বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভ্যামফায়ার কিং part:7

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X #হরর_রহস্য_সিরিজ #ভ্যাম্পায়ার_কিং লেখক:শাহরিয়ার হাছান পর্ব ৭ জেলে বসে বসে রাব্বির সাথে কাঁটানো স্মৃতিগুলো স্মরণ করছিলাম।না জানি কয় ঘন্টা পার হলো।একসময় ওসি সাহেব ভিতরে ঢুকলো। -নীল সাহেব নিজের ছোট বেলার প্রাণ প্রিয় বন্ধুটাকে মারতে কষ্ট হয় নি। -রাব্বি কোথায়? -আর কোথায় মার্গের লাশের ভিড়ে। -আমি রাব্বিকে দেখতে চাই। -মারার সময় দেখো নি। -আমি বলেছি রাব্বিকে দেখতে চাই। -আস আমার সাথে। নিয়ে যাওয়া হলো মর্গে। -দেখে নে রাব্বিকে। দেখে বুঝার উপায় নি রাব্বি এটা।বুক চিড়ে সব বের করা নেওয়া হয়েছে।চোখদুটো নেই।ঘাড়ে দুটো ছিদ্র।পুরা মুখ বিবৃত।বুঝাই যাচ্ছে না এটা। -এটা রাব্বি হতেই পারে না। -ডি এন এ টেস্ট করা হয়েছে গেছে।এটা রাব্বির -হাসালে ডি এন এর রিপোর্ট আসতে দুই তিন দিন লাগে। -সেটা তোর জানার দরকার নাই। -কোথায় পেয়েছেন লাশটা? -এখানে পুলিশ আমি বুঝলি।চল জেলে। আবার জেলে নিয়ে আসা হলো।আজব তো আমার তো মনে হচ্ছে না রাব্বি। এইদিকে আমরা পরিবারের সব লোক এসে জড়ো হয়েছে।অনিশাও আসছে।আমার দেখা করার অনুমতি নিয়ে আসলো। -এই তুমি কাদছো কেন? -তুমি....... -চিন্তা করো না আমি জেল থেকে বের হবো। -কিন্তু তোমার বিরুদ্ধে তো খুনের দায়।আমি জানি তুমি করো নি।কিন্তু রাব্বিকে কে মারলো। -রাব্বি বেঁচে আছে।আমি সিউর।রাব্বির ঘাড়ে একটা তিল আছে যেটা লাশের ঘাড়ে দেখি নি।চিন্তা করো না আমি বের হবো দুই তিন দিনের মধ্যে।এরপর অনিশা বুঝিয়ে পাঠালাম আবার বাবা আসলো।আমাকে শান্তনা দিয়ে চলে গেলো।উকিল ঠিক করা হয়েছে। রাতে আবার ওসি সাহেব আসলো। -তো শিখার করবি কেনো মেরেছিস কিভাবে? -ওসি সাহেব নাটক বাদ দেন।আমি জানি রাব্বি বেঁচে আছি।আপনি কিছু একটা গেম খেলছেন আমাদের সাথে। -ওহ।তাই বুঝলে ভালো।পারলে জেল থেকে বের হয়ে দেখা। -সেটা দুই মিনিটের ব্যাপার। তবে আমি মাথা উঁচু করে বের হবো। -হুম দেখা যাবে। -রাব্বির কি করেছেন কেনো? -সে আমার সম্পর্কে এমন কিছু জেনে গেছে যা জানার অধিকার ওর ছিলো না। -গুড লাক ওসি সাহেব। ওসি সাহেব চলে গেলো।আমি ওসি সাহেবকে তিন বছর ধরে জানি।রাব্বিকে তো ছোট বেলা থেকে চিনি।কি রকম পরির্বতন হয়ে গেলো।মনে হচ্ছে অন্য কেউ।তার গভীর হচ্ছে।প্রায় সব পুলিশেই ঘুমিয়ে পড়েছে।জেলের ভিতর এপাশ ওপাশ ঘরছি। হঠাৎ জেলের ভিতর ছোট ছোট বাদুর আসতে লাগলো।বুঝতে বাকি রইলো না অরিক। -নীল তোমাকে কিছু বলার ছিলো। -ওসি সাহেব ভ্যাম্পায়ার হয়েছে তাই তো। -হ্যাঁ। কিন্তু সে ভ্যাম্পায়ার হয় নি।ওসি সাহেবকে মেরে ফেলছে একটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার। -কিহ।তাহলে ওনি কে? -আমি সব বলছি।