বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ৯
রাতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম প্রতিশোধ নিবে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে গিয়ে।সকালে নাস্তার পরে সবাইকে ঢাকলাম।আকাশ,বাবা-মা,অনিশা, অনিশার বাবা।আমি সহজে সংক্ষেপে সবাইকে সব বললাম।অনিশার বাবা অবাক হলেও আমার বাবা-মা অবাক হয় নি।আজব তো।
-তোমার বুঝতে পারছো না আমি কি বলছি।আমি ভ্যাম্পায়ার আর আমি রাব্বির খুনের প্রতিশোধ নিতে যাবো।
-আমরা জানি তুমি ভ্যাম্পায়ার তোমার আগে।
-বাবা কি বলো।
-হুম।সেদিনের ঘটনাটা তুমি জানো না কি হয়েছে।সেদিন রাতে অনিশা চিৎকার দিয়ে ভিতরে এসে আমাকে বলে। আমি দৌড়ে লাঠি নিয়ে উপরে যাই।দেখি তোর গলায় একটা ভ্যাম্পায়ার কামড় দিয়ে রক্ত খাচ্ছে আর তুমি ধিরে ধিরে কেমন জানি হয়ে যাচ্ছো।তোমার দুটো ডানা বের হয়।তখন ভ্যাম্পায়ারটা কেনো জানি ভয় পেয়ে ছেড়ে দেয়।আমার চোখ দুটো লাল ছিলো।তোমার মাথায় একটা দাগ তৈরি হয়।অন্য রকম একটা দাগ।তখন আমরা একটা কথাই শুনি প্রিন্স।এরপর তুমি ভ্যাম্পায়ারটার বুকের ভিতর হাত ঢুকিয়ে সব কিছু বের করে খেলো।খুবেই ভয়ানক ভাবে ওটাকে মেরে ফেলো।তারপর নিজে জ্ঞান হারাও।তুমি ছোট থেকেই রাগি।আর তোমার মাথায় আসা সেই চিহ্নটা অনেক ছোট থাকতেই তোমার মাথায় দেখিছিলাম।মনে আছে সেদিনের কথা তোমার ছোট থাকতে আমাকে যখন একজন গালি দেয়।তুমি কিভাবেই না রাগলে। তখন তোমার মাথায় সেই চিহ্নটা দেখেছি।
-তাহলে কি আমি ছোট বেলা থেকেই ভ্যাম্পায়ার নাতো?
-সেটা আমরা জানি না।তবে সেদিন ঘাড় থেকে তোমার রক্ত যখন ওই ভ্যাম্পায়ার খাইচ্ছিলো তখনেই তোমার ডানা বের হয়।
-ওহ।তাহলে আমি যেতে পারি রাব্বির খুনের প্রতিশোধ নিতে।
-জানি না করলেও তুমি যাবে। বাঁধা দেবার ক্ষমতা আমাদের নেই।
এরপর সবার থেকে বিদায় নিলাম।প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস নিয়ে নিলাম।যাবার আগে অনিশার সাথে একটু আড়ালে দেখা করে নিলাম।শেষ বারের মতো ওর রক্ত খেয়ে বিদায় নিলাম।
গুহার সামনে বর্তমানে আমি।ঢুকে পড়লাম ভিতরে।হাঁটতে থাকলাম। এক সময় সামনে অনেকগুলো রাস্তা পেলাম।আটটা রাস্তা। কোনটায় যাবো কিছুই তো বুঝি না সবেই দেখতে প্রায় এক রকম।সবগুলোর সামনেই ঘুরলাম কিছুই বুঝতে পারছি না।কি করি সব গুলো ঢুকে ঘুরে ঘুরে দেখবো নাকি।কিন্তু টর্চের আলো তো তাহলে শেষ হবে কি করি।রাগি দিলাম পাথরের দেওয়ালে গুসি। কোনো ব্যাথা পেলাম না মনে হলো শক্ত কার্ডবোর্ডের মতো।