বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসা কেন সার্থপর

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mithun sarker (০ পয়েন্ট)

X প্রতি দিন স্কুলে যাওয়া-আসা, খেলা-ধুলা আর পড়াশুনাই আমার এক মাত্র লক্ষ্য। এভাবে ই চলত আমার জিবন। দেখতে দেখতে সময় চলে যাচ্ছে। আমি এখন এস.এস.সি পরীক্ষার্থী। পরিক্ষাও শেষ হলো। এখন সময়টা পুরই হাতের কাছে ফাঁকা। কি করা যায় তা নিয়ে ভাবছি। আমার বড় ভাই বলল যা রংপুর থেকে ঘুরে আয় আমিও তাই ভাবলাম। কারন আমি এখনো রংপুর দেখি নাই।............ আমার পরিচয় দেই...আমি মিঠুন আমার বাসা রাজারহাট... আমার বাসা থেকে রংপুর প্রায়াই ৪৫ কি.মি তো যেমন কথা তেমনি কাজ। আমি রংপুর আসলাম রাত ৮টা সময়, তাই এখন তো আর ঘুরতে যাওয়ারর কথা না। তাছাড়াও আমি কাউকে চিনি না। তাই রাতে দিদির বাসায় খাওয়া দাওয়া করে টিভি দেখতে লাগলাম। বড়ই ভালো লাগছে। নতুন একটা জায়গায়। কখন যে টিভি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েছি বলতে পাড়বো না। পরের দিন সকালে নাস্তা করে বসে আছি। ভালোলাগছে না দিন টা কেটে গেল এইভাবে। পরের দিন রাতে একটু বাহির হলাম। সাথে দু একজনের সাথে পরিচয়। ভালোই লাগলো, বাড়ি থেকে দাদা ফোন করল। বলল কোন একটা ভালো কোচিং দেখ পলিটেকনিক্যাল পরিক্ষা দিবি। আমি বাধ্য ছেলের মত ভর্তি হলাম। আমি তখন ও এই রংপুরে নিজেকে এডজাস্ট করতে পারি নাই। তাও আবার মেসে উঠলাম। তখন পরিচয় হলো মেসে অনেক বড় ভাইদের সাথে। আমি এই মেসের মধ্যে সব চেয়ে ছোট ছিলাম, তাছাড়াও সবার ছোট বলেই সবাই আদর করে খাইছি কি না? ভাত কম হয়েছে কি না? খালা একটু বেশি করে খেতে দেয় তাই কোন সমস্যা হত না কিন্তু তারপর ও যেন ভালো লাগে না।...... আমি বাড়িতে যেতাম প্রতি শুক্রবার করে। তখন যেন এক সপ্তাহ এক মাসের সমান মনে হয়। যেতাম ছুটে বাড়ির দিকে,, এই দিকে এস.এস.সি রেজাল্ট আমার যেন কি রকম একটা ভয় অনুভুতি। রেজাল্ট হলো। আমি যেন বিশ্বাসেই করতে না। মেসে এক জন মামা ছিল। সেই মামা আমার রেজাল্ট দেখছিল.... এস.এম.এস পাঠালো। sms আসলো মামাকে বললাম মামা মামা কত ভয়ে ভয়ে। মামা বলল ৪.৭৭ আমি আবার বললাম হু.... মামা আবার বলল আমি বাড়িতে জানিয়ে দিতেই যেন বাড়ি চলে যাই। এই দিকে একটানা বাড়িতে এক সপ্তাহ.... এর মধে আমার প্রানের পাখি যারে আমি ভালোবাসি সেই মুন্নি আমায় বলল তুই রংপুরে যাবি আর আমি কার সাথে দেখা করবো... তুই রাজার হাটে ভর্তি হ। আমি তার কথাগুলো ভাবতে ভাবতে পলিটেকনিক্যাল ভর্তি পরিক্ষা হল। আমি রেজাল্ট পেলাম আমার চান্স হয় নি আমি তো খুশিতে আত্মহারা। কিন্ত পরের দিন আমি তাকে বলতে সে তো আমার সাথে যা করল তা লেখে বুঝানো সম্ভব না। সে আমাকে বলল। মানুষ যদি কোচিং না করেই চান্স পায়। আর তুই কি? যা তুম আমার সা থে কো ন কথাই বলবি না। আজ থেকে ব্রেক আপ।।। আমি শোন শোন। কিন্তু কে শোনে কার কথা।।। পরে জানতে পারলাম যে আমি রংপুরে যাওয়ার পর সে অন্য এক জনের সাথে রিলেশনে আবদ্ধ হয়েছিল। আর আমাকে ধোকা দেওয়ার জন্য তাদের ছিল এটা একটা প্লান ছিল। যে আমাকে বলছিল যে তুমি রাজারহাটে ভর্তি হও। আমি আমার জানা মতে এতটা কষ্ট কখনো পাইনি। তখন আমি বাড়িতে বুঝালাম যে আমি পলিটেকনিক্যালেই ভর্তি হবো। so আজ আমি পলিটেকনিক্যালে আজ ফাইন্যাল পর্ব। কিন্তু তার বিয়ে হয়েছে... কিন্তু তার সাথে আর ফেজ টু ফেজ দেখা হয় নাই।।। তাকে যে আমি অনেক ভালোবাসি। বার বারই হয়তোবা ভুলার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে এই বলে নিজেকে সান্তনা দেই যে যখন মায়া বাড়িয়ে লাভ হয় না তখন মায়া কাঠাতে শিখতে হয়। মিঠুন প্লিজ বুঝ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালোবাসা কেন সার্থপর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now