বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভাবনার গহীনে!!! (পর্ব১৫)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☫☤Ꮶℳ ЅᎯᎫU Ꭿℋℳℰⅅ ℛᎾᏦℐℬ ☢☣ (০ পয়েন্ট)

X _ইসসস আজ মনে হয় একটু বেশিই দেরী হয়ে গেল । আতিয়া কত প্রশ্ন করে কে জানে , মিটিং টাই শেষ হলো দেরী করে । বেতন যা দেবে তার পুরো টাই উসুল করে তবে ছাড়ে । একদিকে অবশ্য ভালোই হয়েছে আফরাজ সাহেব এখন তার পুরাতন প্রেমিকা কে নিয়ে ব্যস্ত । সে তো আর তারাতারি বাসায় ফেরে না । (রূপ) ↓ ধারণা ভুল রুপাঞ্জনা সুন্দরী ধারণা ভুল , যাও না যাও বাসায় যাও , আজ তোমার হচ্ছে । ↓ _ব্যাস ব্যাস ভাইয়া রাখেন , (রূপ) ↓ রুপাঞ্জনা যেই না বাসার ভিতরে ঢুকেছে , তার মাথায় আকাশ পরার মতো অবস্থা , আফরাজ বসে আছে সোফায় । বাহ বাহ , বসার কি স্টাইল তাহার , পায়ের উপরে পা তুলে একটা হাত সোফার উপরের লাইনে রেখে অন্য হাতে মোবাইল গুতাচ্ছে । actually মোবাইল গুতাচ্ছে না ঘড়ির টাইম দেখছে কখন রুপাঞ্জনা আসবে আর কখন তাকে বাশ দিবে আফরাজ । ↓ _আরে আরে ম্যাডাম চলে আসছে আরে আরে আসুন আসুন আপনার জন্যই বসে ছিলাম এতক্ষন , তা ক্লাস কেমন হলো আপনার , অনেক বেশী খাটা-খাটি করতে হয় বুঝি ইদানিং ক্লাসে (আফরাজ) _আপনি কখন এলেন আর আজ এতো তারাতারি (রূপ) _আজ তো আমি বাসাতেই ছিলাম , কেন ভালো লাগে নি আমি যে বাসায় আছি , নাকি ধরা পরে গেছেন , দেখে কলিজার পানি শুকিয়ে গেছে (আফরাজ) _মানে (রূপ) _মানে কিছু না , (আফরাজ) _কিছু না হলে যেতে দিন , রুমে যাবো (রূপ) _হুম হুম প্লিজ go , (আফরাজ) ↓ আফরাজ দেখলো রুপাঞ্জনা তাকে ইগনোর করে চলে যাচ্ছে । যা আফরাজের মোটেই পছন্দ হয় নি আর তাই সে আরো রেগে যায় । রুপাঞ্জনা সিড়ি বেয়ে উপরে যাচ্ছে। তাই সেও উপরে যাচ্ছে আর যাওয়ার সময় ↓ _আতিয়া যা কিছু হয়ে যাক না তুমি উপরে যাবে না , ব্রেনে থাকে যেন (আফরাজ) _আল্লাহ কি যে হবে কে জানে , আমি বরং রুমে চলে যাই (আতিয়া) _wait wait , এতো তাড়া কিসের wait a second (আফরাজ) _জ্বি কিছু বলবেন (রূপ) _হুম অনেক কিছু , তার আগে ভিতরে তো আসি (আফরাজ) ↓ রুপাঞ্জনা কে ঠেলে আফরাজ রুমের ভিতরে আসে আর এসেই দরজা আটকে দেয় । রুপাঞ্জনা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে । কিছুই বলে নাই । ↓ _তা ক্লাস কেমন করেছো (আফরাজ) _এক কথা কয়বার জিজ্ঞাসা করবেন আর দরজা লাগিয়েছেন কেন , যান এখান থেকে আমি ফ্রেশ হবো (রূপ) _আরে আরে যাবো তো তার আগে তুমি বলো তুমি কোথায় গিয়েছিলে (আফরাজ) _বার বার কি অবান্তর কথা বলছেন (রূপ) _হুমম অনেকটাই অবান্তর । আমি আবারো জিজ্ঞাসা করছি কোথায় ছিলে (আফরাজ) _কলেজে ছিলাম , একটু কাজ ছিল । তাই আসতে লেট