তাহলে এই আবীর । কি বলিষ্ট সেই শরীর । যদিও দেখা যাচ্ছিল খুবই বলিষ্ট আর সুঠম দেহের অধিকারী সে । একটু পর সব শান্ত হয়ে গেল । আমি আবিরের সেই সেইপ টা হারিয়ে ফেললাম । প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আরো ফিরে এল । দেখি ঘরে কেউ নাই । না আবীর না ঐ শয়তান টা । গেল কোথায় ? আবার ও ফোন বেজে উঠল । -কোথায় গেলে তুমি ? -আমি আছি আশে পাশে । -কেন ? আশে পাশে কেন ? আমার সামনে এসো । আমি তোমাকে দেখবো । -নীলু একটু বোঝার চেষ্টা কর । -না আমি কিছু বুঝতে চাই না । তুমি আমার সামনে এসো । এসো । -এভাবে আসা যায় না । আমার জগত থেকে তোমার জগতে এভাবে যাওয়ার নিয়ম নেই । একটু বোঝার চেষ্টা কর । -তাহলে একটু আগে কেমন করে এলে ? -আমি নিয়ম ভেঙ্গেছি । এজন্য আমাকে শাস্তি পেতে হবে । -আমি কিছু বুঝতে চাই না । আমি তোমাকে সামনে দেখতে চাই । এই বলে আমি ফোন রেখে দিই । আবীর আরো অনেক বার ফোন করে আমি ধরি না । আমি জানি তুমি অন্য কোন জগতের । কিন্তু তবুও তোমাকে ছাডা যে কিছুই ভাবতে পারি না । তোমাকে কাছে পাবার জন্য যে মন আমার কেমন করে । একটু সামনে আসলে কি হয় ? আমি তোমাকে যে এই বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরতে চাই । পরদিন রাতে আমি বান্দায় বসে আছি । এমন সময় ওর ফোন । সারা দিনে একবারও ফোন ধরি নি । এখন ধরি । -খুব কি রাগ করেছো ? আমি কিছু বলি না । -নীলু কাল তোমাকে বলেছিলাম না আমি নিয়ম ভেঙ্গেছি । আমাকে শাস্তি পেতে হবে । মনটা কেমন যেন অস্থির হয়ে ওঠে । -কি বলছ তুমি ? -হু এটাই আমার শেষ ফোন তোমার কাছে । বুক ফেটে কান্না আসে। -আমাকে তোমাদের এই জগত্ থেকে অনেক দুরে পাঠানো হচ্ছে । অনেক দুরে । আমি কোন কথা বলতে পারি না। কেবল দুচোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে । -তবে যাবা আগে একটা ইচ্ছা আমি পুরন করবো । আমাকে না তুমি জড়িয়ে ধরেত চেয়েছিলে । বায়ে তাকাও। আমি বারান্দায় কোনার দিকে তাকালাম । কালকের সেই বলিষ্ঠ শেইপ তৈরি হচ্ছে । আর সেই মিষ্টি গন্ধটাও । বারান্দায় কোনাটা যেন আরো বেশি অন্ধকার হয়ে গেছে । অন্য কেউ হলে হয়তো ভয়েই মরে যেত । কিন্তু আমার কেন যানি কোন ভয় লাগল না । কোন কিছু না ভেবেই আমি ওকে জড়িয়ে ধরলাম । কই ঠান্ডা না তো ! আমি তো এতো দিন জেনে এসেছি যে এদের শরীর নাকি খুব ঠান্ডা হয়। -কই তুমি তো ঠান্ডা নাও। আবীর আমাকে দু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে। -ঠান্ডা হব কেন ? -না এতো দিন তো শুনেছি তোমাদের শরীর ঠান্ঠা হয়। ও হাসে । -ভুল শুনেছ। -আমি তোমাকে যেতে দেবো না । কিছুতেই যেতে দেবো না । দেখি তুমি কিভাবে আমাকে ছেড়ে যাও। আবীর কোন কথা বলে না । কিছুক্ষন পর ও বলল -যেতে হবে । -না না । আমি যেতে দেবো না । -এমন করলে কি হয়! ও আমার সামনে দাড়ায় । আমি এখনও ওকে দেখতে পাচ্ছি না । কেবল একটা ছায়াই দেখছি । -নীলু । এই অনুভুতির কোন তুলনা হয় । আমি আমার বাকিটা জীবন এই অনুভুতি নিয়েই থাকবো । আর তুমি ! আমি কোন কথা বলতে পারি না । কেবল চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে । ও বলল -তুমি যথন বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠবে আবীর নামেরই একজন তোমাকে অনেক ভালবাসবে । আমার মতই তোমাকে ভালবাসবে । তুমি ভাল থেকো । -না না আমি তোমাকে যেতে দেবো না। কিন্তু যেতে দিতেই হয় । ধীরে ধীরে ওর ছায়াটা মিলিয়ে যায়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভৌতিক বয়ফ্রেন্ড

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now