জোড়ে জোড়ে কয়েকটা গুসি দিতে ভেঙ্গে গেলো।টেনে সরালাম ভিতরে লম্বা একটা রাস্তা দেখা যাচ্ছে।ঢুকে পড়লাম।সোজা হাঁটতে লাগলাম আবার একেই ঘটনা। কয়েক পথ সেম আগের মতো তবে এবার কম।তিনটা।আগের বারের মতো সব দেওয়ালে আঘাত করলাম কিন্তু এবার কিছুই পেলাম না। আর কি করার তিনটার মাঝের। একটু দুর এগুতেই পথ বন্ধ হয়ে গেলো।ফিরতে নিলাম কিছু মনে হলো পিছন দিয়ে মরতে নিলো উড়াল দিলাম।পিছনে তাকিয়ে দেখি কেমন আজব প্রাণি যা জীবনেও দেখি নাই।দুটো শিং আছে ডানাও আছে সাথে।হাতে নখ গুলো অনেক বড় বড়।মোট দুটো ছিলো একটা উড়াল দিয়ে মারতে নিলো। ওর হাতটা ধরে ঘুরিয়ে দিলাম অাছাড়।আমার শক্তি সম্পর্কে ওদের ধারণা নেই।দ্রুতে দৌড়ে মাথায় দিলাম গুসি।মাথার খুলি হাতটা ঢুকে যায়।বাকি একটাকেও ধরে মেরে ফেলি।আগের থেকে দ্রুত দৌড়াতে পারি।আগের শরীরে অনেক শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।মনে এখন আমি একাই দশটা হাতি তুলতে পারবো।এরপর ফিরে এসে ডানের গুহাটাতে ঢুকলাম।এগুতেই সামনে আলো দেখলাম।আজব বিষয় টর্চের আলো তো অনেক অাগেই শেষ হয় কিন্তু আমি অন্ধকারেও দেখে পারছিলাম।গুহার বাহিরে পাঁ দিলাম।নতুন এক দুনিয়া।শুধু চাঁদের আলো আর কিছু নাই।থম থমে পরিবেশ।সামনে এগুতেই দেখলাম বিশাল এক রাজ্য।বিশাল বড় একটা গেট। গেটের পরেই বিশাল এক রাজ মহল।নিচে আমার মতো হাজারো ভ্যাম্পায়ার। সবাই কাজ করছে।কয়েকটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার ওদের হুকুম দিচ্ছে।আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম হঠাৎ পিছন থেকে লাথি মারলো।
-এই শালা কাজ কি তোর বাপে করবো।
কি বলে আমারে আমি উঠে মারতে যাবো এমন সময় একটা বৃদ্ধ এসে বললো-
-স্যার ওর ভুল হয়ে গেছে ক্ষমা করে দিন।
এরপর ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা চেলে গেলো।
-বাবা তুমি মরতে চাও নাকি?
-কিন্তু আমি তো.....
-গিয়ে গুহার কাজে লাগো।
আমি যে গুহাটার কাছে এসেছি কার কিছু দুরে আরেকটা গুহা দেখলাম।বৃদ্ধটার সাথে সেখানে গেলাম।খোদাই হচ্ছে। আমিও কাজে লেগে গেলাম।বুঝতে পারছি না কি করছি।
বৃদ্ধটাকে জিহাস করলাম
-কি হচ্ছে এখানে?
-কি আজে বাজে বলছো নতুন নাকি।জানো না পৃথিবীতে যাওয়ার জন্য গুহার মধ্যে খোদাই করা হচ্ছে।
-কিন্তু পৃথিবীতে আমি জানি কিভাবে....বলার আগেই বৃদ্ধটা বললো
-আমি দোয়া করি জেনো গুহার কাজটা অসম্পূর্ণ থাকে
-কেনো?
