বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসার গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahamul Haque (০ পয়েন্ট)

X -ভাইয়া আসুন না প্লিজ ! . মেয়েটা এত কেন ডিস্ট্রাব করছে বুঝতে পারছিনা। আমি ম্যাসেজ টা সিন করে রেখে দিলাম,কোন রিপ্লাই দিলাম না। একবার ভাবলাম ফেসবুক থেকে বেড়িয়ে যাই। যখনি নেট কানেকশন টা অফ করব তখনি ম্যাসেঞ্জার টোন টা আবার বেজে উঠল। . ঐ একি মেয়ের ম্যাসেজ, -ভাইয়া প্লিজ প্লিজ প্লিজ,,, . ভেবেছিলাম বাড়ি এসে ঈদ এর ছুটি টা একটু শান্তিতে কাটাব কিন্তু মনে হয় না আর সেটা হবে ! কেন যে সেদিন স্ট্যাটাস দিলাম, বাসা যাচ্ছি বিক্রমপুর।তখন থেকেই এই মেয়ে জালাচ্ছে।ওর ও বাসা বিক্রমপুর তাই ও চাচ্ছে যেন ওর সাথে দেখা করি। . আমি রিপ্লাই দিলাম, -তোমার বাসা কোথায়? -নিমতলা, -আমি নিমতলা থেকে অনেক দূরে থাকি। -সমস্যা নেই ভাইয়া ! আপনি বিক্রমপুরের যেখানেই বলবেন আমি সেখানেই যাব, . ভালই সমস্যা হয়ে গেল এই মেয়েকে নিয়ে।আমি ভারচুয়াল লাইফ আর রিয়েল লাইফ সব সময় আলাদা রাখার চেষ্টা করি কিন্তু এই মেয়েটা তো ছাড়ছেই না।কি পেল এই মেয়ে আমার মাঝে কে জানে? শুধু একটু লেখা লেখি করি জাস্ট!! . -দেখা কি করতেই হবে,, -প্লিজ ভাইয়া,পাচ মিনিটের জন্য শুধু। আমি আপনার অনেক বড় ফ্যান। -আমি আসলে ভার্চুয়াল লাইফ থেকে রিয়েল লাইফে খুব আলাদা। -সমস্যা নেই ভাইয়া শুধু ৫ মিনিট। -আচ্ছা,,, -কোথায় আসব বলুন? -রোকেয়া ইউনিভার্সিটি র সামনের খেয়া পার্কে আসতে পারবে? -হুম পারব। -তুমি কি চেন এটা? -হুম,আমি রোকেয়াতেই পড়ি। -ও আচ্ছা।তোমাকে চিনব কিভাবে? -আমাকে চিনতে হবে না,, আমি আপনাকে চিনে নিব ! -কিভাবে?আমাকে তো কখনো দেখনি। -সমস্যা নেই।এটা আমার নাম্বার ০১৭১..........।কাল যোগাযোগ করলেই আপনাকে চিনে ফেলব। -আচ্ছা। -ঈদ মোবারক ভাইয়া, তাহলে কাল বিকেল চারটায় দেখা হচ্ছে। -হুম।শুভরাত্রি। -শুভরাত্রি ভাইয়া। . এটুকু বলেই মেয়েটা অফলাইন এ চলে গেল।অনেক ক্ষন মেয়ে মেয়ে করলাম কিন্তু মেয়েটার একটা সুন্দর নাম আছে তা হল ওরশী।আমার মনে হল ওরশীর আইডিটা একটু ঢু মারা দরকার তাই একটু দেখতে লাগলাম। আইডির লাস্ট পোস্ট ঘন্টা খানেক আগে দেওয়া, - "নীল শাড়ি আর নীল জামা দুটোই নেয়া শেষ, এখন শুধু পড়ে তাকে দেখানোর পালা,আর জিজ্ঞেস করব তাকে, কেমন লাগছে আমাকে?" . সম্ভবত ওর বয়ফ্রেন্ড কে উদ্দেশ্য করে লেখা, যদি ওর বয়ফ্রেন্ড থেকেই থাকে তবে আমার সাথে দেখা করার কি দরকার বুঝলাম না,বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ঘোরাঘুরি করলেই হত। আমি মেয়েটার ছবি খুজতে লাগলাম, আইডিতে মাত্র একটা ছবি দেওয়া সেটাও আবার অন্যরকম, একটা চেহারা দেওয়া সেটার শুধু চোখ দেখা যাচ্ছে আর বাকী অংশ সব হাত দিয়ে ঢাকা। . আমি আর কিছু না করে ফেসবুক থেকে বের হয়ে এলাম।