বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভ্যামফায়ার কিং part:2

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ২ এরপর উপরে নিজের রুমে চলে আসলাম।মাথাটা কাল থেকে অনেক ব্যাথা করছে সাথে চোখগুলোও কেমন জানি লাল হয়ে গেছে।আমার পিছু পিছু রাব্বিও রুমে আসলো।তারপর ও বললো- -কিরে তোর এই অবস্থা কিভাবে হলো? -আরে আমি কেমনে বলমু।রাতে ভালো লাগছিলো না ছাদে উঠি।এরপর সব খুলে বলি আমার সাথে কি কি হলো - তাহলে অনিশা পুরো ঘটনাটা নিজ চোখে দেখেছে -হুম।ওই বলেছিলো আমার পিছনে কিছু একটা।এরপর পরেই মনে হলো ঘাড়ে কিছু কামড় দিয়ে রক্ত চুসতে লাগলো। -মানে ভ্যাম্পায়ার? -ভ্যাম্পায়ার!মানে কি? -রক্ত খায় এরা।রক্তচোষা জীব আরকি -ওহ।যাই হোক আমার ভালো লাগছে নারে।তুই সব জেনে গেছিস তোর স্যারকে গিয়ে বল।আমার মাথাটা ব্যাথা করছে। -আচ্চা তুই রেস্ট নে আমি গেলাম।নিজের খেয়াল রাখিস। এভাবেই দুপুরটা পার করলাম।মাথা ব্যাথা একটু কমলো।আমি বাহির থেকে ঘুরে আসলে ভালো লাগতো।মায়ের কাছে গেলাম।গিয়ে বললাম- -মা একটু বাহিরে যদি যেতে দিতে? -তুই আবার বাহির বাহির করছিস।কালকের ঘটনায় শিক্ষা হয় নি তোর। -মা প্লিজ আধা ঘন্টার জন্য যেতে দেও।সন্ধ্যার আগেই চলে আসছো। অনেক বুঝিয়ে রাজি করলাম মাকে। এরপর আকাশকে কল দিয়ে ওর সাথে বের হলাম।মায়ের কড়া আদেশ একা বের হতে পারবো না।তাই আকাশকে সাথে নিতে হলো। -বন্ধু আমার মনে হয় না তোর এই সময় বের হওয়া ঠিক। -তুই শুরু করলি সেই রাত থেকে জ্ঞান নিতে নিতে আমি বিরক্ত চুপ চাপ হাঁট। একটু এগুতেই দেখলাম অনিশাকে।অারেকটু সামনে যেতে বুঝলাম দুই ছেলে ওকে টিজ করছে। -চলতো আকাশ।কত বড় সাহস অনিশাকে টিজ করছে। এরপর সামনে গিয়ে ছেলেগুলোকে বললাম,"এই যে ভাই কি সমস্যা "।ওরা কি আমায় ধাক্কা দিতে লাগলো।আমার শরীরে মনে হলে আগুন জ্বলছে।কেমন কেমন করছিলো।আর সহ্য করতে না পেরে দিলাম গুসি।মারামারি শুরু হয়ে গেলো।আকাশও আসলো।ছেলে দুইটাকে ইচ্ছা মতো মারলাম।তারপর অনিশাকে চলে আসলাম।অনিশা বললো- -মারামারি দরকার ছিলো নীল? -জানি না।আমার অনেক রাগ হচ্ছিলো।এরেই মাঝে আকাশ বলে উঠলো -দোস্ত তোরা যা আমার কাজ আছে। আকাশ চলে গেলো। এরপর অনিশা বললো,"আমার জায়গায় যদি অন্য কেউ থাকতো তাহলেও কি একেই কাজ করতে?" -তা জানি না।অন্য কেউ থাকলে হয়ত মারামারি করলাম না। -অনেক রাগ হয় বুঝি আমাকে নিয়ে কেউ কিছু বললে? -বুঝো যখন জিগাস করার কিছু আছে। এভাবে ওর সাথে কথা বলতে বাড়ির সামনে চলে আসলা।অনিশাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌছে দিয়ে বাসায় চলে গেলাম।রাতে ভাত খেতে মন চাচ্ছিলো না তবুও অনেক কষ্টে খেলাম।খেয়ে সোজা রুমে এসে সুয়ে পড়লাম।চোখ বন্ধ করলেই ওই দুটো ছেলের চেহারা ভেসে উঠছে।মনে হচ্ছে ওদের না মারা পর্যন্ত শান্তি পাবো না।অনেক কষ্টে ঘুমালাম। সকালে উঠে অন্যরকম লাগছে নিজেকে।মাথাও ব্যাথা বন্ধ হয়ে গেলো।অনেক শান্তি লাগছে মনে হচ্ছে বড় একটা ঝামেলা চলে গেছে।ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে নিলাম।বাবার বলে উঠলো -কাল রাতে দুই জনের মৃত দেহ পাওয়া গেছে।রক্ত শূন্য দুইটাই। -দেখি তো আব্বু ওদের ছবিটা। -খবরের কাগজে দুই জনের ছবি দেখে অবাক হলাম।আরে এই দুইজন সেই ছেলেগুরো যারা কাল টিজ করছিলো।যাক ভালোই হলো মরছে।মনে মনে ভাবলাম -কিরে এতো ভালো করে কি দেখচ্ছিস? -না কিছু না। রুমে চলে আসলাম।ফেসবুকে ঢুকলাম অনিশাকে লাইনে পেলাম।ওকে বললাম ওই দুইজন মারা গেছে।অনিশাও একটু খুশি হলো।এভাবে খুশিতে দুপুরটা পার হলো।বিকালে রাব্বি সাথে ওসি সাহেবও আসলো।ওনারা এখানে কেনো।আমি ওনাদের সামনেই আসতেই ওসি সাহেব বলা শুরু করলো- -কাল রাতে আপনি কোথায় ছিলেন? -এটা কেমন প্রশ্ন? আপনি তো ভালো করেই জানেন আমি অসুস্থ। রুমেই তো থাকবো। -কাল রাতে যে দুইজন মারা গেছে তাদের সাথে বিকেলে আপনার মারামারি হয়েছিলো। রাইট মিস্টার নীল? -হয়েছে কারণ ওরা অনিশাকে টিজ করছিলো।আপনি কি বলতে চান রাতে আমি গিয়ে ওই দুইজনের রক্ত চুসে চুসে খেয়েছি। -আমি তা বলছি না। -আপনার কথা তো সেটাই বুঝায়। -মিস্টার নীল আপনি এই কেসটার সাথে জড়িয়ে পড়েছেন।যতদিন না কেসটা শেষ হচ্ছে আপনি শহর ছেড়ে যেতে পারবেন না। এমনকি এলাকার বাহিরেও। -ওকে।যাবো না।আর আপনাকে বলে দিই বার বার আমার বাড়িতে আসবেন না।আমাদের একটা সম্মান আছে।দরকার হলে পুলিশ স্টেশনে ডাকবেন। -ওকে সামনে থেকে। দিনটা ভালো কাঁটুক। এরপর পর ওসি সাহেব চলে গেলো।রাব্বিও আমার ভয়ে চলে গেলো। রুমে চলে আসলাম।আমার নিজের উপর কেমন জানি সন্দেহ হচ্ছে।রাতে জ্বালা পোড়াটা সকালে শেষ হলো।রাতে ওই দুইজনকে মারার একটা ইচ্ছা আমার ভিতর ছিলো।সকালে শান্তি পেলাম পরে জানতে পারলাম ওরা মারে গেছে।কিছু তো হয়েছে আমার সাথে।সেই রাতের ঘটনার পর বের করতে হবে।শহরে কে খুন করছে। আর ওই দুইজনকে কে মেরেছে। চলবে........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দা রিটার্ন অফ ভ্যামফায়ার কিং part:2
→ ভ্যামফায়ার কিং part:2

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now