বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বেদুঈন কন্য—০৮

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ৮ কোথায় কী আছে, কার কী পরিচয়, সব তার শুধু জানা নয়, নখদর্পণে। রানার কাছ থেকে চেহারার বর্ণনা শুনেই বলে দিল কোথায় পাওয়া যাবে ওর প্রিয় বান্ধবীকে। তার হিসাবে কমবেশি তিনমাস হতে চলল বিচ ক্লাব কেয়ার ফ্রি-তে গান গাইছে এক মেয়ে, রানার বর্ণনার সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে তার চেহারা। তবে মেয়েটির নাম সুরাইয়া নয়, দিলরুবা। কাফ্রি সরদারকে নিয়ে প্রমদিন বিকেলেই কেয়ার ফ্রি বিচ ক্লাবে চলে এল রানা। ক্লাবের মালিক একজন জার্মান, নাম জিমি মোরেল। বয়স সত্তরের কম নয়, কিন্তু শরীর-স্বাস্থ্য এখনও অটুট। কাফ্রি সরদার তাঁর সঙ্গে রানার পরিচয় করিয়ে দিল। ‘মিস্টার মাসুদ রানা, ট্যুরিস্ট। মাছ ধরার জন্যে আমার ইয়ট ভাড়া নিয়েছেন।’ ভারি অমায়িক এবং নিপাট ভদ্রলোক জিমি মোরেল, ক্লাবের কোথায় কী আছে সব ঘুরিয়ে দেখালেন রানাকে। বন্দর নগরী স্যালামেসে শুধু কেয়ার ফ্রি বিচ ক্লাবেই রয়েছে ক্যাসিনো ফ্যাসিলিটি। সাধারণত ইউরোপ-আমেরিকার ট্যুরিস্টরা এখানে জুয়া খেলতে আসে, তবে আরব জাহানের কিছু শেখ ও আমিরও আসে। বার ও ক্যাসিনোর সঙ্গে ট্যুরিস্টদের জন্য এখানে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাও আছে। রাত কাটাবার জন্য ইয়ট মন্দ নয়, তবে চারতলার একটা স্যুইট রিজার্ভ করে রাখল রানা। কেয়ার ফ্রিতে নিজের একটা আস্তানা থাকলে ধরতে সুবিধে হবে সুরাইয়ার ওপর কারও ‘নেকনজর’ আছে কি না। ক্লাবের তরফ থেকে দুটো বিয়ার অফার করা হলো ওদেরকে। বার-এ বসে রানার সঙ্গে বেশ কিছু লোকের পরিচয় করিয়ে দিলেন জিমি মোরেল, তাদের মধ্যে পাইলট রাহি সামদানি ও সার্জেন্ট এনভার নেকমেতিন রয়েছে, রয়েছেন সিরিয়ান ট্যুরিস্ট আদনান মেনদেরেসও। মেনদেরেস সম্পর্কে বলা হলো, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী তিনি, বহু মিল-কারখানার মালিক। রানা বুঝে নিল, এটা তাঁর কাভার। আরও কয়েকজন তরুণ নতুন খদ্দের রয়েছে, ক্লাব মালিক জিমি মোরেলই তাদেরকে চেনেন না, কাজেই পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রশড়ব উঠল না। তবে আদনান মেনদেরেসকে যেমন একনজরেই চিনতে পেরেছে, এদেরও অন্তত তিনজনকে দেখামাত্র চিনে ফেলল রানা। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিনড়ব মুসলিম রাষ্ট্রের এসপিওনাজ এজেন্ট তারা। পুরানো প্রশড়বটাই নতুন আঙ্গিকে আবার জাগল রানার মনে, এতগুলো ইন্টেলিজেন্সের অপারেটর তুর্কি সাইপ্রাসে কী করছে? তাদের ভাব দেখে মনে হলো সিনিয়র সিরিয়ান এজেন্ট আদনান মেনদেরেসের সঙ্গে কোনও ব্যাপারে পরামর্শ করতে এসেছে তারা। মেনদেরেস রানাকে চেনেন না, চিনলে প্রশড়ব করে জেনে নিতে পারত রানা কী ব্যাপার। প্রাইভেট একটা চার্টার কোম্পানির মালিক তরুণ সামদানি, ছোট একটা সিপে−ন চালায়। পুরোদস্তুর একটা এয়ারপোর্টের উপযোগী যাবতীয় সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় আয়োজন স্যালামেসে আছে, তবে সে-সব খুব কমই ব্যবহার করা হয়। রাহি সামদানির চোখে-মুখে বিষণড়ব ও উদাস একটা ভাব লক্ষ করল রানা। সেটা বুঝতে পেরে ওর কানের কাছে ফিসফিস করলেন বৃদ্ধ রসিক জার্মান, জিমি মোরেল, ‘পাইলট সামদানির মন খারাপ, কারণ আমাদের নতুন গায়িকা তাকে নাকি একদমই পাত্তা দিচ্ছে না।’ ‘তাই!’ সুদর্শন তরুণ সার্জেন্ট এনভার নেকমেতিন অত্যন্ত দক্ষ অফিসার, তার কড়া নজরদারির কারণে বন্দর ও উপকূল এলাকার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি বেশ ভালই আছে। আদনান মেনদেরেসের বিত্ত-বৈভবের খবর জানা গেল


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বেদুঈন কন্য—০৮

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now