বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প পৃথিবীতে অনেক ভৌতিক জায়গা রয়েছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। চলুন আজ জেনে নেই বাংলাদেশের কিছু ভৌতিক এলাকার পরিচয়। ১-- চলনবিল:- আপাতত এই বিলের ভূতুরে এলাকা সিরাজগন্জ্ঞে। আরো ভাঙলে তাড়াস উপজেলা। শোনা যায় অনেক আগে এই এলাকায় এক জমিদারের বাস ছিল। তার ছিল অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা। একদিন রাতে রাজার মারা গেলে সেই রাতের ভিতরই সেখানে রাতারাতি তিনটি মন্দির তৈরি হয়। যার একটি পরদিনই ভেঙে পড়ে বলে শোনা যায়। এই মন্দির ও বিলের মধ্যবর্তী এলাকা ভুতুড়ে বলা হয়। অনেকের মতে চলনবিলে জিনের প্রভাব আছে। অনেকে গভীর রাতে চলনবিল পাড়ি দেওয়ার সময় অশরিরীর উপস্থিতি টের পেয়েছেন বলে শোনা যায়। ২-- ফয়েস লেক :- নয়াভিরাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি ফয়েস লেকের ভৌতিক স্থান বলেও নামডাক আছে। এই লেকের আশেপাশে একজন সাদা ও একজন কালো কাপড় পরা নারির উপস্থিতি দেখা যায়। সন্ধ্যা বেলায় হন্টনরত মানুষদের ভয় দেখায় কালো কাপড় পড়া নারীটি। সে তুলনায় সাদা কাপড় পড়া নারীটি ভালো বলা যায়। সে মানুষদের আগে থাকতে সতর্ক করে দেয়। আসলে ঠিক কি রহস্য আছে এর পিছনে তা জানা সম্ভব হয় নি। ৩-- লালবাগ কেল্লা:- মোঘল আমলে নির্মিত একটি আকর্ষনীয় স্থাপণা লালবাগ কেল্লা। কিন্তু এখানে কিছু ভৌতিক ব্যাপার আছে। এখানকার পাহাড়াদারদের মতে রাতের বেলা এর ভিতর পরীবিবিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তারা আরও বলেন যে এখানে মাঝরাতে কারা এসে নামাজ পড়ে বলে শোনা যায়। এখানকার পাহাড়াদারও রাতের বেলা অনেক অসস্তি বোধ করেন। তাছাড়া এখানে রয়েছে একটি রহস্যময় সুরঙ্গ। কেউ বলে এই সুরঙ্গ গেছে টোঙ্গি পর্যন্ত আবার কারও মতে এটা গেছে দিল্লি পর্যন্ত। এখানে কেউ ঢোকার সাহস করেনি। কিন্তু বিট্রিশ আমলে দুইটা কুকুরকে বড় চেইনে বেধে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। কিছুক্ষণ পরে চেইন টানা হলেও কুকুরটি ফিরে আসেনি। আর চেইন দেখলে মনে হয় কেউ তা কুকুর গুলোর গলা থেকে খুলে নিয়েছে। এরপরে সুরঙ্গটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now