বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল রহস্যের এক নতুন ব্যাখা দিয়েছেন। গবেষকদলের প্রধান ও স্যাটেলাইট বিশেষজ্ঞ ড. স্টিভ মিলার এবং বিখ্যাত আবহাওয়াবিদ র্যান্ডি কারভ্যানিসহ গবেষকদের দলের দাবি; বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল রহস্যের পিছনে ‘হেক্সাগনাল ক্লাউড’ নামে এক ধরনের মেঘের উপস্থিতি রয়েছে। এই মেঘের আবহে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বারমুডা দ্বীপে ২০ থেকে ৫৫ মাইল জুড়ে ঘণ্টায় ১৭০ মাইল গতিবেগের বাতাস তৈরি হয়।
উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এ বাতাসকে বলা হয় ‘এয়ার বম’ বা ‘বায়ূ বোমা’। এই বাতাস প্রায় ৪৫ ফুট উচ্চতার ঝড় তৈরি করতে পারে। আর এতে করে ট্রায়াঙ্গেল দিয়ে যাওয়া জাহাজ বা বিমান উধাও হয়ে যায়।
১৯৮৬ সালে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে দুর্ঘটনায় ডুবে গিয়েছিল ‘প্রাইড অব বাল্টিমোর’ নামের এক নৌ-জাহাজ। ওই জাহাজের বেঁচে যাওয়া একজন নাবিকের মতে, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে বাতাস হঠাৎ করে ঘণ্টায় ২০ মাইল থেকে প্রায় ৯০ মাইলে উন্নীত হয়, যা সামলানো জাহাজটির পক্ষে একেবারেই অসম্ভব ছিল। বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় এই ঘটনার কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন প্রতি সেকেন্ডে ২.৫ মিটার প্রবাহ ক্ষমতার উত্তর আটলান্টিকের প্রচণ্ড শক্তিশালী স্রোত অথবা ‘গল্ফ স্রোত’কে। যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো প্রয়োজনে বিমানকে ওয়াটার ল্যান্ডিং করালে এ তীব্র স্রোতের আঘাতে বিমানটি প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিজ্ঞানীরা আরও বলেছেন, দুর্ঘটনা সংঘটিত হওয়ার আরেকটি কারণ হতে পারে এ অঞ্চলে সৃষ্ট প্রচণ্ড শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।
সম্প্রতি নরওয়ের উপকূলবর্তী ব্যারেন্টস সাগরের তলদেশে বিশাল আকারের বেশ কয়েকটি খাদ বা গর্ত আবিষ্কারের ঘটনায় বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্যভেদের আরেকটি নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের তথ্য অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা আধা মাইল পর্যন্ত চওড়া ও দেড়শ’ ফুট পর্যন্ত গভীরতাসম্পন্ন কয়েকটি গর্তের সন্ধান পেয়েছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ নরওয়ে উপকূলে সৃষ্ট মিথেন গ্যাসের কারণে গর্তগুলো তৈরি হয়েছে। আর্কটিক ইউনিভার্সিটি অব নরওয়ের গবেষকরা জানান, “পশ্চিম-মধ্যাঞ্চলীয় ব্যারেন্টস সাগরের একটি এলাকার তলদেশে বেশ কয়েকটি বিশালাকারের গর্তের হদিস মিলেছে। সম্ভবত গ্যাসের প্রচণ্ড চাপই গর্তগুলো সৃষ্টির কারণ। আর এসব গর্তে বিস্ফোরণের কারণে গর্তের মুখ খুলে যায় যা ঐ দুর্ঘটনাগুলোতে জাহাজ বা বিমানগুলো হারিয়ে ফেলার জন্য দায়ী।”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now