বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ১০
এরপর তাকে এডওয়ার্ড সুস্থ করে।কিন্তু দন দিন তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে।নিজের নামটাও বলতে পারতো না আর অনেক ভয় পেত।ওর সম্পর্কে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারা জানতো না।কিন্তু কয়িন পর ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারা অন্য রকম রক্তে গন্ধ পেতে থাকে।যা ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে আগে পায় নি।সেটা ছিলো চার্লসের রক্তের গন্ধ।শেষে এডওয়ার্ড ওর নাম দোয় চার্লস কারণ সে নিজের নামেই বলতে পারছিলো না।শুধু বলতো পৃথিবী আর গুহা।একদিন ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের হাতে ধরা খায় চার্লস।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার ওর ঘাড়ে কামড় বসিয়ে রক্ত খেতে থাকে।এডওয়ার্ড দেখে ওকে বাঁচায়। চার্লস তো পালিয়ে যায় কিন্তু এডওয়ার্ডকে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার গুলো মেরে ফেলে।সেই থেকে চার্লস পরিবর্তন হয়ে যায় ভ্যাম্পায়ার হয়ে যায়।এডওয়ার্ডকে নিজের বাবা ভাবতো সে।ধিরে ধিরে চার্লস বুঝতে পারে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যের নির্মমতা। ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের অত্যাচার।
-এরপর কি হয়?
-তারপর চার্লস নিজে একা যায়। একা সব ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের সাথে যুদ্ধ করে।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের রাজাকে সারা সামনে মেরে নিজে রাজার আসনে বসে।তখন আমাদের ভয়টা কেঁটে যায়।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের চাইলে সবাইকে সেদিন মারতে পারবো চার্লস কিন্তু মারে নি।ওদের রাজ্যে এক পাশে জায়গা দেয়।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার রাজার এক ভাই থাকে এলবার্ড। এরপর ওই ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়রদের লিডার হয়।রাজ্যের এক পাসে ওরা থাকতো।
-তাহলে চার্লস মরলো কিভাবে?
-বলছি-
এভাবে আরো কয়েক বছর কাঁটে।চার্লসের বন্ধু ছিলো রিক দুইজন গলায় গলায় বন্ধু।সেদিন রক্ত নিয়ে ঝগড়াটা হয়। তারপর রিকেই ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের সাহায্য করে মহলে ভিতরে আনে।সব গার্ডকে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার মেরে ফেলে।চার্লসকে ব্ল্যাক ভ্যাম্পয়াররা ছাদে পায়।চার্লসের সাথে রিকও ছিলো সেখানে।বিশ হাজার ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার আর চার্লস একা।চার্লস একটাই সবাইকে মারতে থাকে।
-তাহলে মরলো কিভাবে?
-সেদিন চার্লস ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের মারছিলো। কিন্তু রিক ধোকা দেয় চার্লসকে।চার্লস কে ধোকা দিয়ে মারে।এরপর শুরু হয় আবার ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের রাজ্য।তারপর জানতে পারে চার্লস উপরের দুনিয়া থেকে এসেছে কোনো এক গুহা দিয়ে।সে দুনিয়ার মানুষের রক্ত অনেক মিস্টি।তাই তো এখন পৃথিবীতে যাওয়ার প্রস্তুতি।
-ওহ।তার মানে চার্লস বীরের বীর ছিলো।ধোকা দিয়ে তাকে রিক মারে কিন্তু রিক এমনটা কেনো করে?
-কারণ সে এলবার্ডের মেয়ের প্রেমে পড়ে বুঝলে।
-ওহ।বুঝেছি।
-জানো চার্লসের মাথায় একটা চিহ্ন ছিলো।সে রাগলে সে চিহ্নটা মাথায় আসতো।তখন যেই আসতো পারতো না।
-আচ্চা আপনি এতো কিছু কিভাবে জানেন?
-কারণ এডওয়ার্ড আমার ভাই ছিলো।
-কিহ?
-হুম
আচ্চা ওদের হারাবো কিভাবে আমি তো একা?
-বেশি কিছু করতে হবে না শুধু ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার রাজাকে মারলেই চলবে।রাজ মহলে ঢুকতে হবে।
-কিভাবে?
