বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ শাহারিয়ার অথবা আপনি নিজে
যায়ের সাহেব ছিলেন একজন বড় ব্যবসায়ী । বুড় হওয়ার পর তিনি নিজের সমস্ত সম্পত্তি তিনি তার দুই ছেলে সন্তান এর উপর ভাগ দেয়ার সিধান্ত নিলেন । তার বড় ছেলে প্রতিদিন তার জন্য খাবার আনত । আর , ছোট ছেলে আনত প্রতি মাসে একবার । বড় ছেলে সব সময় তার সাথে ভাল করে কথা বলত । ছোট ছেলেও তাই করত । যায়ের সাহেব ভাবলেন যে তাকে বেশি ভালবাসে তাকে বেশি সম্পত্তি দিবেন । যেই ভাবা সেই কাজ তিনি তার বিশ্বস্তলোক দিয়ে তাদের পরীক্ষা করতে বললেন ।
বড় ছেলেকে ম্যানেজার ( বিশ্বস্ত লোক ) বলল , ‘আপনার পিতার তো অনেক বড় রোগ হয়ছে তাকে সুস্থ করতে সব সম্পত্তি শেষ হয়ে গেছে এখন আর ৮০ লক্ষ টাকা লাগবে’ । তখন বড় ছেলে বলল , ‘এতদিনে বুড়র মরে যাওয়া অবস্থা হল , আমি এক কানা-কড়িও দিতে পারব না’। তারপর অনেক চেষ্টা করেও তাকে ( বড় ছেলেকে ) মানাতে পারেনি ।
পরে , ছোট ছেলেকেও তাই বললেন । কিন্তু , ছোট ছেলে বলল , ‘আমার বাবা আমাদের মা মরে যাওয়ার পর কত কষ্ট করে লালন-পালন করেছেন আর , আমি তাকে এখন ছেড়ে চলে যাব কখনই না বাবার এখন আমার টাকা দিয়ে চিকিৎসা হবে তাড়াতাড়ি আমাকে সেখানে নিয়ে যান’ । তারপর , সেই ছেলেকে নিয়ে লোকটি তার বাবার কাছে গেল । বাবা তাকে সব খুলে বললেন । কিন্তু , একটা কথা ছেলেটি মানতে পারল না তা হল বড় ভাইকে কম সম্পত্তি দেয়া হবে ও তাকে বেশি । কারণ , ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তানকে সমান সম্পত্তি দিতে হবে ; যদিও সে পিতা-মাতার অবাধ্য হউক না কেন । শেষ পর্যন্ত যায়ের সাহেব মেনে নিলেন ।
শিক্ষাঃ কোনো মানুষ এর হাসি দেখে ভেবে নিবেন না যে সে আপনার প্রতি পজেটিভ রিয়েক্ট করছে ।
Disclaimer : On this story I haven’t roasted any person or anything .
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now