বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

#ভেজা কানভাস

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sumaiya Akter (০ পয়েন্ট)

X .লেখা:ফাহমিদা। . .:আচ্ছা শোনেন আমায় নিয়ে একটা কবিতা লিখবেন?আমার না অনেকদিনের ইচ্ছা কারও ভাবনার সীমায় পৌঁছাবো। আমায় নিয়ে নতুন ছন্দ তৈরী হবে আর আমি তা পড়ে কল্পনায় নিজেকে সাজাবো। লিখবেন প্লিজ? আচ্ছা,কবিতা না হোক একটা গল্পই লিখেন না গো প্লিজ! :আমার রূপকথার চরিত্রগুলো অনেক আগে হারিয়ে গেছে। তাই এখন আর কল্পনারা ধরা দেয়না। চুপকথারাই যখন নিরুদ্দেশ তখন নতুন করে কাব্য কীভাবে লেখি বল? :নতুন কিছু শব্দ এনে দেব। আর কিছু ধার করা স্বপ্নও তবেতো চলবে? :অনুভূতিরা ক্ষতবিক্ষত। কলিজা পোড়া দাগগুলো এখনও শুকায়নি। স্বপ্ন নেওয়ার মত সক্ষমতা নেই। :কেউ যদি নতুন করে তাতে অভিযান চালিয়ে সারিয়ে দেয়? : প্রবেশের সব রাস্তায় বন্ধ। রক্ষীরা খুব বেশিই কঠোর। . .হঠাৎ যেন চোখগুলো অশ্রুসিক্ত হল অর্থির। অর্থহীন নিঃস্বার্থ ভালোবাসাগুলো মনে হয় এবাবেই বারবার অপমানিত হয়। যেমনটা অর্থির ভালোবাসা আমার কাছে আর আমারটা অন্য কারও কাছে। মেয়েটা সহস্ররকমভাবে শত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আমার পাবার আকাঙ্ক্ষায়।অথচ আমার এই কঠিন ত্যক্ত হৃদয়ে তার মুখটা নিতান্তই অপরিচিত। ওপাশে মুখ ফিরে চোখের জল মুছে কাজের অজুহাতে পালিয়ে গেল। কিন্তু আমি জানি ঠিকই এখন তার বদ্ধ ঘরে নিশ্চুপ আর্তনাদ চলবে। এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। বাসার দরজায় নক করতেই দরজা খুলে গেল যেন আগে থেকেই কেউ জানতো আমি দরজায় দাঁড়িয়ে...... :ভাইয়ু,,,(আমার পেছনে উকিঝুকি দিচ্ছে) :খাম্বার মত দরজার সামনে দাঁড়াই আছিস কেন? টিকিট কাউন্টারের চাকরি পাইছিস নাকি যে টিকিটের জন্য দরজা আটকাইছিস? : টিকিট কাউন্টারের চাকরি পাইলে না তোর কাছে টিকিট বিক্রিই করতামনা আর তুই বাড়িতেও ঢুকতেও পারতিসনা ফইন্নি কত্ত ভালোবেসে ডাকলাম হজম হলনা এখন মানে মানে আমার আইসক্রিম টা দে। :আমি ফইন্নি হলে তুই ফইন্নির বোন এখন সর।টাকা কি গাছে ধরে নাকি তোর শ্বশুড়ের পোলা আমায় টাকা আমানত দিছে রোজ রোজ তোর জন্য আইসক্রিম আনার জন্য?ফুট :????এই জন্যই ১০১ টা সাকা খাইছোস। সুহাইন্নাকি বাচ্চি জীবনে বউ পাবিনা সারাজীবন ছাকাই খাবি। হাহ, আমার আইসক্রিমমমমমমম!একটুও ভালোবাসিস না। খবরদার আমার সাথে কথা বলবিনা। :আরে পুতলি কই যাস আইসক্রিমটা কে নেবে তুই গেলে? : (কেড়ে নিয়ে) খচ্চর আগে দিলে কী হত? বাই দা রাস্তা পুতলি কে? :তুই :পুতলি মানে কি :পুটি মাছ : দুনিয়ার সব বিদঘুটে নাম আমার জন্য পাস? : দুনিয়ার সবচেয়ে বিদঘুটে বোনটাই যে আমার কাছে :যাহ আইসক্রিমের জন্য বেঁচে গেলি নয়তো তোর মাথার চুল থাকতনা। : এখনকি ভিতরে ঢুকতে পারব না বাইরে যাব? : তোর বাবার বাসা ঢুকবিনা কেন। আয়। যাক বাবা বাঁচলাম।