বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তাই পর্তুগালের রাজার অনুরোধ পাওয়া মাত্রই সানন্দে বেরিয়ে পড়লেন সমুদ্রযাত্রায়।
১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দের ৮ জুলাই চারখানা জাহাজ এবং ১৭০ জন সহযাত্রী নিয়ে আফ্রিকার পশ্চিম_উপকূলের দিকে যাত্রা করলেন ভাস্কো_ডা_গামা। কেপ ভার্দ দ্বীপপুন্ঞ্জ ও সেন্ট হেলেনা উপসাগর অতিক্রম করে একদিন উপস্থিত হলেন সেই উত্তমাশা অন্তরীপে। কয়েকটা দিন অতিবাহিত করার পর তিনি আফ্রিকার পূর্ব_উপকূল ধরে ধীরে_ধীরে উওরদিকে অগ্রসর হতে থাকলেন। একদিন আবিষ্কার করলেন পূর্ব উপকূলের নাটাল নামক স্থানটি। তারপর উপকূল বরাবর এগিয়ে গেলেন আরও উত্তরদিকে। একে একে অতিক্রম করলেন মেজাম্বিক ও মোম্বাসা বন্দর। অবশেষে এসে পড়লেন মালিন্দী বন্দরে। এখানেও কাটালেন কয়েকদিন। তারপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মালিন্দী বন্দর থেকে খাড়া পূর্বদিকে যাত্রা করলেন।
মালিন্দী বন্দরে এক অরবীয় বণিকের সাহায্য লাভ করেছিলেন ভাস্কো_ডা_গামা। বণিকটির নাম আহমদ ইবন মজিদ। ভারতবর্ষ সম্বন্ধে মজিদের ভালো ধারণা ছিল। তাঁর সঙ্গে আলাপ হওয়ায় ভাস্কো_ডা_গামার সুবিধা হল অনেকখানি। ভারতীয় ভাষাও মজিদ কিছু কিছু বুঝতেন। তাই ভাস্কো ডা গামা তাকে কিছুতেই ছাড়লেন না। অনেক অনুরোধ এবং উপঢৌকনের লোভ দেখিয়ে মজিদকে সঙ্গ নিয়ে যাত্রা শুরী হল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now