হয়েছে (রূপ) _তাই না ? কিন্তু রুপাঞ্জনা তুমি তো বিগত দুইমাস কলেজেই যাও না ঠিক মতো । ইনফেক্ট তুমি আজও কলেজে যাও নি রুপাঞ্জনা (আফরাজ) _মা,,,,মা,,,,,মানে (রূপ) _রুপাঞ্জনা , আমি যখন criminal কে witnesses box এ এনে জিজ্ঞাসা বাদ করি তারাও ঠিক এইভাবেই আমতা আমতা করে কথা বলে কারন তারা অপরাধী (আফরাজ) _প্লিজ , আপনি যান তো এইখান থেকে আমার ভালো লাগছে না , আপনার এতো প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারবো না সরি (রূপ) ↓ এইবার আফরাজের মেজাজ চরমে উঠে যায় আর সে অনেক ক্ষেপে যায় । তার পর রুপাঞ্জনার হাত মুরে ধরে ↓ _আহহহহহহহহহহহ লাগছে আমার (রূপ) _লাগছে , খুব লাগছে , তাই না (আফরাজ) _উফফফফফফ আহহহহহ , প্লিজ ছাড়েন (রূপ) _মিথ্যাবাদী , খারাপ মেয়ে , দিনের পর দিন আমাকে মিথ্যার মধ্যে রেখেছিস , এখন আবার তেজ দেখাস তুই আমাকে (আফরাজ) _আফরাজ mind ur language , কি বলছেন আমাকে আপনি (রূপ) _চুপ একদম চুপ , গত দুইমাস , কোথায় যাস তুই , কার সাথে নতুন করে রিলেশন করেছিস , যে তোর সব খরচ বহন করে , কে তোকে এতো বেশি ভালোবাসে , কে (আফরাজ) _আহহহহহ আমার লাগছে (রূপ) _আবারো বলে লাগে , আমারো লাগছে যখন তোর মুখশ টা আমার সামনে খুলে পরছে । তুই রোজ সকালে বের হোস আর রাতে ফিরিস । কি ভেবেছিলি যে তোর এইসব এর খবর আমি পাবো না , হ্যা , তোর আমাকে এতোই অসহ্য লাগে আগে বলিস নাই কেনো , ছেড়ে দিতাম তোকে (আফরাজ) ↓ রুপাঞ্জনা আফরাজের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে , কিছুই বলতে পারে নাই , কি বলবে আফরাজ তাকে এতো বাজে ভাবে কথা বলছে ↓ _shocked ? হা হা হা shocked হওয়ার কিছু নাই , সব সত্যি সামনে চলে আসছে , তাই না , হা হা হা , এইভাবে দেখার কিছুই নাই (আফরাজ) _যা বলছেন ভেবে বলছেন তো , আপনার কি তাই মনে হয় , আমি এমন করতে পারি (রূপ) ↓ এইবার আফরাজ আরো রেগে যায় , এতো পরিমানই রেগে যায় যে একটা থাপ্পড় মেরে দেয় রুপাঞ্জনাকে । থাপ্পড় টা দেয়ার পরে রুপাঞ্জনা স্তব্ধ হয়ে যায় । সে সপ্নেও কখনো ভাবে নি আফরাজ তার গায়ে আবারো হাত তুলবে । ↓ _দিনের পর দিন , দিনের পর দিন শুধু মিথ্যা বলে আসছিস তুই । তুই কোথায় থাকিস সারাদিন , আসলে কি বল তো তোর চরিত্রেরই কোন ঠিক নেই । তোর বাবা মা ভাই বোন , আর তোর প্রেমিক সবাই জানে তুই কোন চরিত্রের , তাই তো তোকে তখন তারা মেনে নেয় নি । অন্য পুরুষের সাথে যদিই সম্পর্ক করবি তখন আমার কাছে কেন পরে আছিস , বের হয়ে যাস না কেন , কোন খারাপ চরিত্রের মেয়ে আমার এই বাড়িতে আফরাজ হুসেইন এর এই বাড়িতে থাকতে পারে না । আবার আতিয়া বলল তুই অসুস্থ , কিসের অসুস্থ তুই , নাকি কোন পাপের ফসল বয়ে বেড়াচ্ছিস