বোনের অত্যাচার শেষে নিজের ঘরে গিয়ে এক ঘুম দিলাম। . . . . .:আচ্ছা আমি যদি মরে যাই আসবে দেখতে? :তুমি এখানে? : বলনা তখন কী একবার হলেও জড়িয়ে ধরবে? :অর্থি বাসায় ফিরে যাও। এখানে এভাবে কেউ দেখলে অন্য কিছু ভাববে। gjবুকের উপর ভর দিয়ে কিছুটা ঝুকে আমার মুখ হাত দিয়ে ধরে) আমায় কি একটুও ভালোবাসা যায়না? কখনও কি এক সেকেন্ডের জন্য হলেও আমায় মনে পড়েনা? এত নিষ্ঠুর কেন তুমি? আমার আকুলতা কি কখনও চোখে পড়েনা? ভালোবাসাগুলো কেন এত অসহায় হয় বলতো? যাকে পাবনা জানি তবুও আর কিছু না হোক তার কন্ঠ একবার শোনার জন্য শত জনমের অপেক্ষাকেও নিতান্তই তুচ্ছ কেন মনে হয় বলতে পার? :বাসায় যাও :মিথ্যেমিথ্যি হলেও একবার বলনা প্লিজ ভালোবাসি। এই অনুভূতি নিয়েই না হয় সারাজীবন বেঁচে থাকব।(কাঁদতে কাঁদতে) gjওকে উঠিয়ে) পাশাপাশি বাসা মানে এই নয় যখন তখন এভাবে একটা ছেলের ঘরে ঢুকবে। একটা মেয়ে হিসেবে ন্যূনতম লজ্জা থাকা দরকার। উত্তরটা বরাবরের মতই একই থাকবে জেনেও বৃথা সময় নষ্ট করার মানে হয়না। এখন আসতে পার। আর পরেরবার আসার আগে দরজায় নক করে আসবে। . . .ঘুমের মধ্যে কারও কান্নার আওয়াজ শুনে চোখ মেলেই অর্থির দর্শনটা পেলাম। এই মেয়েটা হুটহাট করে আমার ঘরে চলে আসে।কখনও আমার ঘর পরিস্কার করতে তো কখনও ভালোবাসার দাবি নিয়ে। বারবার অপমান সত্বেও ঠিকিই পরদিন আবার আসবে। প্রতিদিনই তার কথাকে পাত্তা দেইনা। কিন্তু আজ "আমার তার" সাথে দেখা হওয়ায় সকাল থেকেই মনটা খারাপ। যদিও এখন আমার নয় কিন্তু একসময় ছিল।সে, যে একসময় আমার পুরো সত্বা জুড়ে বিচরণ করত। আমার কবিতা,আমার স্বপ্ন, আমার অনুভূতি সবটাজুড়েই সে ছিল। শুনেছি সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই পরিবর্তিত হয়।আর তাইতো সেই স্রোতে সেও বেকার তকমাটা আমার গায়ে লাগিয়ে নিজের সুখের সন্ধ্যানে পাড়ি জমায়। আর তার সাথে সাথে আমার অনুভূতিগুলোকেও ভোঁতা করে দিয়ে যায়।তাই অন্য সবার মত স্বভাব বশতই তাকে দেখলে আমার কষ্টগুলো চক্রবৃদ্ধিহারে বেড়ে যায়। পুরো দিনটাই যায় বিষন্নতায়। তার উপর কাচা ঘুম ভেঙে দেওয়ায় আজ একটু বেশিই মেজাজ খারাপ হয়।যার সবগুলো ঝড় গেল অর্থির উপর দিয়ে।বেচেরার কোন দোষ নেই।ভুল হয়তো একটাই যে সে ঐ স্বার্থপর মানুষটার ছোট বোন। সেই জন্যই হয়ত তার বোনের প্রতি তীব্র ঘৃণা তার পাহাড়তুল্য ভালোবাসাকে আমার কাছে বিষাক্ত করে তুলেছে। . . .. .বিকালটা বেশ ভালোই কাটলো। সন্ধ্যায় একটু মুড়ি মাখা আর ফোনটা নিয়ে বসে ফেসবুকে ঢুকলাম। টুকটাক গল্প লিখি।তারই নোটিফিকেশন চেক করছিলাম। হঠাৎ সবার হই চই এ রুম থেকে বের হয়ে দেখি মা বাবা হন্তদন্ত হয়ে বাইরে গেল। শিমুও যাচ্ছিল ওর চুল টেনে ঘটনা কি জিজ্ঞেস করতেই বলল অর্থি নাকি সুইসাইট এটেম্পট করেছে। নিজেকে কেমন ভারশূন্য লাগছে।মনে হচ্ছে জীবনের সব থেকে বড় কিছু যেন হাড়িয়ে যাচ্ছে।