-কি আজব প্রশ্ন করছো জানো না পৃথিবীর মানুষের রক্ত খেতে খেতে চায় ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার কিং।
আর কিছু বলি নাই আমি মহা বিপদে তো। যে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা ফিরে গেছে সে যদি বলে দেয় তাহলে তো মহা বিপদ।আমি যে গুহা দিয়ে এসেছি বের হবার পথটা ছিলো খুব ছোট। খুব কষ্টে বের হয়েছি আমি।আর সেটা ছিলো ঝর্ণার পিছনে হয়ত সে জন্য কেউ জানে না।আর এখান দিয়ে মনে হয় উপরে পৃথিবীতে যাবার চেষ্টায় আছে।যেমনেই হোক ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটাকে ধরতে হবে।
প্রায় সাত ঘন্টা কাজের পর সবাই বের হতে লাগলো গুহা থেকে।আমিও সবার সাথে বের হতে লাগলাম।
অনেক দুরে একটা জায়গায় এসে সবাই থামলো।উপর থেকে কেউ রক্ত ফেলছে।সবাই পাগলের মতো হা করে রক্ত পান করছে।
উপরের দিকে তাকিয়ে দেখছিলাম হঠাৎ সেই ভ্যাম্পায়ারটাকে দেখলাম। বসে রক্ত খাচ্ছে।হঠাৎ কেউ একজন উপরে আসলো।আমরা সবাই নিচে আর গেটার উপরে সেই ভ্যাম্পায়ার।ভ্যাম্পায়ারটাকে দেখে সবাই মাখা নিচু করে বসলো আমিও বসলাম।ভ্যাম্পায়ারটা বললো-
-পৃখিবীতে পাওয়ার পথ পেয়ে গেছি।আমার এক ভাই খুজেছে।কয়েক দিন পর ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার দেবতার জন্য বলির মাধ্যমে পৃখিবীতে হামলা হবে।
লোকটা চলে গেলো সবাই আবার দাড়ালো।
বৃদ্ধটাকে জিগাস করলাম লোকটা কে
-তুমি কে আমাকে সেটা বলো?পৃথিবী থেকে এসেছো নাকি?
-হুম
-যাকে দেখলে সে হচ্ছে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার কিং এলবার্ড।কয়দিন পর পৃখিবীও দখল করবে। আজ থেকে আমাদের খোদাইয়ের কাজও শেষ।আজ যদি চার্লস বেঁচে থাকতো সব কটাকে মেরে ফেলতো।
- আমার তো কিছু করে ওদের কাঁটকাতে হবে। না হলে আমার পৃথিবীর লোকেরা মরবে।
-শুনো কিচ্ছু করার মতো সাহস কারো নেই।আমরাও চাই পৃথিবীর ক্ষতি জেনো না হোক।কিন্তু ওনাদের বাঁধা যে দিতে পারবে সে তো মরেই গেলো।
-উনি বেঁচে থাকলেই বা কি করতো একা।
-এই চুপ
বৃদ্ধটা আমরা গলা ধরে বসলো।
-তুমি জানো চার্লস কে?
-জানি শুনেছি অরিক থেকে।রক্ত নিয়ে ঝগড়া হয় পরে বিশ হাজার ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার হামলা করে চার্লসকে মেরে ফেলো।
-তোমাকে যে বলেছে অর্ধেক ঘটনা বলেছে।
-মানে?
-চার্লসের সামনে বিশ কেনো বিশ কোটি আসলেও পারবে না।
-তাহলে সেদিন কি হয়েছে জানতে হলে তোমাকে শুরু থেকে জানতে হবে চার্লস কে কোথায় থেকে এসেছে।
-হুম বলুন...
-একশ বছর আগের ঘটনা। হঠাৎ একিদন ঝর্ণার সামনে একজন জ্ঞান অবস্থায় একটা লোককে পাওয়া যায়।বয়স ২৭-২৮ হবে।তখন ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারাই রাজত্বে ছিলো।এরপর
চলবে.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now