ওরশী সাথে দেখা না করলে ব্যাপারটা ভাল দেখাত না? এক সপ্তাহ আগে যখন ওরশী যাওয়ার স্ট্যাটাস দিলাম তখনই ওরশী ইনবক্স করেছিল, -আপনার বাসা বিক্রমপুরের কোথায়? -ইমামগন্জ।কেন বলুন তো? -আমার বাসাও বিক্রমপুরে। -ও আচ্ছা। -কবে আসবেন। -২৭ শে রমজানে -আসলে বলবেন দেখা করব। -আচ্ছা,,দেখা হবে। . তারপরের দিন থেকে ওরশী ম্যাসেজ আসা শুরু শুরু,রোজ বলা শুরু করল, -ভাইয়া দেখা করবেন না? -হুম,আগে গ্রামের যাই তারপর, তবে আজ আর ওরশীকে নিরাশ করতে ইচ্ছা করল না,তাই হ্যা বললাম। দেখা করলে আর কি বা ক্ষতি হবে। এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরলাম। . ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরী হল।ঈদের পরের দিন তাই ব্যাস্ততাও কম। এমনিতেই ঘোরা ফেরা কম করি তাই বিকেল পর্যন্ত বসেই কাটালাম। তিনটার দিকে একবার ওরশীকে ফোন দিলাম, -হ্য়ালো,ওরশী -কে বলছেন? -আমি, -আমি কে? -আজ আমাদের দেখা করার ছিল ! -ও ভাইয়া। -হুম,তুমি কি আসতেছ? -জি ভাইয়া,,চারটার মধ্য পৌছে যাব। -আচ্ছা,আসো। -হুম। -রাখি। . এক হিসেবে ভালই হল ঘরে বসে পুরো বিকেল টা বোরিং কাটত। এখন ওর সাথে কথাও হবে আবার একটু ঘোরাঘুরিও হবে। বন্ধু গুলোকে ডেকেছিলাম কিন্তু কারোর সময় নেই, সবাই নিজেদের ভালবাসা নিয়ে ব্যাস্ত। . পার্কে পৌছে গেলাম সাড়ে তিনটার দিকে,ইউনিভারসিটিতে একটু হাটাহাটি করে পার্কে গিয়ে বসলাম। আমি ভেবেছিলাম ওরশী অনেক আগেই আসবে,যতটা ওর ইচ্ছা দেখেছিলাম দেখা করার ! কিন্তু তা হয়নি ! . প্রায় চারটা বাজতে চলল,এখনও ওরশী নেই।আসবেনা নাকি ! একবার ফোন দিয়ে কি দেখব। অপেক্ষা করতে বিরক্ত লাগছিল তাই আবার কল দিলাম, -হ্যালো ওরশী, -জি ভাইয়া, -তুমি কোথায়,, -এইতো পৌছে গেছি, -আচ্ছা,,আসো। . পার্ক টা একটু ছোটই , কে ঢুকল সেটা দেখা যাচ্ছে।অনেক মেয়েই ভেতরে আসছে কিন্তু ওরশী কোন টা সেটা আন্দাজ করা যাচ্ছেনা। হঠাৎ আমার মোবাইল টা বেজে উঠল,ওরশীর কল, -হ্যালো ভাইয়া, -হুম, -আপনি কি ভিতরে, -হুম,তুমি কোথায়? -আমি ঢুকতেছি,আপনাকে চিনব কিভাবে? -আচ্ছা,, তোমার জামার রং কি বল? -নীল,, -আচ্ছা, আসো ভিতরে আমি চিনে নিব। -আচ্ছা,,ভাইয়া। . আমার ও মনে হচ্ছিল যে ওরশী নীল কালারের কিছু পরে আসবে।আমি পার্কের গেট এ দেখতে লাগলাম নীল কিছু পড়ে কেউ আসে কি না? দুই মিনিট এর মত তাকিয়ে থাকলাম , কেউ আসল না তারপর আর ইচ্ছে করল না তাকিয়ে থাকার।সামনে একটা বাচ্চা ঘোরাঘুরি করছিল সেটার দিকে মনোযোগ দিলাম। . -আমি বসব এখানে। . হঠাৎ কোন মেয়েলি গলার আওয়াজ কানে এল।