অর্থি যে এমন কিছু করবে আমি কল্পনাও করিনি। কোনরকম দৌড়ে অর্থিদের বাসায় নিচে যেতেই দেখলাম অর্থিকে আম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। আমিও ওদের পিছনে বাইক নিয়ে বের হলাম। অর্থিকে ওটিতে পৌঁছে দিয়ে সবাই বাইরে বসে আছি। নিজেকে কেমন জানি অসহ্য লাগছে। আমার জন্য অর্থি আজ এমন অবস্থা। যে মেয়েটা নিঃস্বার্থভাবে শুধু আমার একটু ভালোবাসার জন্য এতকিছু করল তার ইমোশানের কোন মূল্যই দিইনি।তখন যদি ঐসব না বলতাম আজ হয়তো অর্থি আমার কাছে থাকত। তাড়িয়ে দিতে দিতে কখন যে তার সাথে জড়িয়ে গেছি নিজেও জানিনা।নাহ বড্ড বেশিই অবহেলা হয়ে গেছে। ঘৃণার অন্তরালে আমি ভুলেই গেছিলাম এতদিন একের দোষে অন্যায়ভাবে নিষ্পাপকে দোষী করে গেছি। নিজেকে খুব অসহায় লাগছে। অর্থির শেষ কথাগুলো খুব করে মনে পড়ছে।আমি চাইনা অর্থি আবার সেই রিক্ততার মাঝে ডুব দিতে। এবার যে সত্যিই আমার কবিতাগুলো তোমায় তার নায়িকা হিসেবে চায়। তুমি ছাড়া তারা সত্যিই অর্থহীন। ফিরে এস প্লিজ,,,,আর কখনও তোমার অবাধ্য হবনা। প্লিজ অর্থি,, . . . . . . . . . .রাত ১১টায় অর্থিকে কেবিনে আনা হয়। আনার সাথে সাথে অর্থি সুহানের মা বাবা শিমু সবাই অর্থিকে দেখতে আসে। অর্থি কেমন আছে কেন এসব করছে এসবে সবাই যখন ব্যতিব্যস্ত তখন অর্থির চোখ দরজার পানে শুধু একজনকে খুঁজছে। কিন্তু তাকে দেখতে না পেয়ে মন খারাপ করে চোখ ফিরিয়ে নেয়। তার উপর সকলের প্রশ্নে অসস্থিতে পড়ে যায়।শিমু অর্থির অবস্থা বুঝতে পেরে কোনরকম বাহানা দিয়ে সবাইকে বাইরে বের করে দেয়।ইশারায় অর্থি শিমুকে থ্যাংকস দেয়। এখন একটু নিজের সাথে সময় কাটানোটা খুব প্রয়োজন। আর কিছু না হোক অন্তত সবার প্রশ্নের হাত থেকে বাঁচবে। আমি কি এতটাই খারাপ সুহান যে মৃত্যুর সময়ও তোমাকে কাছে পাবার যোগ্যতা রাখিনা? ২দিনের চেনা মানুষও হসপিটালে থাকলে সবাই তাকে দেখতে যায়। আর আমিতো তোমার এতদিনের পরিচিত। এসব ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে যায় অর্থি। হঠাৎ লোডশেডিং এ ঘুম ভেঙে যায়। শহরে লোডশেডিং হয়না বললেই চলে সেই জায়গায় এত বড় হসপিটালে তো নয়ই আর হলেও আইপিএস থাকে তাতে সমস্যা হবার কথা নয়। কিন্তু ১৫ মিনিট পরও বিদ্যুৎ না থাকায় অর্থি অবাক হয়। হঠাৎ অর্থি হাতে একজোড়া জোনাকি পড়ে। ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি চলে আসে। অর্থির সবথেকে পছন্দের মুহূর্ত হল অন্ধকারে জোনাকির বিচরণ তাই হুট করেই যেন সব মন খারাপ কষ্ট তার মন থেকে উধাও হয়ে যায়।সে মুগ্ধ হয়ে তাদের দেখতে থাকে। একসময় খেয়াল করে তার আশেপাশে আরও অনেক জোনাকি। চারপাশটা নিজেদের আলোয় আলোকিত করে এক মুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করেছে।ঠিক যেন জমিনে খচিত তারা।ধীরে ধীরে তাদের সংখ্যা খুব কম সময়েই যেন বেড়ে যায়। এত দ্রুত এতগুলো জোনাকির আসা সম্ভব নয়। মনে হচ্ছে যেন কেউ একসাথে কোন বদ্ধ জায়গা হতে তাদের মুক্ত করে দিচ্ছে। জোনাকিদের আসার উৎস খুঁজতে গিয়ে দরজার দিকে চোখ যায় তার।সেখানে কেউ একজন একটা জার থেকে জোনাকিগুলো মুক্ত করে দিচ্ছে। কিছুটা ভয় পেয়েই সে জিজ্ঞেস করে,"দরজায় কে?"