বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভিন্ দেশের মুসাফির দ্বিতীয় পর্ব

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mizan (০ পয়েন্ট)

X ছেলেটি বলল আমাকে এখনি চলে যেতে হবে নাহলে আপনার আনেক বিপদ হতে পারে।তখন আয়েশা বলল এখনো আপনার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে এই অবস্থায় আপনার চলে যাওয়া ঠিক হবে না। আপনি বিশ্রাম নিন।এইসময় আয়েশা দের বাসার গেটে লক করার শব্দ শুনা যায় তখন সে মনে করল তার বাবা মা চলে এসেছে আয়েশা গেট খুলে দিতে গেল গেটের কিহোল দিয়ে দেখলো তার মা বাবা দাঁড়িয়ে আছে সে গেট খুলে দিল এবং তার বাবাকে সালাম দিল তার বাবা সালামের জবাব দিলেন এবং ছেলেটির কথা জিজ্ঞেস করলেন যে ছেলেটি এখন কেমন আছে?আয়েশা বলল জি আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি ভালো তবে এখনো তার ‌‌‌‌‌শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে।আয়েশার বাবা আবদুল হামিদ বললেন আচ্ছা ঠিক আছে তুমি রুমে যাও আমি দেখছি আবদুল হামিদ ছেলেটির রুমে গেলেন রুমে ঢুকতেই ছেলেটি সালাম দিল আবদুল হামিদ সাহেব সালাম এর জবাব দিলেন।তিনি জিজ্ঞেস করলেন এখন কেমন লাগছে ছেলেটি বলল জি আলহামদুলিল্লাহ এখন কিছুটা ভালো। আমাকে এখনি চলে যেতে হবে নাহলে আপনারা বিপদে পড়বেন। আবদুল হামিদ সাহেব বললেন না এই অবস্থায় তোমাকে আমরা যেতে দিতে পারিনা তোমার শরীর থেকে এখনো রক্ত বের হচ্ছে এই অবস্থায় গেলে তোমারোও বিপদ হতে পারে।তাছাড়া এক মুসলমান বিপদএ পরলে আরেকজন মুসলমামুসলমানেরনের উচিত তাকে সাহায্য করা।তিনি তার ছেলে হাসানকে ডাক দিয়ে বললেন তুমি একটু আমার ফাস্ট এইড এর বক্স তা এনে দাও হাসান বলল জি আব্বা এখনি নিয়ে আসছি কিছুক্ষণ এর মধ্যে সে নিয়ে আসে তার বাবার হাতে তুলে দিল আবদুল হামিদ ছেলেটির ব্যান্ডেজ খুলে আবার ভালো করে ব্যান্ডেজ করে দিলেন এবং একটি ঘুম এর ইনজেকশন দিয়ে দিলেন এবং বললেন তুমি এখন একটু ঘুমিয়ে নাও আমি হাসপাতাল থেকে কিছু কাজ সেরে আবার আসবো তিনি যাবার জন্য উঠলেন ছেলেটি সালাম দিল তিনি সালাম এর জবাব দিলেন এবং হাসি মুখে ছেলিটির রুম থেকে বের হলেন।রুম থেকে বের হয়ে তিনি আয়েশার মা খাদিজা বেগম কে ডাক দিলেন খাদিজা বেগম আসলেন সাথে সাথে আয়েশার আসলেন আবদুল হামিদ সাহেব বলেন ছেলেটি এখন‌ ঘুমুচ্ছে ঘুম থেকে উঠলে তার জন্য কিছু খাবার এর ব্যাবস্থা করিও আমি হাসপাতাল থেকে কাজ সেরে আসছি ছেলেটিকে খুব তাড়াতাড়ি ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে এই বলে‌ তিনি হাসপাতাল এর উদ্দেশ্য বের হলেন।আয়েশা গেট লাগিয়ে দিয়ে আসে সে তার মায়ের সাথে রান্নাঘরে গেল।ঠিক দুপুর বারোটায় ছেলেটির ঘুম থেকে উঠে।হাসান ছেলেটির রুমেই বসে ছিল ছেলেটির ঘুম ভাঙ্গতেই হাসান সালাম দিল আসসালামুয়ালাইকুম ছেলেটি জবাবে ওয়ালাইকুমুস সালাম বলল।হাসান বলল আপনি একটু শুয়ে থাকেন আমি এখনি আসছি কিছুক্ষণ পর হাসান এক গ্লাস দুধ একটা ডিম এবং কিছু ফল নিয়ে আবার ফিরে আসল টেবিল এর উপর খাবার গুলো রাখে ছেলেটিকে ধরে বসিয়ে দিয়ে খাবার গুলো এগিয়ে দিল হাসান বলল ভাইয়া তুমি এগুলো আপনি খেয়ে নেন আমি পানি নিয়ে আসছি। যেহেতু ছেলেটি সারাদিন কিছু খায়নি তাই খাবার গুলো খেয়ে নিল হাসান পানি নিয়ে হাসানএসে দেখলো ছেলিটির খাওয়া হয়ে গেছে সে পানি এগিয়ে দিল ছেলেটি পানি খেলো..................কালকে বাকি গল্প দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভিন্ দেশের মুসাফির দ্বিতীয় পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now