বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠেছি। উঠেই খুব তারাহুরা শুরু করলাম। ভাবছেন কেন এতো তারা হুরা। আজকে চীন দেশ থেকে মার্সাল আর্স আসছে। আমাদের দেশের বক্সার এর সাথে ফাইট করতে। তাই আমি সকাল সারে ছয়টার মধ্যেই জায়গা মতো চলে গেলাম। দেখলাম প্রথম সরি ভরে গেছে তাই দুই নম্বর সারিতে একটু খালি আছে। সেখানেই বসে পরলাম। ৯টার পরে লরাই শুরু হলো। এতো সময় রাস্তা পর্যন্ত ভিরে ভরে গেছে। আগে আগে এসে প্রথমেই বসে পরেছি আমি। এবার লরাই শুরু হলো। বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তি শালি বক্সারকে মাত্র ৮টা মারতেই হেরে গেলো। একে একে সব বক্সারই হেরে গেলো। আমার খুভ খারাপ লাগলো। চীন দেশের বক্সারের নাম পারকার। এবার পারকার একটা খারাপ হসি দিয়ে বললো, লুজার সবাই লুজার। বাংলাদেশের সবাই লুজার। আরকেউ আছে আমার সাথে লরাই করার। মাথা নিচু করো সবাই। নাহলে বুঝবো আমার সাথে লরাই করতে চাও হা হা হা। সবাই মাথা নিচু করলো। আমার যে রকম রাগ হলো তখন। আমি দাড়িয়ে বললাম, বাঙ্গালি জাতীকে অসম্মান। আমি তোর সাথে লরাই করবো। আমাদের বুকের পাটা আছে বুঝলি। আমরা দমে থাকার পাত্র নয়। এই বলে লরাই শুরু করলাম। পারকারের এক গুশি খেয়েই আমি প্রায় শেষ। এবার ও আমাকে খুভ মারা মারলো। আমি পরে গেলাম। এদিকে কাউনটাউন শুরু হয়ে গেছে। আমার আঙ্গুলও নাড়াতে পারছি না। এমন সময় পারকার আবার আমাদের অসম্মান করতে লাগলো। আমি আবার রেগে গেলাম। তবে এবার অনেক বেশি রেগে গেছি। সাথে সাথে উঠে দারালাম। সবাই চেচিয়ে উঠলো। আর বললো মার মুন্না মার। পরকার পিছনে তাকাতেই দিলাম এক গুশি। সাথে সাথে ও পরে গেলো। ব্যাথার চেয়ে ও অবাক হলো বেশি। আবার উঠে দারালো পারকার। আমি বললাম, আমার দেশের অসম্মান আর দিলাম আরেকটা গুশি। এবার ওকে খুব মারলাম। শেষে আমি জিতে গেলাম। আমরা বাঙ্গালি দমে থাকার পাত্র নয়।
।।।সমাপ্ত।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now