আমি মুখ ঘুরিয়ে তাকালাম,নীল শাড়ি পড়া এক সুন্দরী তরুনী।খালি সুন্দরী না অসম্ভব সুন্দরী। নীল কালার পড়ার কারণে অসম্ভব টা যুক্ত হয়েছে।মেয়েটা কি জানে নীল কিছুর উপর আমার কঠিন রকমের দূর্বলতা আছে। -জী,অবশ্যই। -ধন্যবাদ। . এটা ওরশী তা বুঝতে সময় লাগল না। কিন্তু ও চিনল কি করে আমাকে,এটা জিজ্ঞেস করা দরকার, -ওরশী -চিনেছেন তাহলে, -হুম,কিন্তু তুমি কি করে চিনলে আমাকে? তুমি বলে ফেললাম,, জিনিষটা আমার কাছে দৃষ্টি কটু লাগল। ফেসবুকে কথা বলার সময় ভাবিনি এত বড় মেয়ে, অবশ্য ভুল টা আমারই সম্মান ২য় বর্ষের মেয়ে কখনোই ছোট নয়। . ওরশী উত্তরে বলল, -চশমার কারণে,আমি জানি আপনি চশমা পড়েন। -চশমা তো অনেকেই পড়ে। -হুম,কিন্তু আশে পাশে কেউ ছিলনা,তাই ভেবে নিলাম আপনি হবেন। -ও আচ্ছা। . আমি কথা বলার আর টপিক্স পেলাম না। একটু পর বললাম, -কিছু খাবেন আপনি? এবার আপনি করেই বললাম।এত বড় মেয়েকে তুমি করে বলা মোটেই উচিত নয়। -না ভাইয়া,ওরশী মুখে ভাইয়া ডাকটা শুনে একটু অসস্তি হতে লাগল। মেয়েটার অল্প সল্প প্রেমে যে পড়িনি তা নয়। . -তুমি আমাকে নাম ধরে ডাকতে পারওরশী ! -আপনি ও আমাকে তুমি করে বলতে পারেন ! -আচ্ছা, -কি আচ্ছা? -কিছু খাবে? -কি খাওয়াবেন? -ফুচকা, -আচ্ছা ! . এই প্রথম কোন মেয়েকে নিয়ে ফুচকা খাওয়াচ্ছি। একটু কম দামী খাবার হয়ে গেল কিনা বুঝতে পারছি না! . খাওয়া শেষে আমরা ওরশীর ক্যাম্পাসে হাটতে লাগলাম,হালকা কথা হচ্ছিল ওর ফ্যামিলি নিয়ে। এক সময় ও আমাকে অবাক করে দিয়ে জিজ্ঞেস করল, -আমাকে কেমন লাগছে? . ওর প্রশ্ন টা শুনে আমি ওর দিকে তাকালাম,দারূন লাগছে ওকে। ও কি কাল রাত্রের স্টাট্যাস টা আমাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছে। না তা কেন হবে। ও তো শিউর ও ছিলনা যে আমি আসব কিনা? . ও আবার বলল, -বলেন? -হুম,খুব সুন্দর লাগছে। -নীল শাড়িতে আমাকে মানিয়েছে তাই না, -হুম চমৎকার মানিয়েছে। -আপনার প্রিয় রং নীল তাই না, . আমি আবার অবাক হলাম ওরশীর কথায়, আমার প্রিয় রং নীল বলেই কি ও নীল শাড়ি পড়ে এসেছে। . আমি বললাম, -হুম নীল কিন্তু তুমি কি ভাবে জানলে? -আপনার গল্পের সব নায়িকাই তো নীল পড়ে তাই, -ও আচ্ছা।তোমার পছন্দের রং কি? -আপনার যেটা, -মানে -নীল, -ও আচ্ছা। . আরো কিছুক্ষন হাটাহাটি করতে সন্ধ্যা হয়ে এল। ওরশী বলল, -আমি যাই তাহলে, -এত তাড়াতাড়ি, কথা বলে মনে হল ভুল করে ফেললাম।এসব কথায় নিজের দূর্বলতা প্রকাশ পায়। . ওরশী কথাটা শুনে হাসল,হাসতে হাসতে বলল, -একটু পর মাগরীবের আযান দিবে,আর আপনি তো জানেন আমার বাসা অনেক দূরে ! -হুম, -চলুন যাওয়া যাক ! -হুম,, . আমরা মোড়ে আসলাম এখান থেকেই রিকশা নিতে হবে।