গুহা থেকে সেদিন রাতে আরেকটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার আসে আমাকে ধরতে।সেটাই ওসি সাহেবকে মেরেছে। ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়াররা যে কারো রুপ নিতে পারে।ওসিকে মেরে তাঁর রুপ নিয়েছে। -ওহ।নো।তো এখন আামি কি করবো? -আমি তোমাকে সব খুলে বলি।কাল রাকে আমি বের হই সাথে সাথে রাব্বিও বের হয়।তখন একটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার ওকে ধরে নিয়ে যায়।আমি পিছু নিয়ে জানি কোথায় রেখেছে ওকে।আমার সাথে চলো একটু পরেই ওর রক্ত পান করবে।আমি একা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটাকে একা মারতে পারবো না। -কিন্তু আমি কিভাবে বের হবো। -আমি মকো ছোট ছোট বাদুর হবা। -কেমনে? -চেষ্টা করে দেখো। চেষ্টা করতেই পেরে গেলাম।ছোট একটা বাদুর হলাম।অরিকের সাথে দিলাম ওড়াল। সেই উত্তরেই গেলাম।সেই জঙ্গলের কাছে একটা বাড়িতে ঢুকলাম।ঢুকতেই রাব্বিকে বাঁধা অবস্থায় পেলাম।বাদুর থেকে ভ্যাম্পায়ার হয়ে রাব্বিকে মুক্ত করলাম।তখনেই ওসি রুপি ভ্যাম্পায়ারটা চলে আসলো।আর কি করার মারামারি শুরু।দুইজন মিলেও ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটার সাথে পারছিলাম না।মার খাচ্ছি।হঠাৎ ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা থেকে গেলো।কি হলো ওটার।ঘন ঘন বারোটা গুলির আওয়াজ পেলাম।ওসি রুপি ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা মারা গেলো।রাব্বি গুলি গুলো করেছে। -ভালো সুটার তো তুই। -নীল চল তাড়াতাড়ি না জানি আর কত ভ্যাম্পায়ার আছে। -অরিক আসল ওসি কোথায়? -উনি তো মারা গেছে। -লাশটা কোথায়। -এখানেই কোথায়ও থাকা উচিত। আশে পাশে খুজতেই পেয়ে গেলাম।লাশটা সহ চলে আসলাম।এরপর আবার জেলে চলে আসলাম। সকালে একটা ভৌতিক পরিবেশ সৃষ্টি হলো।ওসি লাশ পুলিশ স্টেশনে।আর মৃত রাব্বি জীবিত সবার সামনে।ভয়ানক কান্ড।আর জেলে রাব্বির খুনের দায়ে বসে আছি আমি।কিছুক্ষণ পর মুক্তি পেয়ে গেলাম।কারণ ওসির লাশটা রক্ত শূন্য সেটা তো আর আমি করি নাই।মানুষের কাজও না।আর যার খুনের জন্য ধরা হয়েছে সেই সবার সামনে। রাব্বি বলেছে সে নাকি উত্তরের সেই জঙ্গলটাকে ক্লুয়ের জন্য যায়।আে এই দিকে ভুল বুঝা বুঝি।আমার কি তাতে তবে খারাপ লাগলো আসল ওসি সাহেবের জন্য। তবে আমার কিছু প্রশ্ন আছে অরিকের কাছে।ওসিকে কিভাবে চিনলো আমাদেরর সাথের যোগাযোগ রাব্বি আবার আমায় রহস্যজনক।আজ রাতে জানতে হবে। অন্যদিকে অরিক সেই বাড়িটার ভিতরে ঢুকলো।ধিরে ধিরে রুপ পালটিয়ে ভয়ানক ভ্যাম্পায়ারের রুপ নিলো।তারপর আসল অরিকের মৃত দেহকে দেখে হাসতে লাগলো।ফাঁদে ফেলতে পেরে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা হাসছে চলবে.......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভ্যামফায়ার কিং part:7

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now