বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই রাহি আমার প্যান্টটা ধুয়ে
দিসতো?
-অকে,(ঘোমরা মুখ করে)
-কিরে মুখটাকে এভাবে বাংলার
পাঁচ করে রেখেছিস কেন?
-তোর এত মোটা মোটা বস্তার মতো
প্যান্ট গুলো ধুতে আমার কষ্ট হয়না বুঝি?
-তো,স্যালারি দিতে হবে নাকি
তোকে?
-তা কখন বললাম?
-না বললে যা প্যান্টটা ধুয়ে দে।
রাহি ভাইয়ার প্যান্ট ধুতে গেল।
ধোয়ার সময় প্যান্টের পকেটে দুইটা
চকলেট পেল।
রাহি খুশি হয়ে ভাইয়াকে জিজ্ঞেস
করলো,ভাইয়া আমার জন্য কিটকাট
চকলেট আনলি তুই?ভাইয়া তুই
অনেক................ ভালো।
-এই তুই এগুলো নিবিনা!এগুলো তোর জন্য
আনিনি।আমার গার্ল ফ্রেন্ডের সঙ্গে
এখন মিট করতে যাবো।ওর জন্য এনেছি।
এদিকে দে!!
ভাইয়া চকলেটগুলো রাহির হাত
থেকে কেড়ে নিল।
রাহির মন খারাপ হয়ে গেল।খুব কান্না
পাচ্ছিল।তবুও চোখের পানি কন্ট্রোল
করে রাখলো।
ভাইয়ার প্যান্টটা ধুয়ে মন খারাপ করে
নিজের ঘরে চলে গেল।
রাহি মনে মনে বলছে,ভাইয়াটা
আজকাল কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে।
আমাকে আগের মত একটুও
ভালোবাসেনা।
হঠাৎ করে রাহির বুক সেলফের উপর চোখ
গেল।রাহির চোখ চল চল করে উঠল।দুইটা
কিটকাট চকলেট!পাশে একটা কাগজে
লেখা,আরে পাগলি চকলেট গুলোতো
তোর জন্যই এনেছি।এগুলো তোর
স্যালারি হিসেবে দিলাম।বুঝলি?
পেছন থেকে রাহির মাথায় কে যেন
টোকা দিল।রাহি চমকে গিয়ে
পেছনে তাকিয়ে দেখে ভাইয়া
হাসছে।
-কিরে টুনি,কাঁদছিস কেন?খুব মন
খারাপ হয়েছিল তখন তাইনা?আরে
আমিতো মজা করলাম তোর সাথে।
তোকে কি এভাবে কষ্ট দিতে পারি
আমি?
-ভাইয়া তুই অনেক ভালো।তোকে
এততো গুলো ভালোবাসি।
-
এই হলো ভাই বোনের সম্পর্ক।রক্তের
সম্পর্কগুলোর মধ্যে ভাইবোনের সম্পর্কটা
অনেক মধুর সম্পর্ক।এই সম্পর্কে
ভালোবাসার শেষ নেই।বরং,হাসি,
আনন্দ,খুনসুটির মাধ্যমে বাড়তে থাকে।
-
আর যাদের একটি বোনও নেই, তাদের
জিবন তৈল বিহীন উস্ক-খুস্ক চুলের মতো।
তারা বোনের ভাইয়া ডাকটি খুব মিস
করে!! কিন্তুু আল্লাহ্ আমাকে একটি
বোন দিয়েছে, এটাই আল্লাহর কাছে
শুকরিয়া!!
আমি তাকে শুধু রাগাতাম, ও একটুতে
রেগে যেত আবার ভালো আবার ঝগড়া
করতাম। আমার উপর তার দাবি ছিলো
প্রতিদিন চকলেট হয়তবা ঝালফ্রাই এ
জাতিয় জিনিস গুলো আমার বোনের
পছন্দ ছিলো।
আর শপিং করার টাকা চাইতো, যদি
বলতাম দিমুনা তখন একটাই ভয় দেখাতো
তোর প্যান্ট-শার্ট ধুয়ে দিমুনা আর।
আসলে আমার সব কাপড় ও ধুয়ে দিতো।
লন্ড্রিতে দিতে দিতো না। আয়রন
করে ভাঁজ করে রাখতো।
আসলে ছোট বোনের হাতে কাপড়
ধোয়ানো প্রতিটি বড় ভাইয়ের
জাতিয় অধিকার। wink emoticon
-
ভালো থাকুক পৃথিবীর সব ভাই-বোন
গুলো।
আর ভালো থাকুক তাদের খুনসুটি
ভালোবাসা গুলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now