রিকশা ঠিক হতেই ওরশী উঠে পড়ল,আমি বললাম, -এগিয়ে দেব কিছুদূর? -সময় থাকলে আসুন। . আমি দেরী না করে রিকশায় উঠে পড়লাম।অদ্ভুত ব্যাপার এত দ্রুত কেউ কারো প্রেমে যায় কিভাবে ভেবে পেলাম না,এটাতো গল্পেও সম্ভব নয়। . রিকশায় উঠে দুজনেই নিরব হয়ে গেলাম,কেউ খুব একটা কথা বললাম না ওরশীর বাড়ি আসা পর্যন্ত।আমি অনেক আগেই আগেই নামব নামব করলেও নামতে পারিনি,কি যেন আটকাচ্ছিল বারবার। . মাঝখানে অবশ্য ওরশী একবার বলল, -নামবেন না? -তোমার অসুবিধা হচ্ছে, -অসুবিধা হবে কেন ভাল লাগছে। -কালকের স্টাট্যাস টা কি আমাকে উদ্দেশ্য করে লেখা? -আপনি পড়েছেন! -হুম, -আপনি এই ভাবে মেয়েদের আইডি খুজে বেরান, -সব মেয়ের না তো, -আমি কি স্পেশাল ! -হুম, -কিভাবে? -তোমার সাথে দেখাও করলাম, আবার তোমাকে তোমার বাসাও পৌছে দিচ্ছি। . ওরশী আমার কথা শুনে শুধু হাসল,কিছুই বলল না। তারপর আর কোন কথা হয়নি। একটু পর ও আবার বলল, -যদি আপনি আমার এখানে দেখা করতে আসতেন,তবে আমরা আরো বেশিক্ষন এক সাথে সময় কাটাতে পারতাম। -হুম,,এখন থেকে তোমার এখানেই আসব। -আবার দেখা করবেন? . আমি উত্তরে কিছুই বললাম না। . নিমতলার একটা দোতলা বাসার সামনে রিকশাকে থামতে বলল ওরশী। রিকশা থামতেই ও নেমে গেল।রিকশা থেকে নেমে ও কিছুই বলল না,আমি ভেবেছিলাম ও অনেক কিছুই বলবে। আমি ওকে বাই বলে রিকশা ঘোরাতে বললাম,একটু যেতেই আমার মোবাইল বেজে উঠল,বের করে দেখি ওরশী,, -হ্যালো, -বাই বলিনি দেখে রাগ করেছ। ওরশী এই প্রথম আমাকে তুমি করে বলছে। . আমি বললাম, -না তো, -পিছনে ঘুরো, -কেন? -ঘুরোই না, . আমি পিছনে ঘুরলাম,ওরশী হাত দিয়ে টা টা দিচ্ছে,অল্প আলোতেও ব্যাপার টা দেখা যাচ্ছে।আমিও হাতের ইশারা করলাম।। . -আচ্ছা,,যাও তাহলে। -হুম। -রাত্রে কথা হবে। -আচ্ছা ,, . আমি এখনো পিছনেই তাকিয়ে আছি, ওরশীকে দেখা যাচ্ছেনা তবুও মনে হচ্ছে ওরশী এখনো ওখানেই দাড়িয়ে আছে। ভাবতেই ভাল লাগছে কেউ একজন আমার জন্য দাড়িয়ে আছে সে হয়ত আজ সারা রাত আমার কথা ভেবে ঘুমাতে পারবেনা। এর চাইতে আর বড় উপহার কি হতে পারে ঈদ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
→ গরীবের মেয়ে আর ধনীর ছেলের ভালোবাসার গল্প
→ অন্যরকম ভালোবাসার গল্প
→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প
→ ভালোবাসার গল্প
→ প্রেম-ভালোবাসার গল্প___*আব্দুল্লাহ আল মামুন___*
→ ​গল্প ::অদৃশ্য ভালোবাসার কারাগার
→ অসাধারন কিছু কথা ভালোবাসার গল্প আর কিছু দুঃখ
→ সত্য ভালোবাসার গল্প
→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ একটি নুপুর ও ভালোবাসার গল্প
→ একটি করুণ ভালোবাসার গল্প
→ গল্পটা ভালোবাসার
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now