তোর ওই পেটে (আফরাজ) _enough mr.hussain enough আর না এতক্ষন অনেক বলেছেন আর না প্লিজ , আপনি চলে যান , আমি কালই চলে যাবো , আপনাকে আমার মুখ টা আর দেখতে হবে না , দয়া করে আর কোন খারাপ অপবাদ দেবেন না আমাকে (রূপ) _আরে যা যা কাল কেন আজই বের হয়ে যা , তোর মতো চরিত্রহীন নারীর কোন জায়গা নেই আমার বাসায় আর তোর মুখ টা যাতে আমাকে আর কখনো দেখতে না হয় । বের হয়ে যা এইখান থেকে (আফরাজ) ↓ আফরাজের ব্যবহারে রুপাঞ্জনা এতোটাই shocked যে আফরাজ তাকে এতো বাজে কথা বলেছে যে যার কোন কথাই তার কান অবদি যাচ্ছে না । আরো কিছু কথা শুনিয়ে আফরাজ রুপাঞ্জনার সামনে রুমের সব জিনিস পত্র ভেঙে চুরমার করে দিয়ে চলে যায় , রুপাঞ্জনা তার বাকশক্তি হারিয়ে ফেলে , সে শুধু ভাবছে আফরাজের মতো মানুষ কিভাবে তার গায়ে আবারো হাত তুলতে পারে আর কিভাবে এতো বাজে কথা বলতে পারে । আফরাজ কি করে ভাবতে পারলো , যে রুপাঞ্জনা তাকে ছাড়া অন্য কারো সাথে , আর আফরাজ কি করে বলতে পারলো যে তার পেটে,,,,,, ছিঃ ছিঃ , কি করে পারলো সে এতো বিশ্রী একটা কথা বলতে । ↓ _আফরাজ তুমি এইসব কি বললা আমাকে , একবার জিজ্ঞাসা করে দেখতা , আমি কি করি সারাদিন তাহলে উত্তর দিয়ে দিতাম , কিন্তু তুমি এতো টাই ভেবে নিয়েছো । আজ আমি তোমার কাছে একজন চরিত্রহীন মেয়ে , ছিঃ ছিঃ গা টা এমন ঘিন ঘিন করছে কেন , বমি পাচ্ছে কেন ? ওর কথা গুলো তীরের মতো বিধছে কেন ? আফরাজ নিজের দোষ টা তো স্বীকার করলা না । উল্টো আমার দিকে তাক করে দিলা । গত দুইটা মাস আমার সাথে ঠিক মতো কথাও বলো নাই , আমি কেমন আছি , কি করি , খেয়েছি কিনা , কলেজে যাই কিনা , আমার পড়ালেখা কেমন চলে , কিছুই করো নাই তুমি , এমন কি অনেকদিন তো তোমার চেহারাটাই আমি দেখি নাই , অথচ একই বাড়িতে একই ছাদের নিচে ছিলাম আমরা , আল্লাহ গো আল্লাহ , আমার ভাগ্য টা এতো খারাপ কেন , নিজের বাবা মা ভুল বুঝলো , যাকে ভালোবেসেছিলাম সে ভুল বুঝলো , তা শুধু তোমারই জন্যে আফরাজ , আর আজ সেই তুমিই বললা আমি চরিত্রহীন , এই অপমান নিয়ে তোমার সামনে দাড়াবো কি করে । নাহ নাহ আর থাকা যাবে না এইখানে , আমাকে এই রাতের অন্ধকারে চলে যেতে হবে । কাল সকালে যাতে আর আমার মুখটা আফরাজকে আর দেখতে না হয় (রূপ) ↓ এইদিকে আফরাজ রুমে এসে হাত চাপছে , এতো জোরে থাপ্পড় মারলো সে , এই নিয়ে দুইবার রুপাঞ্জনাকে থাপ্পড় মেরেছে সে । সজোরে নিজের হাত টাকে দেয়ালের সাথে এক ঘুষি মারলো , একটু বেশীই বলে ফেলেছে সে আজ রূপ কে । এখন নিজের প্রতি নিজেরেই খারাপ লাগছে , মাথা কেমন ভারী হয়ে যাচ্ছে , তাই ঘুমের ওষুধ খেয়ে শুয়ে পরলো আফরাজ ↓ ↓ আজ আফরাজ আর রুপাঞ্জনার বিয়ের ১ বছর পূরণ হলো । তার মানে আরো ৪ টি