বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-- আই লাভ ইউ ইরি ( শাকিল)
,
--তোর তো সাহস কম না, তোর মতো ফকিরের বাচ্চা আমারে প্রপোজ করিস।
আমার একদিনের খরচে তোর ফ্যামিলি এক মাস চলবে, আর তুই আমাকে প্রপোজ করিস, ভাঙ্গা ঘরে থেকে ধনি হবার স্বপ্ন দেখিস ( এক দমে কিথাগুলো বললো, ইরি)
.
-- আমি জানি তুমি অনেক ধনি, তোমার বাবার অনেক টাকা, বিস্বাস করো আমি তোমার বাবার ধন সম্পদ কিচ্ছু চাইনা, আমি সুধু তোমাকে চাই,। ( শাকিল)
.
-- ফকিরের বাচ্চা, আমি তোর মুখটাও দেখতে চাইনা, তুই আমার সামনে থেকে চলে যা (ইরি)
.
-- আমি গরিব বলে তুমি আমার ভালোবাসা প্রত্ত্যাক্ষান করছো। আমি তো তোমার টাকা চাচ্ছি না,আমি সুধু তোমার ভালোবাসা চাচ্ছি। (শাকিল)
.
-- ফকিরের বাচ্চা তোর সাহস তো কম না, আমার সাথে তর্ক করিস, ( কথাটা বলেই পা থেকে জুতা খুলে শাকিলের গালে মারতে লাগলো ইরি)
,
.
(এসব দৃশ্য দেখে শাকিলের বন্ধু সিয়াম দৌড়ে আসলো)
.
-- প্লিজ ইরি ওকে ছেড়ে দাও আর মেরো না, আমি ওকে নিয়ে চলে যাচ্ছি। ( সিয়াম)
.
.
-- ওকে নিয়ে যা,আর কোনোদিন যদি ও আমার পিছনে লাগে তাহলে ওই ফকিরের বাচ্চারে এই ভার্সিটি থেকে বের করে দিমু। (ইরি)
.
সিয়াম শাকিলকে নিয়ে চলে গেলো।
.
-- তোকে না কতবার বলেছি ইরি বড়লোকের মেয়ে ওকে ভালোবাসতে যাস না,। বড়লোকের মেয়েদের কখোনো মন থাকে না,সুধু তারা টাকা চিনে আজ যদি তোর টাকা থাকতো তাহলে তোর সাথে সে এমনিতেই প্রেম করতো। (সিয়াম)
.
-- কি করব দোস্ত, আমি তো ইরির টাকা দেখে ভালোবাসিনি,,আমি তো তাকে মন থেকে ভালোবেসেছি। ( শাকিল)
.
-- তোর ভালোবাসা কবর দে। (সিয়াম)
.
-- তুই যত কথাই বলিস আমি পারবোনা। ( কথাটা বলেই চলে গেলো শাকিল)
.
.
শাকিল হচ্ছে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, তার বাবা নেই,শুধু তার বোন আর মা আছে। টিউশানি করে কোনোমতে সংসার চালায়। আর সিয়াম হচ্ছে তার বন্ধু তারা একই ডিপার্টমেন্টে পড়ে।
অন্যদিকে" ইরি" হলো এই শহরের সবচেয়ে বড়লোক রায়হান চৌধুরির মেয়ে।
.
.
.
শাকিল মোটামুটি ছাত্র হিসেবে ভালো, যার কারনে ভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে।
প্রথম যেদিন সে ভার্সিটিতে যায়, কেনো যেনো তার জিন্স প্যান্ট পড়া একটা মেয়েকে ভালো লেগে যায়।
.
মেয়েটা মনেরদিক থেকে তেমন একটা ভালো না, বড়লোকের মেয়ে তো, তাই গরিবদের পাত্তা দেয় না,।
.
ভার্সিটির মধ্যে সবচেয়ে গরিব হচ্ছে শাকিল আর সিয়াম,তাদের অন্য কোনো বন্ধু জুটে না।
তাই তারা দুজন একসাথেই থাকে, ।
.
.
যাইহোক, প্রথম বর্ষ সে সুধু ইরিকে দেখেই কাটিয়ে দেয়,
দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম দিকে, হ্যা, এইতো কিছুক্ষন আগে প্রপোজ করলো।
আর তার জবাবটা ইরি ভালোভাবেই দিয়ে দিলো।
.
.
শাকিল, ইরির এরকম ব্যবহারে একটু কষ্টই পেয়েছে, ।
সে তো তার কাছে তেমন কিছুই চায়নি, সুধু একটু ভালবাসা চেয়েছিলো।
.