এবার হঠাৎ করেই লাইট জ্বলে উঠে আর ফ্যান চালু হওয়ার সাথে সাথে অনেকগুলো গোলাপের পাপড়ি আর্থির গায়ে পড়ে,,,,, :শুভ জন্মদিন অর্থি সুহানের আওয়াজ শুনে দরজার দিকে তাকিয়ে অর্থি অবাক হয়। তার মানে সুহান এত কিছু করেছে। আজ যে অর্থির জন্মদিন সে ভুলেই গেছিল।তার খুশি হওয়া উচিত নাকি অবাক তা নিয়ে বেশ দ্বন্দ্বে পড়ে যায়।আর সুহানই বা জন্য এসব কেন করছে ভেবে পাচ্ছেনা অর্থি।আর ঐদিকে অর্থির এই অবস্থায় সুহান হেসেই চলেছে। :হাসছ কেন? : কেমন আছ?(অর্থির পাশে বসে) :এটা আমার প্রশ্নের উত্তর নয়। :কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে নেই।জন্মদিনের শুভেচ্ছা(কিছু চকলেট এগিয়ে দিয়ে) :আজ আমার জন্মদিন কীভাবে জানলে? : শিমু বলেছে। আর এসব আইডিয়াও ওর। gjমন খারাপ করে)ওহ।তার মানে তুমি কিছু করোনি? :আমার কথাতেতো তাই বুঝালো। : তা কেন এসেছো? : কেমন আছ জানতে।আর আমার কথাতেইতো মরতে গেছিলে.... : হাহা.........তাই এসেছো দায় সারতে?যেন তোমার দোষ না হয়? : অনেকটা তাই আবার হয়তো না। :দেখা শেষতো.....এখন যেতে পারো। কাউকে দায়বদ্ধ রাখার কোন ইচ্ছা নেই। :তাড়িয়ে দিচ্ছ? :মনে কর তাই। :আচ্ছা ভালো থেকো। : সেই চিন্তা তোমার না করলেও চলবে। . .সুহান চলে গেছে। চিৎকার করে কাঁদতে মন চাচ্ছে অর্থির। বারবার নিজের আত্মসম্মানকে খুন করে যার জন্য নিজের জীবনটাকে ছেড়ে দিতে দ্বিধা করলনা সেই যখন তা নিয়ে উপহাস করে তখন বেঁচে থাকাই বৃথা মনে হয়। হাঁটুমুড়ে পায়ে মাথা রেখে কাঁদতে থাকে অর্থি। হঠাৎ করেই কেউ পেছন থেকে তার চোখ ধরে কোলে করে কোথাও নিয়ে যায়।হাজার চিৎকারেও থাকে নামিয়ে দেয়না উল্টো তার কানে চুমু দিয়ে বলে বেশি চিল্লালে কোল থেকে ফেলে দিব।চুপচাপ যেখানে নিয়ে যাচ্ছি চল। চোখ বাঁধা থাকলেও মানুষটাকে চিনতে খুব একটা কষ্ট হয়নি তার।একসময় তার চোখ খুলে সামনে তাকাতে বলে সুহান। সামনে তাকিয়ে অর্থির চোখে জল চলে আসে। অনেকগুলো ফানুস উড়ছে আকাশে। আর তাদের প্রত্যেকটিতে লেখা আমি তোমাকে ভালোবাসি। অর্থি বারবার দেখে। মুগ্ধ হয়ে দেখে। বহুল প্রতিক্ষিত কোন মুহূর্ত যখন হঠাৎ করেই প্রাপ্তিরূপে ধরা দেয় তখন সুখ যেন স্বপ্নের মত। হঠাৎ সুহান অর্থির কানের কাছে মুখ এনে বলে,"ভালোবাসি।মিথ্যেমিথ্যি নয়,হয়তো তোমার মত করেও নয়। কিন্তু নিজেকে পূর্ণ করে তোমার কামনায়।" অর্থি চোখ বন্ধ করে সুহানের বুকে কান পাতে। সুহানের প্রতিটি হৃদস্পন্দন আজ সত্যিই যেন তার হয়ে জপ করছে। আজ সত্যিই নিজেকে পূর্ণ মনে হচ্ছে অর্থির। এখন আর কিছু বলতে মন চাচ্ছেনা। অনেক সময় কিছু না বলেও অনেক কিছু বলা হয়ে যায়।আর সেই না বলা কথাগুলো আবিষ্কার করতে করতে সুহান অপেক্ষা করতে থাকে নতুন এক সকালের।যে সকাল তার জীবনে নতুন কোন ছবি আঁকবে আর তার ক্যানভাসটা হবে অর্থিময়। . .বি.দ্র.(কোন এক সময়ের লেখা।গল্পের শিমুটা আমি। জিজেতে সবাই শিমুই ডাকে। আর সুহান আমার ভাই+ জিজে মেমবারgj)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ #ভেজা কানভাস

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now