মাস পেরিয়ে গেছে । অনেক কিছু বদলে গেছে এখন । আফরাজও বদলে গেছে অনেকটা । রুপাঞ্জনাকে ওই রাতের পর আর দেখা যায় নি আফরাজের বাড়িতে । তার মানে এই চার মাস রুপাঞ্জনা আর আফরাজ এক সাথে ছিল না । এখন একদম একা হয়ে গেছে আফরাজ । ফুপ্পিজান এখন আফরাজের সাথে থাকে , রুপাঞ্জনা কে এইসব বলার জন্য ফুপ্পিজান আজও আফরাজকে দায়ী করে । মাঝে মাঝে মনে পরে রুপাঞ্জনা কে খুব । যখন মনে পরে তখন সেই রাতে লিখা রুপাঞ্জনার চিঠি টা নিয়ে বসে পরে আফরাজ । তবে খোজার চেষ্টা ও করে নি । সে আজও ভাবে হয়তো রুপাঞ্জনার দোষ , উকিল তো , তাই সবাইকেই ক্রিমিনাল মনে করে শুধু নিজেকে ছাড়া । ↓ রুপাঞ্জনার চিঠি ↓ _কি বলে ডাকা উচিত জানা নেই আমার , তাই আপনি বলেই সম্বোধন করলাম , আমি চলে যাচ্ছি , এক্ষুনি এই মুহূর্তে । হয়তো আপনি এখন ঘুমাচ্ছেন সকালে উঠে এই খারাপ চরিত্রের মেয়েকে এর দেখতে হবে না আপনার , আর আপনি যখন একবার আমাকে চরিত্রহীন বলেই ফেলেছেন , তাহলে আমি আর কোন explanation করবো না আমি কোথায় যাই । কারন আমি তো একজন চরিত্রহীনা খারাপ মেয়ে । আমাকে তো অনেক কিছুই বলে গেলেন , একবারের জন্যে তো নিজের টা বললেন না । গত দুইমাসে একবার কথা বলেছিলেন আমার সাথে । একবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন আমি কেমন আছি । কি করছি , খেয়েছি কিনা । পড়ালেখা কেমন চলে আমার , কই কোন খবর রাখেন নি তো । আমার কোন কিছুতে আপনি তেমন গুরুত্ব দেন নি । আমি এতো বড় বাড়িতে হাপিয়ে গেছিলাম , রাত দিন চিন্তা করতাম কেন এমন করেন আপনি । এরই মাঝে কেটে যায় ৬ টা মাস , তারপর যখন বললেন অন্য রুমে চলে যেতে তখন থেকেই বুঝে গেছিলাম যে আপনি আমায় কখনো ভালোইবাসেন নি , ওহ সরি ভালো বাসতে পারেন নি , আমার অপরাধ টা কোথায় আমি বুঝতে পারি নি । এর মাঝে যা যা আমার জন্যে করেছিলেন সবই ছিল একটা দায়িত্ব মাত্র । কেটে গেলো আরো ২টা মাস । এই দুইটা মাসে তো আপনি একবারের জন্যে ও মনে করেন নি যে এই বাড়িতে রুপাঞ্জনা নামে কেউ একজন থাকে । কেমন স্বামী-স্ত্রী ছিলাম আমরা বলতে পারেন , যারা কিনা একই বাড়িতে থেকেও দুইজন দুই রকম ছিলাম । আর এখন আপনি জিজ্ঞাসা করতে আসেন আমি কোথায় যাই , কি করি , আপনি নাকি অনেক বড় lowyer তাহলে এইটা বুঝলেন না যে রুপাঞ্জনা তার পড়ালেখার খরচ টা কোথা থেকে ম্যানেজ করে , ওইদিনের পর থেকে আপনার কাছ থেকে কিছু নেয়াটা আমার গলায় কাটা হয়ে বিধত । আচ্ছা আমি তো সেদিন চলে গিয়েছিলাম তাহলে কেন আটকালেন , যেইদিন আমায় চড় মেরেছিলেন , আমার সেইদিনই বুঝা উচিত ছিল আপনার আর আমার মাঝে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক টা কখনোই আগাবে না । কারন আপনার মনে তো নাজিফার