বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বাসর---০৬

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X তানভীর মার্জানা অফিসে জিহানের মাথাটা কেমন জানি ঘুরছে।। কিছু ভালো লাগছে না।। শরীরটা খুবই খারাপ লাগছে।। আজকে তাড়াতাড়ি ফিরে এলো সে বাসায়।। তাকে ৭টার সময় বাসায় আসতে দেখে প্রিতি তাকে জিজ্ঞাস করলো প্রিতি:- কি হয়েছে আজকে এতো তাড়াতাড়ি চলে এলেন যে আপনি?? জিহান:- জানিনা। মাথাটা কেমন জানি ঘুরছে।। কিছু ভালো লাগছেনা।। প্রিতি:- শরীর ঠিক আছে বলে জিহানের কপালে হাত দিলো প্রিতি:- একি আপনার শরীর তো পুড়ে যাচ্ছে।। গায়ে তো অনেক জ্বর আপানার!!! জিহান:- জানিনা।। খুবই দুর্বল লাগছে আমার।। সাথে সাথে জিহান মাটিতে পড়ে গেলো।। যখন চোখ খুললো তখন সে তার রুমে।। প্রিতি তার কপালে পট্টি দিচ্ছে আর কাঁদছে।। জিহান:- কি হয়েছে কাঁদছো কেনো?? প্রিতি:- কাঁদছি কেনো তাইনা?? এতো জ্বর নিয়ে কেমনে আছেন আপনি?? ১০২ ডিগ্রি জ্বর আপনার।। জিহান:- ঠিক হয়ে যাবে।। কাঁদিওনা বলে প্রিতির চোখের পানি মুছে দিলো। মা এলো রুমে।। মা:- বাবা তুই অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলি জ্বরে।। আমার যে কি ভয় লাগছিলো তোকে এইভাবে দেখে বলে জিহানের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো।। জিহান:- মা।। কিছু হবেনা আমার।। সবাই কান্না করে দিলে?? হাহাহা!!! জিহানের কানটা টেনে দিয়ে মা:- বেশি কথা বলিস না।। যখন তোর ছেলের এমন হবে তখন বুঝবি এখন না।। জিহান:- আমার জ্বরেও তুমি আমাকে মারবা?? মা:- হয়েছে আর বলতে হবেনা।।এখন আরাম কর।। আমি পরে আসবো। মা চলে গেলো।। প্রিতি জিহানের কপালে একটা চুমু খেলো।। প্রিতি:- আপনি আরাম করেন আমি আপনার জন্য সুপ করে নিয়ে আসি।। জিহান প্রিতির হাত ধরে তাকে আটকাই রাখলো।। জিহান:- বসো আমার পাশে।। প্রিতি জিহানের পাশে বসলো।। জিহান প্রিতির মাথা তার বুকে রাখলো।। জিহান:- এইভাবে থাকো।। প্রিতি:- এইভাবে থাকলে হবে?? আপানার সুপটা কে করবে?? কখন থেকে কিছু খান নাই।। আমি কিছু নিয়ে আসি।। জিহান:- একটু থাকো।। প্রিতি উঠে দাড়ালো প্রিতি:- আগে সুপটা নিয়ে আসি তারপর।। প্রিতি চলে গেলো।। জিহান মনে মনে হাসছে আর কান্না করছে।। হাসছে প্রিতির পাগলামীগুলোর জন্য আর কান্না করছে প্রিতির সাথে যে সে এতো খারাপ ব্যবহার করছে তার জন্য।। ???????????? ভাবতে ভাবতে প্রিতি এসে গেছে সুপ নিয়ে।। এসে প্রিতি জিহানের চোখে পানি দেখে বলে প্রিতি:- আপনি কান্না করছেন কেনো?? জিহান:- কই নাতো।। প্রিতি:- চোখে পানি নিয়ে এই কথা বললে কেমন লাগে?? জিহান:- আমার পাশে একটু বসবা?? প্রিতি:- আগে