বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভবিষৎ।।
লেখক- রোদ বৃষ্টি অথবা অন্যকিছু
(ভূল মার্জনীয়)
"মহাবিশ্ব কারও যুক্তির সাথে মিলতে বাধ্য নয়।"
১২/৬/২৯৯৫ সাল
বর্তমানে মানুষ আজ অনেক উন্নত।
তারা সবাই এখন নাস্তিক।
ধর্ম নামে শব্দটি পৃথিবী থেকে
বিলুপ্ত।
মানুষের মধ্যে থেকে খিদা এবং যৌনতা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।।
মানুষ সৌর শক্তি দিয়ে নিজেদের চার্জ করে নেয়।
আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী
রাষ্ট্র।
যদিও আজকের এই পৃথিবীতে মাত্র ৫ ভাগ স্থল বিদ্যমান।
এবং বাংলাদেশই সর্বশেষ দেশ যারা পৃথিবীতে অবস্থান করছিল।
বিশ্বের প্রায় সব দেশ এই পৃথিবী পরিত্যাগ করেছে।
তারা খুজে নিয়েছে তাদের আবাসের জন্য নতুন গ্রহ।
বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা ও খুজে চলেছে নতুন এক গ্রহের।
বাংলাদেশি জনসংখ্যা এত বেশি পরিমাণে বেড়েছে যে আগামি ২ বছরের ভিতর যদি বাস যোগ্য নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়া না যায়।
তাহলে বাঙালী বলে মহাবিশ্বে কারো অস্বিত্ব থাকবে না!
কারণ ভারতের বাঙালীরা অনেক আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছে!!!
পৃথিবীর বয়স আর মাত্র ১০ বছর
এই সময়ের মধ্যে নতুন গ্রহের সন্ধান চায়!
বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের চীফ
mr aan191
সকল বিজ্ঞানীদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছেন।
তারা সবাই নতুন একটি গ্রহ সম্পর্কে আলোচনা করছেন।
এই গ্রহটি পৃথিবী খেকে ১০০০০০ আলোকবর্ষ দূরে।
বর্তমান প্রযুক্তিতে সেই গ্রহে যেতে সময় লাগবে দশ বছর।
এই গ্রহটি বাসের উপযোগী।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা।
বর্তমান জনসংখ্যা
২০০৫৯০৯৮৬৫৯!
এবং রোবট সম্প্রদায়ের সংখ্যা ৪৩৮৯৫৯৯৭৬!
কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান যে
মহাকাশ যান
আছে তাতে সকল মালামাল নেওয়ার
পর
২০৯৫৮৯৭৫
এত জন মানুষ নিয়ে যাওয়া যাবে।
mr aan191
রোবট সম্প্রদায়কে নিয়ে যেতে চান না নতুন গ্রহে।
রোবট সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয় ২২০১ সালে।
এই খবর যদি রোবট সম্প্রদায় জানতে পারে
তাহলে বাংলাদেশে হরতাল-গৃহযুদ্ধ
শুরু হবে ১০০% নিশ্চিত।
mr aan191
বললেন সময় এখন খুব কম।
কিন্তু সব কিছু করতে হবে অতি গোপনে।
বিজ্ঞানীরা কাজ শুরু করে দিলেন।
বর্তমান বাংলাদেশ এর রাষ্ট্র প্রধান রোবট।
এবং সরকার প্রধান মানুষ।
কিন্তু বিজ্ঞানীরা তাদের কাওকে পৃথিবী ছাড়ার বিষয়টি অবগত করলেন না।
কারণ তারা জানতেন ব্যাপারটিকে তারা
রাজনীতি ইসু বানিয়ে ফেলবেন।
বাংলাদেশ উন্নত হলেও বাংলাদেশের রাজনীতি সে ২০১৪ সালের মত এখনো পুড়ানো!
তাই বিজ্ঞানীরা দ্রুত এবং গোপনে
সব কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
তারা শুধু বিজ্ঞ মানুষদের তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য,
তৈরি হচ্ছিলেন।
কিন্তু এত গোপনীয়তা শর্তেও,
সব তথ্য ফাঁস হয়ে গেল!!!
রোবট সম্প্রদায় এবং মানুষেরা মিলে আন্দোলন শুরু করল।
আন্দোলনের এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ রোবট এবং জনতা mr aan191
এর মহাকাশযানের বহরে হামলা চালালো।
এতে প্রায় মহাকাশযান ধ্বংস হয়ে গেল।
যে কয়েকটা যান রক্ষা পেল তাদের ক্রোধ থেকে তাতে মাত্র ১০০০০০..
মানুষের জায়গা হবে।।।
mr aan191 এর বিজ্ঞানী সম্প্রদায়ের।
মানুষের সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি।
mr aan191
চেয়েছিলেন পৃথিবী থেকে কমপক্ষে ২০০০০০০...
নিয়ে যেতে।
কারণ তিনি জানেন মহাবিশ্বে আমরা একা
বুদ্ধিমান প্রাণী নয়।
যদি যাত্রাপথে অথবা নতুন গ্রহে পৌছানোর পর যদি তাদের সাথে সাক্ষাত হয়।
তবে অবশ্যয় যুদ্ধ হবে।
আমাদের বহর দেখে তারা যাতে ভয় পেয়ে যায়।
তাই mr aan191 বড় বহর নিয়ে
নতুন গ্রহের উদ্দেশ্য পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে
বড় বহরের কথা চিন্তা করা অসম্ভব।
তার মনে এখন ভয়!
