বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এ জিবন রেখে কি লাভ। আমি আর বাঁচতে চাই না। না না আমার মরে যাওয়াই ভালো। পৃথিবীতে যার কেউ নাই তার একা একা বেঁচে থেকে কি লাভ।
ভাবছেন আজেবাজে এত সব কি বলছি....
হুম একটু পরেই আপনি বলবেন হুম তোমার মরে যাওয়া উচিত।
আমি নিলয় রাজ সরকার আর যাকে নিয়ে লিখছি তার নাম রুপমা চৌধুরী.....
আমাকে ভালোবাসে না কিন্তু তাতে কি আমি তো তাকেই ভালোবাসি, একদিন ঠিক বাসবে...
এই নিলয় তোমাকে না একটা কথা বলার ছিল!
আমিঃ- হুম বল।
রুপমাঃ- না কি ভাবে যে বলি...
আমিঃ- কি কথা.... ( মনে হয় কাজ হবে, আমি প্রথম দেখাই ফিদা ছিলাম।)
রুপমা :- আসলে কোন দিন কাউকে এভাবে বলতে হবে ভাবি নি। চলো কেন্ট্রিনে যাই।
এদিকে আমি ভাবছি যাইহোক আমার মনের কথা আজ মনে হয় সেই বলে দিবে, আমি প্রথম থেকেই রুপমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। বলব বলব করে সাহস পাইনি... খুবই ভালো ছাত্রী কিনা।
আমি:- হুম চলো। কি খাবে বলো....
রুপমা :- না খাবো না,
আমি:- কি জানি বলতে পাইছো?
রুপমা:- হুম। না থাক আমার দ্বারা হবে না।
আমি:- কি কও হবে...
রুপমা:- কি হবে?
আমি:- তুমি পারবে... বল না কি বলতে চাও।
রুপমা:- নিলয় তুমি তো জানোই আমার কোন ভালো বন্ধু নাই। তাছারাও আমাদের ডিপার্টমেন্ট মিলে এই আমারা দুজনেই মেয়ে আমি আর নুসরাত।
আমি:- হুম।
রুপমা:- আমি যে তোমাকে বলবো ভাবতে পারি নাই। নুসরাত কে বললাম সেই তোমার কথা বলল।
(আমি ততক্ষণে বুঝে গেছি সে কি বলতে চায় আমাকে।)
রুপমা:- তুমি নাকি ইউটিউবে কাজ করো। এই বাইকটা নাকি তোমার নিজের টাকাই কেনা।
আমি:- প্লিজ থামো। তোমার কত লাগবে বলো।
রুপমা:- এমন করে বলছো কেন, আমি তো দিয়ে দিবো। নুসরাত বলছিল যে তোমার কাছে সবাই ধার নিয়ে আর দেয়না বলে তুমি কাউকে টাকা দিয়ে বিশ্বাস করো না।
আমি:- হুম। কিন্তু তোমায় দিব।
(তোমায় যে ভালোবেসেছি রুপা)
রুপমা:- সৎতি
আমি:- হুম, কত লাগবে।
রুপমা:- পনেরো হাজার, কালকে জমা দেওয়ার লাস্ট ডেট। জানো দাদাই আমাকে টাকা দেয় কিন্তু এই মাসে ওর চাকরিটা গেছে।।।
আমি:- আসো।
রুপমা:- কোথায়?
আমি:- এতক্ষনে তোমার জন্য কোন বাস দ্বারিয়ে নাই যে তোমাকে নামিয়ে দিবে।
রুপমা:- এমা ক্যাম্পাস তো পুরোই ফাকা।
আমি:- চলো তোমাকে নামিয়ে দেই....
এই ভাবে আমাদের বন্ধুত্ব শুরু হলো। আমিও তাকে অনেক ভালো বাসতে শুরু করলাম।
দেখতে দেখতে কখন যে দুই বছর পার হলো বুঝতেই পারলাম না
পরিক্ষা শেষ তাই সবাই নিজেদের বাসা চলে গেছে... কেমন যেন ফাকা ফাকা লাগছে। আমি অবশ্য কাজের কারনে বাসা যেতে পারিনাই। আজ দু-দিন হলো রুপমার কোন খবর নাই একটা এসএমএস ও দেওয়ার নাম নেই।। ভাবছি ক্লাস শুরু হলে রুপমাকে প্রপোজ করবোই
নুসরাতকে বললাম। নুসরাত বলল ওই যে মেয়ে পড়াশুনা ছাড়া কিছুই করে না, দেখ বন্ধুত্ব টা আবার হারাস না। আমি বললাম তুই শুধু একটু আমার ফেভারে থাকিস হুম।
আজ ক্লাস শুরু হয়েছে কিন্তু রুপমা আসলোনা....
হঠাৎ সন্ধা বেলা রুপমার দাদা আমাকে ফোন দিল। রুপমাদের বাসা অনেকবার গেছিলাম তাই খুবই ঘনিষ্ট।
আমি:- দাদা নমস্কার।
দাদা:- নিলয় রুপমা খুব অসুস্থ মেডিকেলে রক্ত লাগবে।
আমি:- দাদা আমি আসতেছি। আমার রক্তের সাথে রুপমার রক্ত মিল আছে।
রক্ত দেবার পর দাদাকে বললাম কি হইছে দাদা।
দাদা:- তুমি সাগর কে চেন না।
আমি:- হুম ওনি তো এখন ঢাকায়।
দাদা:- হুম, কি যে করছে, কালকে ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কাটছে পরে কাউন্টার মাস্টার আমাকে বলল। আর তারপর হাত কাটছে মরার জন্য।
আজ দুই দিন পর জ্ঞান ফিরল রুপমার। আমাকে দেখে বলল তুমি?
আমি:- হুম। কেন সমস্যা?
রুপমা:- আমার একটা উপকার করবে!
আমি:- হুম বলো।
---খানিক বিশ এনে দিবে।
--- মানে কি?
---আমি সাগরকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না।
---তুমি কি মরে গেলে পাবে তাকে।
---তাহলে?
---একটা কাজ কর।
--- কি কাজ?
---এখন ভলো হয়ে যা, আমি নিজে সাগরের কাছে নিয়ে যাবো তোকে।
---কিন্তু কিভাবে?
---তোমার ফ্যামিলির সবাই আমাকে অনেক বিশ্বাস করে, সেই সুবাদে তোমাকে নিয়ে ঘুরতে গিয়ে নিয়ে আসবো ওকে।
---ওকে তোমায় বিশ্বাস করলাম।
---একটা বার করেই দেখনা।মরে গেলে তো সুযোগ পাবে না।
---ওকে, করলাম
আজ সেই দিন যে আমি নিজের ভালোবাসার মানুষকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে আসলাম। আর এখন বুঝলাম আমার নিজেরেই মরে যাওয়া উচিৎ......
Thanks ????
For Reading My History.
ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু...
আপনার একটা কমেন্টে আমার লেখার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now