.
তাই কিছুদিন সে ভার্সিটিতে যায়না,।
বেস কয়েকদিন পর সিয়াম এসে শাকিলকে নিয়ে ভার্সিটিতে যায়।
.
.
কিন্তু শাকিল ইরিকে দেখে আবারো পাগলামি শুরু করে,।
সবসময় সুধু ইরির দিকে তাকিয়ে থাকে, কিন্তু ইরি তার বড়লোক বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে থাকে। শাকিলের মতো গরিবের দিকে একবার তাকানোর সময়ও হয়না তার।
.
আর অন্যদিকে শাকিল সুধু ইরিকে নিয়েই ভাবতে থাকে।
সে একটা চিঠি লিখে।
তারপর ইরির বইয়ের মধ্যে রেখে দেয়।
.
ইরি চিঠিটা দেখে, চিঠিটা দেখে।
দেখারপর সে সেই চিঠিটা তার বাবাকে দেয়।
ইরির বাবা অনেক রাগ করেন শাকিলের উপর, এবং কিছু গুন্ডা ভাড়া করেন শাকিলকে মারার জন্য।
.
গুন্ডা গুলো শাকিলকে অনেক মারে, মারতে মারতে হাত পা ভেঙ্গে দেয়।
.
শাকিলকে রাস্তার পাসে পড়ে থাকতে দেখে লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়,।
খবর পেয়ে শাকিলের বন্ধু সিয়াম, এবং তার মা,বোন হাসপাতালে চলে যায়।
.
শাকিলের মা এই অবস্থা দেখে অনেক কান্নাকাটি করে।
শাকিলের হাত পা ভেঙ্গে গেছে।
শাকিলের পরিবারকে কে দেখবে??
শাকিল ছাড়া তাদের উপার্জন করার আর কেউ নেই।
তাদের সংসার চলবে কি করে?
তার বোনের লেখাপড়ার খরচ চালাবে কে?
.
.
শাকিলের মায়ের কান্না দেখে, সিয়াম তার অনেকদিনের জমানো টাকা দিয়ে শাকিলকে সুস্থ করে তুলে।
.
শাকিল পুনরায় ভার্সিটি যাওয়া শুরু করে।
.
ইরিকে দেখে সে ডাক দেয়,
আচ্ছা ইরি, আমি তোমাকে ভালোবাসি এইটা আমার অপরাধ, যার কারনে তুমি গুন্ডা পাঠিয়ে আমার হাত পা ভেঙ্গে দিয়েছিলে,।
আমি কথা দিলাম আর তোমার কাছে আসবো না,ভালোবাসার দাবি নিয়ে। আমি তোমাকে মনে মনে ভালোবেসে যাবো,যা তুমাকে জানতেও দিবোনা।
ভালো থেকো তুমি ( কথাটা বলেই চলে গেলো শাকিল।)
.
শাকিলের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে ইরি।
আর মনে মনে ভাবতেছে,সে অনেক খারাপ কাজ করেছে শাকিলকে মেরে, এটা করা তার ঠিক হয়নি।
..
শাকিলকে এত মারার পড়েও সে তাকে ভালোবাসে,।
সে সত্যিই আমাকে ভালোবাসে।
ইরি আসতে আসতে শাকিলের প্রেমে পড়ে যায়।
তাকে ভালোবাসতে শুরু করে।
.
একদিন শাকিলকে জানায় তার ভালোবাসার কথা।
শাকিলও হ্যা বলে দেয়।
.
এই কথাগুলো ইরির বাবা শুনতে পারে,।
সে আবারো গুন্ডা ভাড়া করে শাকিলকে খুন করার জন্য।
.
কয়েকদিন পর শাকিলের লাশ পড়ে থাকে রাস্তার পাসে।
শাকিলের মা এরকম অবস্থা দেখে হার্ট এটাক করে মারা যায়।
.
আর অন্যদিকে ইরিকে বিয়ে দিয়ে দেয়। ইরি সব ভুলে গিয়ে তার জিবনকে নতুন করে সাজায়
.
সুধু মাত্র ধনির মেয়েকে ভালোবাসার জন্য জিবন দিতে হলো শাকিলকে।
তারা খুন করে দিলো শাকিলের নিষ্পাপ ভালোবাসাকে,।
.
আসলে ধনির মেয়েদের ভালোবাসা ভুল। জিবনের সবচেয়ে বড় ভুল
.
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now