বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঋতুতে ঋতুতে রূপ বদলায় রাতারগুল। বর্ষায় এক রকম, হেমন্তে অন্যরকম।
প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য আরো মোহনীয়রূপে ধরা দেয় বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন রাতারগুলে।
উত্তরে গোয়াইন নদী, দক্ষিণে বিশাল হাওর। মাঝখানে জলাবন রাতারগুল। সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নে এই জলাবনের অবস্থান। সিলেট নগরী থেকে দেশের একমাত্র এই সোয়াম্প ফরেস্টের দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার।
জলামগ্ন এই বনের চারদিকে অথৈ পানি। নেই কোনো কোলাহল, আছে শুধু পশু-পাখির ডাক। বর্ষাকালে এই বনে অথৈ জল থাকে চার মাস। তারপর ছোট ছোট খালগুলো হয়ে যায় পায়ে-চলা পথ। আর তখন পানির আশ্রয় হয় বন বিভাগের খোঁড়া বিলগুলোতে। সেখানেই আশ্রয় নেয় জলজ প্রাণীকুল।
জলাভূমির মধ্যে কোমর ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি হিজল, জাম, বরুন, করচ (স্থানীয় নাম) গাছের বিশাল এক জঙ্গল। এতোই ঘন জঙ্গল যে ভেতরের দিকটায় সূর্যের আলো গাছের পাতা ভেদ করে জল ছুঁতে পারে না।
কোন গাছের নিচের কিছু অংশ ডুবে আছে পানিতে। একটু ছোট যেগুলো, সেগুলো আবার অর্ধেকই ডুবে আছে জলে। বর্ষায় পানি বাড়ায় সাপেরা ঠাঁই নেয় গাছের ওপর। হাওরের স্বচ্ছ পানির নিচে বনগুলো দৃশ্যমান থাকায় বর্ষাকালে অনেক পর্যটকের সমাগম ঘটে এখানে। আবার শীত মৌসুমে ভিন্নরূপ ধারণ করে এ বন।
কীভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে সিলেট-জাফলংয়ের গাড়িতে উঠে নেমে যাবেন সারিঘাট। সেখান থেকে টেম্পোতে করে গোয়াইনঘাট বাজার। বাজারের পাশেই পড়বে নৌঘাট। এখান থেকে রাতারগুল যাওয়া-আসার জন্য নৌকা রিজার্ভ করতে হবে। তবে মনে রাখবেন, এই নৌকায় করে কিন্তু রাতারগুল বনের ভেতরে ঢোকা যাবে না। বনে ঢুকতে হবে ডিঙি নৌকায় চেপে। বনে ঢোকার জন্য আশেপাশের মহিষখেড়, মটারগেট ও রাতারগুল গ্রামের পথ ব্যবহার করতে হবে।
তবে আর দেরি কেন? চলে আসুন আদিগন্ত জলাবন রাতারগুলে আর উপভোগ করুন অনবদ্য সৌন্দর্য।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now