খেয়ে নিন তারপর।। প্রিতি সুপের বাটিটা হাতে নিয়ে জিহানের মখের সামনে আনলো জিহান তাকাই আছে প্রিতির দিকে, মনে মনে মেয়েটার কি একটুও রাগ নেয়?? দেখে তো লাগে যে এখন আমাকে খেয়ে ফেলবে???????? কিন্তু আমার শরীর খারাপের জন্য তার চোখে পানি চলে এলো কেনো?? এইসব ভাবছিলো।। প্রিতি:- কি হয়েছে?? আমার দিকে তাকিয়ে থাকবেন নাকি এখন একটু খাবেন?? জিহানের জ্ঞান আসলো।। জিহান:- হে খাবো তো।। তুমু খেয়েছ?? প্রিতি:- হা করেন বলে সে কথা ঘুরাতে চেয়েছিলো।। জিহান:- আগে বলো।। প্রিতি:- আমি খেয়ে নিবো একটু পর।।আগে আপনি খান।। আপানার শরীর ভালো নেয়।। জিহান:- না!! আমরা একসাথে খাবো।। প্রিতি:- খেতে বলছি কথা কানে যায় না?? হা করেন বলে ধমক দিলো জিহান কে।। জিহানও হা করে নিলো ???????? প্রিতির মুখটা রাগে লাল হয়ে আছে।। নাকগুলো ফুলা ফুলা ???????? জিহান একপ্রকার ভয় পাইছে প্রিতিকে দেখে।। ???????? ???? সব সুপ একবারে খেয়ে নিলো।। ???????? এইবার শুয়েন।। জিহান:- তুমিও শুয়ো পাশে।। প্রিতি:- না আমার কাজ আছে ডাক্তার এসেছিলো আপনাকে নাকি ইনজেকশন দিতে হবে নাহলে নাকি উপায় নায়।। জিহান:- কি!!! ইনজেকশন!!! আমি দিবো না।। প্রিতি:- মানে?? কি সমস্যা?? মা এলো রুমে। মা:- জিহান তো ছোটবেলা থেকে ইনজেকশন বললে লাফাইতো।। এতো ভয় পাই যে ???????????? প্রিতি হেসে দিলো।। প্রিতি:- এখন আর পাবেনা মা।। এখন তো বড় হয়েছে।। জিহান:- তোমরা যা বলার আছে বলো।। আমি ইনজেকশন দিবোনা।। শেষ কথা আমার।। প্রিতি:- দিতে হবে আপনার।। নাহলে কেমনে ঠিক হবেন?? জিহানকে আর কথা বলার সুযোগ দেয়নি প্রিতি রুম থেকে বের হয়ে গেলো মায়ের সাথে।। কিছুক্ষণ পর প্রিতি আর ডাক্তার রুমে ডুকলো।। ডাক্তারকে দেখে জিহান ভয় পেয়ে গেলো।। জিহান:- দেখোন।। আমি ইনজেকশন দিবোনা।। ডাক্তার:- কেমনে চলবে?? ইনজেকশন তো দিতে হবে।। আপনার জ্বর নাহলে বেড়ে যাবে।। জিহান:- না আমি দিবোনা।। আমাকে ঔষধ দিন।। প্রিতি:আপনি ওনার কথা শোনবেন না।। ইনজেকশন রেডি করেন।। প্রিতি জিহানের পাশে বসে তার হাতটা টিপে ধরলো।।জিহানের বোন সাফাও ধরলো সাথে।। জিহান:- না!!! আমি দিবো না।। ছাড় সবাই হাসাহাসি শুরু করে দিলো।। সাফা:- ভাইয়া তুই মেয়েদের মতো করছিস কেনো?? হাহাহা!!! আমার যা হাসি পাচ্ছে ???????? জিহান:- দাড়া আমাকে একবার ঠিক হতে দে তোরে বিয়ে দিয়ে তাড়িয়ে দিবো ঘর থেকে।। ডাক্তার ইনজেকশনটা লাগিয়ে দিলো জিহানকে।। সে কি চিৎকার জিহানের ???????? একবারে ঘুমিয়ে গেছে জিহান প্রিতি জিহানের পাশে বসে ছিলো সারারাত।। জিহানের জ্বরটা বেড়ে গেলো।। সে সারারাত তার মাথায় জলপট্টি দিতে রইলো।। ???????? দোয়া