তাদের অবস্থা যদি জাপানিজ দের মত হয়।
জাপানিজরা
১৫০৬৭৮৯৬ এত জনের বহর নিয়ে রওনা হয়েছিল।
কিন্তু পথিমধ্যে তাদের সাথে এলিয়েনদের সাথে ক্রাশ হয়।
যুদ্ধে জাপানিজরা প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।
শুধু ৫০০০০ জাপানি প্রাণ নিয়ে পালিয়ে।
আমেরিকানদের নতুন গ্রহ 'আইফোন১০০'
আশ্রয় নেয়।
পরবর্তীতে তারা জানতে পারে এটি ছিল আমেরিকানদের চাল।
আমেরিকানরা পৃথিবীর মত মহাবিশ্বে ও নিজেদের ক্ষমতার মধ্যে রাখতে চায়।
তাই তারা এলিয়েনদের সাথে গোপনে সন্ধি করে।
তবু তাদের বিরুদ্ধে কোন জাতি কথা বলতে পারে না।
আমেরিকানরা পুরো একটি গ্যালাক্সি
দখল করে রেখেছে।
তাই mr aan191 এই সব সমস্যার সমধার ভাবতে লাগলেন তিনি ঠিক করলেন ভারত এবং রাশিয়ার কাছে সাহয্য চাইবেন।
তাদের দখলে যে গ্যালাক্সি গুলো রয়েছে সেগুলো থেকে একটি গ্রহ যাতে বাংলাদেশকে দিয়ে দেয়।
তারা ত পৃথিবীতে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।
কিন্তু দুঃখের কখা তাদের কোন সাড়াও পাওয়া গেল।
তিনি ভাবলেন পৃথিবীতে থাকতে তাদের ত বাংলাদেশে অনেক স্বার্থ ছিল।
তাই তারা বাংলাদেশকে সাহায্য করত।
কিন্তু মহাবিশ্ব ত তাদের বাংলাদেশকে প্রয়োজন নেয়!
পথিমধ্যে বিপদ আছে জানা শর্তেও
mr aan191
বাঙালি নামের জাতিটির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য।
তার বিজ্ঞানীর সম্প্রদায় এবং
তাদের অনুগত ১০০০০০,
মানুষকে নিয়ে গোপনে পৃথিবী,
ত্যাগ করলো।
mr aan191
মহাকাশযানের পাইলটদের নির্দেশ দিলেন গ্রহাণুর ফাকে ফাকে যতটা আড়ালে পারা যায়,
মহাকাশযান চালানোর জন্য।
যদি কোন আক্রমনের মুখে পড়েন,
তবে তাদের কী অবস্থা হতে পারে,
তিনি সে বিষয়ে অবগত ছিলেন।
পাঁচ বছর পর তারা জানতে পরলেন।
পৃথিবী নামের গ্রহটির আর কোন অস্বিত্ব নেয়!
পৃথিবী
ধ্বংস হয়ে গেছে!
পৃথিবীর সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে গেছে পুরো সৌরজগৎ!
যদি mr aan191 এবং তার সঙ্গীরা দুঃখ পেলেন না।
কারণ(সুখ/দুঃখ/মায়া/ভালোবাসা/বন্ধুত্ব) নামের শব্দগুলো মানুষের মধ্যে থেকে অনেক আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছে!!!
কিন্তু ক্ষমতার লড়াই এখনো বিলুপ্ত হয়নি!
তা এখনো আগের মত!
তার সাথে যুক্ত হয়েছে এলিয়েন!
বর্তমান মহাবিশ্বে যারা প্রযুক্তিগত ভাবে দুর্বল তারা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে!
কারণ বর্তমানে মানুষ -মানুষের শত্রু!
নতুন গ্রহে যেতে আর মাত্র ১ বছর সময় লাগবে এর মধ্যে বহরকে আক্রাত্ন হতে হয়নি।
কিন্তু একটি নতুন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে mr aan191 কে!
বিদ্রোহ!!!
তার বহরের যুগ্ম চীফ তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে!
এবং তার পক্ষে যোগ দিয়েছে,
বহরের প্রায় মানুষ।
তাই mr aan191 একটি জঘন্যতম সিদ্ধান্ত নিলেন।
তিনি তার অনুগামী ১০০০
মানুষকে একটি ছোট মহকাশযানে তুলেন।
তিনি সহ সে মহকাশযানটিতে প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতি নিয়ে প্রধান মহাকশযান থেকে চম্পট দেন।
এবং প্রধান মহাকাশযান থেকে এক আলোকবর্ষ দূরে গিয়ে।
প্রধান মহাকাশযানটিকে পারমাণবিক বোমা দিয়ে ধ্বংস করে দিলেন!
একবছর পর mr aan191
এবং তার ছোট্ট বহর নতুন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলেন।
কিন্তু তাদের শত্রু আগে থেকে সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল!
সেই গ্রহের এলিয়েনরা একটি বোমা দিয়ে।
mr aan191 এর ছোট বহরটিকে ধ্বংস করে দিল!
mr aan191 যদি পুরো বহরটিকে এখানে নিয়ে আসতে পারতেন।
তাহলে এলিয়েনরা তার বহরের সাথে পেরে উঠতো না।
কিন্তু দলবদ্ধভাবে থাকতে না পারার কারণে তারা নিজেদের ধ্বংস নিজেরাই ডেকে আনলো।
(সমাপ্ত
কাল্পনিক)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now