বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
৫
অধীর অপেক্ষায় আরও পনেরো মিনিট পার হলো। সুরাইয়ার
দেখা নেই। দেখা নেই তার গাড়ি বা বডিগার্ডেরও।
থেমে সাদা এনভেলাপটা নিল রানা। খামের কোথাও কোনও
স্ট্যাম্প নেই। শুধু গোটা গোটা হরফে ইংরেজিতে লেখা Ñ মাসুদ
তারপর স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড থেকে একটা খবর এল। সুরাইয়ার রানা। ‘কে দিয়ে গেল?’ জানতে চাইল ও। ‘কখন?’
প্রাইভেট কারটা টেমস নদীর একটা ঘাটের কাছে পরিত্যক্ত
অবস্থায় পাওয়া গেছে। ভিতরে কেউ নেই।
‘ঘণ্টা দুয়েক আগে,’ বলল মণিকা। ‘মাঝবয়সী এক
ভদ্রলোক, মুখে দাড়ি আছে, মাথায় টুপি, ঢোলা জোব্বা পরা।
সবার মনে নানা রকম আশঙ্কা জাগল। সুরাইয়াকে কি দেখে মনে হলো আরব দেশের লোক।’
কিডন্যাপ করা হয়েছে? নাকি খুন করে লাশ গুম করে ফেলার
কেস? কেউ কিছু ধারণা করতে পারছে না। সুরাইয়া একা নয়,
তার সঙ্গে নিগ্রো বডিগার্ড ইউসুফ মোরদেজাও গায়েব হয়ে গেছে
বেমালুম।
ভ্র কোঁচকাল রানা, পা চালিয়ে নিজের কামরায় উঠে এল।
এনভেলাপ খোলার পর সাদা এক টুকরো কাগজ বেরুল।
তাতে টানা হাতে ইংরেজিতে কয়েকটা লাইন লেখা। অনুবাদ
করলে দাঁড়ায়:
শেষপর্যন্ত আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে
বাতিল করা হলো অনুষ্ঠান।
খুব বিপদে আছি সুরাইয়া ফারদিন।
ফ্যামাগুস্তা বে। স্যালামেস বন্দর।
সারাটা রাত স্থানীয় পুলিশ ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সঙ্গে
যোগাযোগ রাখল রানা। তবে বৃাই। কোথাও থেকে কোনও
খবর এল না না ভাল, না মন্দ।
কেয়ার ফ্রি বিচ ক্লাব।
অমীমাংসিত একটা রহস্য হয়ে উঠল কেসটা। এক দুই করে
পার হয়ে গেল দিনগুলো। যেন স্বপড়ব দেখেছিল রানা, বাস্তব দুনিয়ায়
সুরাইয়া ফারদিন বলে কোনওদিন কেউ কোথাও ছিল না।
ইতোমধ্যে নিউ ইয়র্ক ও ঢাকা থেকে একবার করে ঘুরে
এসেছে রানা। মাঝখানে পার হয়ে গেছে তিনটে মাস।
সেদিন বিকেলে রয়াল অ্যালবার্ট হলকে পাশ কাটিয়ে রানা দুই
এজেন্সির লন্ডন শাখায় ফেরার সময় মনের পরদায় ভেসে উঠল
সুরাইয়ার সরল মুখটা। আশ্চর্য! গেল কোথায় মেয়েটা? নিজের
অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল ও।
সুরাইয়া তা হলে বেঁচে আছে!
ভাল লাগার অনুভূতি হলো রানার আবার দেখা হবে তার
সঙ্গে! পরমুহূর্তে নিজেকে মনে করিয়ে দিল, সুরাইয়ার বিপদ!
অফিসে পৌঁছে রিসেপশন কাউন্টারকে পাশ কাটিয়ে
এলিভেটরের দিকে এগোচ্ছে রানা, ‘মাসুদ ভাই,’ বলে ডাকল
ওকে চটপটে রিসেপশনিস্ট মণিকা আফরোজা। ‘আপনার একটা
চিঠি।’
ভ্র কুঁচকে চিন্তা করছে রানা ফ্যামাগুস্তা বে, স্যালামেস
বন্দর সাইপ্রাসে না? হ্যাঁ, টার্কিশ রিপাবলিক অভ নর্দান
সাইপ্রাসে। সংক্ষেপে যেটাকে তুর্কি সাইপ্রাস বলা হয়।
সময় নষ্ট না করে সাইপ্রাস সম্পর্কে জানবার জন্য ল্যাপটপ
টহফবৎ ঞযব খরপবহপব ঙভ ঈৎবধঃরাব ঈড়সসড়হং অঃঃৎরনঁঃরড়হ-ঘড়হপড়সসবৎপরধষ-ঝযধৎব অষরশব
িি.িগঁৎপযঙহধ.পড়স
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now