-সেটা তোমার কাজ।উপরের দুনিয়ারটা তোমার আমার না।
-বৃদ্ধটা তো চলে গেলো এখন কি করি।
ধিরে ধিরে সব ভ্যাম্পয়াররা কোথায়ও চলে গেলো।আমি একা গেটের সামনে বসে রইলাম।উপরে থেকে কয়েক ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার মজা করতে লাগলো আমাকে নিয়ে। মাথাটা গেলো গরম হয়ে দিলাম গালি।ছয়টা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার ছিলো। নিচে থেকে আসলো আমাকে মারতে।আমিও মারামারি শুরু করলাম।রাগে বেশি শক্তি অনুভব করছি।একটা বুক এক টানে দুই ভাগ করে দিলাম।আরেকটার মাথা টান দিয়ে খুলে ফেললাম।বাকিগুলো যেহে নিলো দুই হাতে দুইটার পা নিয়ে গেটের মধ্যে ভাড়ি দিতে থাকি।গেটটা কেঁটে উঠলো।বাকি দুটো আমার দিকে কেমন করে তাকিয়ে ছিলো।দেরি না করে দ্রুত অনেকগুলো বাদুর হলাম আমি।উড়ে গিয়ে দুইওটার চার দিকে ঘুরে ঘুরে সব রক্ত খেয়ে নিলাম।
নিজের শক্তি বুঝতে পারলাম।আগে একটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারকে মারতে পারতাম না এখন ছয়টাকে সেকেন্ডে মেরে ফেললাম।সামনে থাকা গেটাতে গুসি দিতে থাকলাম।বিশাল বড় গেটটা ঠুস করে পড়ে গেলো।সমানে থাকা রাজ মহলে প্রবেশ করলাম।কয়েকটা গার্ড এগিয়ে আসলো মেরে ফেললাম।রাজ মহলে সবাই বুঝতে পেরেছে হামলা হয়ে গেছে।আমি লুকিয়ে পড়লাম।ধরা খেলে জামিন নাই।লুকিয়ে লুকিয়ে এগুতে লাগলাম।বিশাল বড় এক রাজ মহল।একটু দুরে যেতে একটা রুম থেকে আওয়াজ পেলাম।ভিতরে উঁকি দিয়ে দেখি সেই ভ্যাম্পায়ারটা যেটা রাব্বি আর অরিককে মেরেছে।বাদুরের রুপ নিয়ে ভ্যাম্পায়ারটাকে ঘিরে ফেললাম।ও কিছুই বুছকে পারছিলো না।
-কে তুই?
আমি নিজের ভ্যাম্পায়ার রুপ নিয়ে ওর সামনে আসলাম
-নীল!!!
আর দেরি না করে ওকে কিছু না বলার সুযোগ দিয়ে এক টানে ঘাড় থেকে মাথাটা আলাদা করে দিলাম।
এরপর মাথাটা রশি দিয়ে উপরে ঝুলিয়ে রখলাম।গাল থেকে পড়া রক্ত গুলো দিয়ে দেওয়ালে লিখলাম প্রতিশোধ।এরপরের শিকার এলবার্ড।লিখে বাদুর রুপ নিয়ে চলে গেলাম।ঝর্ণার সামনে এসে বসে রইলাম।শান্তি বন্ধুর খুনের প্রতিশোধটা নিতে পারলাম।
অন্যদিকে রাজ মহলে-এলবার্ড কাঁটা গলা আর দেওয়ালের লিখাটা দেখে ভয় পেয়ে গেলো।এই ভ্যাম্পায়ারটাই তো দুনিয়ায় যাওয়ার পথটা বলে রিক তাই না
-জি।
তারপর মানে পৃথিবী থেকে মানুষ ভ্যাম্পায়ার এসেছে এখানে ওকে মেরেছে পৃথিবীতে যাবার পথ বলার কারণে।
-আপনার সাবধান থাকতে হবে মনে হয় না সে কোনো সাধারণ ভ্যাম্পায়ার বারোটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারের মৃত দেহ পেয়েছি বাহিরে।বুঝতেই পারছে কত শক্তিশালী।
-পূজার ব্যবস্থা কাল করো রিক।কালকেই পৃথিবীতে হামলা হবে দেখিতে আমাকে কে আঁটকায়।
-ওকে
হঠাৎ দূর থেকে ঘোষণার আওয়াজ শুনলাম।দ্রুত সামনে গিয়ে শুনতে পেলাম।কালকেই পূজা হবে।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার দেবতার পূজা।অনেকগুলো ভ্যাম্পায়ার ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।ওদের বলি দেওয়া হবে।প্রায় একশতটা নিয়ে গেলো।নতুন করে আরেকটা গেট লাগানো হলো।যা করার কালের মধ্যে করতে হবে আমার।
চলবে.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now