করে করে তার মাথায় ফো দিচ্ছিলো প্রিতি।। জিহান রাত ৩টার সময় একবার চোখ খুললো।। দেখে প্রিতি তার মাথায় পানি দিচ্ছে।। প্রিতির চোখগুলো কেমন জানি দূর্বল লাগছিলো।। জিহান:- তুমি ঘুমাবেনা?? প্রিতি:- আপনি কথা বলবেন না শুয়ে থাকুন। জিহান আর কিছু বলতে পারেনা দূর্বলতার কারণে ঘুমায় যায়।। প্রিতির রাতটা কেটে সকাল হয়ে গেলো।।???????? জিহানের চোখ খুলে সে প্রিতিকে সে একি জায়গায় একি ভাবে দেখলো।। জিহান:- তুমি ঘুমাও নাই?? সারারাত এইভাবে ছিলা?? প্রিতি:- না ঘুমাইছিলাম।। এখন উঠছি।। জিহান:- মিথ্যা বলবানা একদম।। প্রিতিকে জড়িয়ে ধরলো জিহান।। জিহান:- এতো যত্ন আমাকে?? কেনো?? আমি তো অনেক খারাপ ব্যবহার করেছি তোমার সাথে ???????? প্রিতি:- আমি সব ভুলে গেছি বলে জিহানের বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে।। প্রিতি:- যাক!! আপনার খাবারটা তো রান্না করাই হয় নাই।। প্রিতি উঠে দাড়ালো।। জিহান:- থাকো না?? ভালোই লাগছিলো।। প্রিতি:- আগে খেতে হবে আপনার। মুখটা কেমন হয়ে গেছে।। প্রিতি খাবারের জন্য গেলো।। প্রিতির সেবার কাছে জিহানের জ্বর বেশি দিন ঠিকতে পারেনাই।। রাতদিন এক করে প্রিতি জিহানকে ভালো করে তুলেছে।। ৫দিনের দিন জিহান ভালো হয়ে গেছে আজকে অফিসে গিয়েছে।। শরীর খারাপের কারণে বাবা জিহানকে বেশিক্ষন অফিসে থাকতে দেয়নি।। ৭টার সময় তাকে বাড়ি চলে যেতে বলে।। জিহান আসার সময় প্রিতির জন্য একটা শাড়ি নিয়ে গেছে ঘরে ডুকে প্রিতিকে দেখতে না পেয়ে রুমে গেলো।। প্রিতি শুয়ে আছে।। গিয়ে তার কপালে একটা চুমু দেওয়াতে তার ঘুম ভেঙ্গে গেলো।। জিহান:- উফফ!! দিলাম তো নষ্ট করে।।???????? প্রিতি:- কি হয়েছে?? জিহান:- তোমার ঘুমটা ভেঙ্গে দিছি।। প্রিতি:- আরে না!! জিহান:- এই যে নাও।। এইটা তোমার জন্য আনছি কেমন হইছে?? ???????? প্রিতি:- অনেক সুন্দর ???????? জিহান:- যাও।। এইটা পড়ে আসো এখন প্রিতি:- আচ্ছা।। প্রিতি ৫মিনিট পর বাথরুম থেকে বের হলো।। জিহান প্রিতিকে দেখে থো!!???????????? পরীর মতো লাগছে।। লাল বেনারসি শাড়ি।। জিহান:- বাহ!! পরীর মতো লাগছে তোমাকে।। ???????? প্রিতি জিহানের কাছে এসে:- সত্যি?? জিহান প্রিতিকে টান দিয়ে বুকে নিয়ে নিলো জিহান:- সত্যি।। জিহান প্রিতির ঠোটে চুমু দিলো।। শাড়ীটা খুলতে চাইলো কিন্তু প্রিতি বাধা দিয়ে বললো প্রিতি:- দাড়ান!! দরজা খুলা।। জিহান উঠে দরজার দিকে গেলো।। ঠাসসসসসসসসসস!!!! ????????????????????????????????????????????????????????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বাসর---০৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now