বাস । আমি কাল অসুস্থ ছিলাম আর আজ আপনি বললেন আমার পেটে কার পাপের ফসল , lowyer রা বুঝি এইভাবে একজন নিরপরাধ মানুষের কাধে পাপের বোঝা চাপিয়ে দেয় । আচ্ছা আমি তো আপনাকে বলিই নি , আমি যদি পাপ করি তাহলে তো এই দুইমাস আপনি ও পাপ করছেন । বনশ্রীর ফ্ল্যাটে নাজিফাকে এই দুইমাস রেখেছেন , আপনি ও রোজ যান সেইখানে । তাই না ? হয়তো পড়ে খুব অবাক হবেন তাই না আমি কিভাবে জানলাম এইসব , শুধু জানিই নি নিজের চোখে দেখেছিলাম , আমার চোখের সামনে নাজিফার সাথে ভিতরে গিরে দরজা লাগিয়ে দিয়েছিলেন এইটা দেখার পর কোন স্ত্রী কি ঠিক থাকতে পারে , আমিও পারি নি , তাই এইটা দেখার পর আমি অসুস্থ হয়ে যাই , বিশ্বাস করেন আমার পেটে কারো পাপের ফসল নেই , কেউ আজ অবদি আমার গায়ে টাচ করতে পারে নাই শুধু আপনি ছাড়া , একদিম একটা কিস আর দুইদিন দুইটা থাপ্পড় এই ছাড়া আর না । এই ৮ টা মাস আপনাকে একটা কথা বলতে গিয়েও পারি নি কারন আপনি তো আমাকে কখনো সুযোগই দেন নি , আমি ভালোবেসে ফেলেছিলাম আপনাকে , খুব ভালোবাসি আপনাকে আমি , কিন্তু এখন আমার ভালোবাসা টাও শেষ হয়ে গেছে । তবে আমি কোথায় গিয়েছি , কোথায় যাই , কিছুই জানা হবে না আপনার , আমি কখনো আপনাকে জানতেই দেবো না । ভালো থাকবেন , অনেক অনেক ভালো থাকবেন আপনার প্রাক্তন প্রেমিকা নাজিফাকে নিয়ে। চলে যাচ্ছি আর খুজবেন না আমাকে , আশা করি খোজার দরকার হবে না , তবুও যদি পান ও আমাকে তাহলে আমি আর আসবো না । কারন আমি এখন অনেক বদলে গেছি , আর আজকের পরে আরো বদলে যাবো । জীবন আমাকে বার বার ধোঁকা দিয়েছে , আর আমিও বার বার ঠকেছি আর না । কখনো ভাবি নি এমন অন্ধকারের মধ্যে পালিয়ে যেতে হবে আমায় । কি করবো বলেন আপনি যে অপবাদ দিয়েছেন এর চেয়ে আমায় যদি বলতেন মরে যেতে আমি তাও হাসতে হাসতে মরে যেতাম । আপনার সাথে ৮ মাসের এই লুকোচুরি সংসার টা আমার বেশ মনে থাকবে । ভালো থাকবেন । ইতি চরিত্রহীনা ↓ আজ চার মাস মাঝে মাঝে চিঠি টা নিয়ে বসে আফরাজ । আফরাজ আজও চায় যে রুপাঞ্জনা ফিরে আসুক , কিন্তু মুখে কিছুই বলে না । কি করে বলবে সে , সে নিজেই তো রুপাঞ্জনাকে অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছে । আর কি বলবে সে ? ↓ কি হবে সামনে ? কি হতে চলেছে তাদের সাথে ? আর কিই বা আছে আফরাজের মনে ? আচ্ছা রুপাঞ্জনা কোথায় আছে এখন ? কি করছে সে ? খোজ নিয়ে আফরাজ জানতে পারে ওই কলেজ থেকে চলে গেছে সে । কিন্তু কোথায় যেতে পারে ? উত্তর টা কারো কাছেই নেই , শুধু আছে প্রশ্নবোধক চিহ্ন । কবে এই চিহ্ন এর অবসান ঘটবে কে বলতে পারে । ↓ ↓ ↓ To be continue............­.????????????????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now