বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভাগ্য এবং বিয়ে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X স্যার,আপনি বিয়ে করবেন না? -করবো। -কবে করবেন?কাকে করবেন? -আশ্চর্য তো!তুমি সবসময় আমাকে এই প্রশ্ন করো কেন? -কারণ আমি একটা ডিসিশন নিয়ে ফেলেছি যে। -কিসের ডিসিশন?তোমার আবার ডিসিশন কি? -আমার যখন আঠারো বছর হয়ে যাবে তখন আমি আপনাকে বিয়ে করবো বলে ঠিক করেছি। -কি!!কার কাছ থেকে শিখেছো এসব আজে বাজে কথা? -আমি নিজে নিজে বুদ্ধি করে বের করেছি। -শোনো মেয়ে,তোমার এসব যন্ত্রণা অনেক সহ্য করেছি আর না।ফের এসব বললে আমি সোজা গিয়ে তোমার আম্মুর কাছে বিচার দিবো। -একবার আমি বড় হয়ে যাই তখন দেখবেন কি করি! আম্মু যেমন আব্বুকে বকা আমিও আপনাকে খুব করে বকে দিবো। হুহ! -এই মেয়ে চুপ করো।একদম চুপ।ক্লাস থ্রি তে পড়ে এরকম বেয়াদব মেয়ে আমি জীবনেও দেখিনি। তোমার আম্মুকে ডাক দাও।তোমার মতো বেয়াদব মেয়েকে পড়ানো আমার পক্ষে সম্ভব না। সেদিনের পর স্যারের সাথে আমার আর দেখা হয়নি।বেতন নিতে একবার অবশ্য এসেছিলেন কিন্তু আমার সাথে দেখা হয়নি তার। আম্মু আমাকে তার সামনে যেতে দেয়নি। তখন আমার বয়স ছিল দশ।স্যার তখন মাত্র এসএসসি দিয়েছেন। প্রেম,ভালোবাসা কিছুই বুঝতামনা তবুও কেন জানি এই মানুষটিকে আমার খুব ভালো লাগতো। স্যার চলে গেলো।আমি ও বড় হতে লাগলাম।তার কথা আমার মনেই ছিল না। কলেজে উঠতেই বাবা আমার বিয়ে ঠিক করে ফেললেন।বিয়েতে আমার একদমই মত ছিলোনা। যে ছেলেটির সাথে আমার বিয়ে ঠিক করেছেন সে ডাক্তার।নাম শুভ্র। ছেলেটির সাথে প্রথম যখন দেখা করতে গিয়েছিলাম মোটামোটি বড় ধরণের ধাক্কা খেলাম। বেচারা নিজেও আমাকে দেখে কম অবাক হয়নি।সেদিন কেউ ই কিছু বললাম না।চুপ করে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম। ছেলে আমার পছন্দ হয়েছে।আমাকে ও তার পছন্দ হয়েছে। .. কিছুক্ষণ আগে সেই ছেলেটির সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেলো। আমি আর সে এখনো চুপচাপ বসে আছি।আজব হলেও সত্যি যে তার সাথে এখন পর্যন্ত আমার একটাও কথা হয়নি।সে ও কিছু বলেনি আর আমিও না।আজ ও সে কিছু বলবে বলে মনে হচ্ছে না।বোকার মতো নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি মনে প্রাণে চাই মানুষটি যেন মুখ খুলে। কথা বলতে পারে কি না এটা অন্তত জানা উচিৎ। -তু তু তুমি তো দেখা যায় সাংঘাতিক ভয়ংকর মেয়ে।বিয়ে করার নীল নকশা কি তখন ই বানিয়েছিলে? -হিহি!আমি কিছু বলবো না। আমার খুব হাসি পাচ্ছে।হিহিহি... -হাসবেনা। আমি খুব ই সিরিয়াস। -হাসলে কি করবেন? আম্মুর কাছে বিচার দিবেন? -হুম। -যত ইচ্ছা বিচার দিন।তখন তো বিচার দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন এইবার কোথায় পালাবেন? হুম? আম্মু যেমন আব্বুকে বকা দে আমিও এইবার আপনাকে খুব করে বকে দিবো। হিহিহি...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভাগ্য এবং বিয়ে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now