বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-------------------- এই স্মৃতি একটু এদিকে আসবি??
-- বল! কি বলবি ?
-- I Love You স্মৃতি ।
*ঠাস! ঠাস! ক্লাসের ভিতরে সবার সামনে অভির গালে
চড়বসিয়ে দিলো স্মৃতি ।
--এই কুত্তা এই নিয়ে কতবার আমারহাতে চড় খেয়েছিস
মনে আছে তোর?
তবুও আমাকে বলিস ভালবাসিস
লজ্জা করেনা তোর মেয়েদের হাতে মাইর খাইতে।
-- না করেনা !! তুই আমাকে মাইরদিলেও সমস্যা নাই আমার মজা
লাগে প্লিজ বল লাভ মি অর নট ?
-- দেখ অভি তুই অফ যাবি ? একটুপরে স্যার চলে আসবে!
আমি কিন্তুস্যারের কাছে তোর নামে
কম্প্লেইনকরবো!!
-- ওকে ওকে বাবা অফ গেলাম!!!
.
পাশের বেঞ্চেরবসা আরেকটি মেয়ে নীলাঞ্জনা
শুধুআড়ে আড়ে চায় অভির দিকে আরমুচকি মুচকি হাসে ।
নীলাঞ্জনা সেইক্লাস টেন থেকেই অভিকে মনে
মনে ভালবাসে কিন্তু অভি ভালবাসে স্মৃতিকে ! কিন্তুস্মৃতি
মেয়েটি কেন যে এমন করে এইপর্যন্ত অনেক কিল
ঘুশি থাপ্পর হজম করতে হয়েছে অভিকে । আর
অপমানএইটা তো নিত্য দিনের নাস্তার মত প্রতিদিন কখনো বা
ক্লাসে কখনও বা ক্যাম্পাসে ! শুধু স্মৃতিরমুখে একটিবার
ভালবাসি কথাটা শুনারজন্যে । অতঃপর একদিনভার্সিটি থেকে বাসায়
ফেরার সময়::
.
========-- হ্যালো! হ্যালো !নীলাঞ্জনা দাড়াও!!!!--
নীলাঞ্জনার হাত পা কাপুনি ধরে গেছে! কারণ এই প্রথম
অভির মুখোমুখি কথা বলছে নীলাঞ্জনা!
হ্যা অভি বলো....!!!
-- আচ্ছা একটি সত্য কথা বলবা?
-- হ্যা বলবো কি কথা ..?
-- তুমি আমাকে দেখলেই মুচকি হাসো কেন?
-- নীলাঞ্জনা ঠোঁটে কামড়দিয়ে বলে! সব কথা বলেনা
হৃদয় কিছুকথা বুঝে নিতে হয়! এই বলেই নীলাঞ্জনা লজ্জা
পেয়ে দৌড়ে চলে যায়। অভি কিছুই বুঝার চেষ্টা করেনি!!
পরের দিন অভি আবার প্রপোসকরে স্মৃতিকে তখন স্মৃতি
বলে দেখ অভি আমি একটা ছেলেকে ভালবাসি ও
আমাদের গ্রুপের ই ছাত্র রিহান তোরচে অনেক স্মার্ট
আর হ্যান্ডসাম ।আমাকে অনেক লাভ করে।কথাটা শুনে খুব
কষ্ট পেলো অভি।
অভির চোখে জল এসে যায়।
হতাশহয়ে ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে অভি। রাত ১২টায় অভির
নাম্বারে একটি ফোন কল আসে.....
.
-- হ্যালো কে?
-- আমি নীলাঞ্জনা! কেমন আছ?
-- ও ! ভাল নেই কাঁন্না করতেছি।আর আমার নাম্বার কোথায়
পেলে?
-- যোগাড় করেছি তোমার বন্ধুদের কাছ থেকে!! প্লিজ
অভি কেঁদোনা ।
তুমি যাকে ভালবাসো সে তোমাকে ভালবাসেনা । আর
হয়তবা তোমাকে আপন করে পাওয়ারজন্যে কেউ একজন
স্রষ্টারকাছে প্রার্থনা করছে যার প্রার্থনারজোর তোমার
চাওয়ার চাইতেও অধিকশক্তিশালী তাই তুমি স্মৃতিকে পাওনি।
-- কই আমাকে তো কেউ এমনকরে ভালবাসে বলে
মনে হয়না ?
-- নীলাঞ্জনা একটি দির্ঘ্য শ্বাসফেলে বলে!! আছে অভি
কিন্তু তুমি তাকে বুঝতে চাওনা । তার পবিত্র ভালবাসাটাকে
অনুভব করতে পারোনা।বলেই ফোনটা রেখে দিলো
নীলাঞ্জনা ।পরের দিন ভার্সিটিরক্যাম্
পাসে অভি বসে আছে নীলাঞ্জনার অপেক্ষায় ।
-- এই নীলাঞ্জনা একটুএদিকে আসবে প্লিজ?
-- হ্যা বলো?-- গতরাতে তুমি কি বুঝাতে চেয়েছ..?
--কিছুনা যাই!!!
-- নীলাঞ্জনা তুমি কি জানো ?গতকাল রাতে আমি আমার
রাজকন্যাকে পেয়ে গেছি যে আমাকে অনেক
ভালবাসে!!
-- কে সে?
-- একটা মেয়ে ?
-- কথাটা শুনে নীলাঞ্জনার চোখ দুটু ছলছল করছে তাই
নিজেকে সামলাতে না পেরে বলে আমি যাই অভি তুমি
তোমার রাজকন্যাকে কে নিয়ে সুখে থেকো আমি
দোয়া করি ।
-- দাড়াও যাওয়ার আগে শুনে যাওকে সেই রাজকন্যা !!
-- কে?-- আমার সেইরাজকন্যাটা হলো নীলাঞ্জনা!!
--নীলাঞ্জনা কথাটা শুনে কেঁদে ফেললো..পরক্ষণেই
অভিকে জরিয়ে ধরে কান্না শুরু করলো। আমি তোমাকে
অনেক ভালবাসি অভি কিন্তু কোনোদিনও বলার সাহস পাইনি
কারণতুমি স্মৃতি কে ভালবাসতে তাই।।
-- আমি সত্যি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করি! তোমার
মতএকটি মেয়েকে পেয়ে!!
I Love You নীলাঞ্জনা।
-- I Love You Too অভি ।
.
স্মৃতি আর রিহানের সম্পর্কটা বেশি দিনটিকেনি দুইমাস পরেই
ভেঙ্গে যায় ।রিহান ওবার স্মার্ট ছেলে তিন চারটি
গার্লফ্রেন্ড তার সবসময়ই থাকে !
আর স্মৃতি ছিলো তাদের মধ্যেই একজন !তাই কিছুদিন
টাইমপাস করে ব্রেক-আপকরে রিহান।
......,,,অতঃপর বেশ কিছুদিন পরে নীলাঞ্জনা আর অভির
বিয়ে হয় । আজ তিনটি বছর পেরিয়ে গেছে চলছে অভি
আর নীলাঞ্জার ভালবাসার সুখের সংসারসাথে আছে এক
বছরের ছোট্ট কিউট একটি বাবু অধরা এই ভালবাসার যেন
কোন কমতি নেই! নেই কোনো অবশেষ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now