বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
—তোমার বাবা কি করে?
—জি ম্যাম! মেডিসিন্ স্পেশালিস্ট৷
—ও আচ্ছা,
স্যারকে আমার সালাম দিও৷
.
—নেক্সট, তোমার বাবা কি করে?
—জি ম্যাম! ভার্সিটির অধ্যাপক৷
—কোন ডিপার্টমেন্ট? নাম কি?
—জি ম্যাম! ফ্রিন্যান্স প্রফেসর, ড. রফিক
চৌধুরী৷
—তুমি রফিক স্যারের মেয়ে! স্যারকে
আমার কথা বলো৷
.
—তারপর তোমার বাবা কি করে?
ছেলেটা একটু মাথা নিচু করে উত্তর দেয়,
—জি ম্যাম, বাবা গ্রামের নদীতে
মাছ ধরে৷
অ অ.......
.
.
.
সেই প্রথম দিনের পরিচয় থেকে স্যার ম্যামদের মাথায় একটা জিনিস
সেট হয়ে যায়......
কার বাবা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা উচ্চপদস্থ কেউ৷
এরপর থেকে প্রতিটা ক্লাস, কার্ড
টার্ম
বা ভাইবা,
প্রেজেন্টেশন এমনকি
সেমিনার-
ফাইনালেও তাদের একটা এক্সট্রা প্রায়োরিটি দেয়া হয়৷
অজ'পাড়াগায়ের ক্ষেত থেকে উঠে আসা ছেলেটা মেধার জোরে এগিয়ে থাকলেও, বাবার জোরে অনেকটা পিছিয়ে পড়ে৷
অামি..... যদি ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হতাম তবে,
ঐ তিন নম্বর ছেলেটির কানের দুই ইঞ্চি নিচে একটা থাপ্পর লাগিয়ে বলতাম»
শালা! মাথা নিচু করে বলিস কেন, বাবা নদীতে মাছ ধরে?
সবার সামনে দাঁড়িয়ে
মাথা উঁচু করে
বল, বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, নদীতে মাছ ধরে তার
সন্তানকে দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছে৷
I'm damn proud of my father....
তোমাকে ওই ছোট ভার্সিটির লেকচারার হওয়ার দরকার নেই৷
তুমি অক্সফোর্ডের লেকচারার হবে৷
তোমাকে ওই ছোট্ট মেডিকেল কলেজের, ছোট্ট একটা চাকরির জন্য লড়াই করতে হবে না৷
তুমি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিযাবেথে কর্মরত চিকিৎসকের দায়িত্ব নেবে৷
ক্ষেত থেকে উঠে এসে অকাশ ছোয়ার দৃষ্টান্ত এদেশে
একটা না,
দুটো না, হাজারটা৷ হ্যা, হাজারটা অাছে.....
কাউকে ছোট করে দেখলেই সে ছোট হয়ে যায় না,
যে ছোট করে দেখে
সেই ছোট হয়ে যায়৷
.
.
আমাদের পকেটের ব্যাসার্ধ বড় করার চেয়ে,
মনের ব্যাসার্ধ টা বড় করা জরুরী....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now