বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

bangaladesh

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sifat (০ পয়েন্ট)

X “ পিয় পাঠক আপনাদের অবসর ও একাকিত্ত সময়কে আরো অনন্দময় করে তুলতে আমরা অনেক কষ্ট করে এই অ্যাপটিতে ১১০০টি জোকস সংগ্রহ করেছি । আশাকরি আপনার মূল্যবান কমেন্ট ও রেটিং দিয়ে আমাদের উৎসাহিত করবেন “ জোকস কপি করার জন্য জোকস এর ওপর আঙ্গুল প্রেস করে ধরে রাখুন সিলেক্ট করার অপশন আসবে আপনার প্রয়োজন মত সিলেক্ট করুন । সিলেক্ট করার পর কপি করার অপশন আসবে বা উপরে কপি করার আইকন পাবেন কপি তে ক্লিক করে কপি করুন এরপর যেখানে জোকস লিখবেন সেখানে আঙ্গুল প্রেস করে কিছুক্ষন ধরলে পেস্ট করার অপশন আসবে এবং পেস্ট করে দেন ফলে আপনার কপি করা জোকস টি সেখানে পেয়ে যাবেন । জোকস পড়া শুরু করুন সাবধান আর নিচে নামিস না (১) এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন - এমন জিনিসের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় । ছাত্র - চুল শিক্ষক - কিভাবে ? ছাত্র - মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং …… শিক্ষক - সাবধান আর নিচে নামিস না !!! আজকালকের ছেলেদের কোনো বিশ্বাস নাই! (২) দুই মেয়ে কথা বলছে- ১ম মেয়ে: আজকালকের ছেলেদের কোনো বিশ্বাস নাই। আমি তো আজকে থেকে ওর মুখও দেখতে চাই না… ২য় মেয়ে: কি হইছে? তুমি কি ওকে অন্য কোনো মেয়ের সাথে দেখে ফেলছ? ১ম মেয়ে: আরে না! ও আমারে আরেক ছেলের সাথে দেখে ফেলছে…। কালকে ও আমারে বলছিল যে, ও নাকি শহরের বাইরে যাবে। তাহলে সে আমাকে কিভাবে দেখল। মিথ্যুক, বদ, ধোঁকাবাজ… রাতে রোমান্টিক মেসেজ (৩) প্রেমিকা তার প্রেমিককে রাতে রোমান্টিক মেসেজ পাঠাচ্ছে... মেয়েঃ ঘুমিয়ে আছো তো স্বপ্ন পাঠাও, জেগে আছো তো ভাবনা পাঠাও, যদি কাঁদছো তো চোখের জল পাঠাও । ছেলেঃ প্রিয়তমা পায়খানা করতেছি কি পাঠাবো ? বউয়ের সাথে ঝগড়া (৪) বল্টু : তুই তোর বউয়ের সাথে ঝগড়া করিস ? পল্টু : হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে। বল্টু : বলিস কী ! তারপর ? পল্টু : তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।' সবাই বাথরুমে গান গায় (৫) প্রথম বন্ধু : জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়! দ্বিতীয় বন্ধু : বলিস কী, স-বা-ই? প্রথম বন্ধু : সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত। দ্বিতীয় বন্ধু : তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত! প্রথম বন্ধু : দূ-র-র, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই! দোকান খোলা (৬) তন্ময় : তোর ছোট ভাইটা এখন কী করছে ? রাফি : কিছুদিন আগে একটা কাপড়ের দোকান খুলেছিল, এখন জেলে আছে। তন্ময় : কেন ? রাফি : কারণ ও দোকানটা খুলেছিল হাতুড়ি দিয়ে...দরজা ভেঙে ! একচেটিয়া ব্যবসা (৭) বদু : কী করছিস আজকাল? কদু : সৎ পথে ব্যবসা করার চেষ্টা করছি। বদু : তাহলে তো তোর একচেটিয়া ব্যবসা। কদু : মানে? বদু : তুই ছাড়া তো ওই লাইনে আর কেউ নাই! এক মিনিটের জন্য মানুষ (৮) ভিক্ষুক : মাগো! দুটো ভিক্ষা দিন, মা। বাড়ির মালিক : বাড়িতে মানুষ নেই, যাও। ভিক্ষুক : আপনি যদি এক মিনিটের জন্য মানুষ হন, তাহলে খুব ভালো হতো! কাল এনে দেবো (৯) পচাদা নিজের দোকানের নতুন কর্মচারি বান্টাকে বলল "আমি বাড়ি থেকে আসছি, কোন খদ্দের ফেরাবি না। যা চাইছে তা দোকানে না থাকলে অন্য কোম্পানির কিছু একটা দিয়ে বলবি আজকের মত চালিয়ে নিতে, কাল এনে দেবো"। খদ্দের : ভাই টয়লেট পেপার আছে ? বান্টা : না দাদা, শিরিষ কাগজ আছে, আজকের মত চালিয়ে নিন, কাল এনে দেবো। তিন মাতালের গাড়ি চড়া (১০) ৩ জন মাতাল রাতে একটা গাড়িতে উঠল ড্রাইভার বুঝতে পারল যে তারা মাতাল!! ড্রাইভার গাড়ির ইঞ্জিন চালু করল এবং সাথে সাথে বন্ধ করে ফেলল আর তাদেরকে বলল যে তারা নাকি গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গিয়েছে। ৩ মাতাল গাড়ি থেকে নামল। তারপর...... ১ম মাতালঃ ধন্যবাদ.... ২য় মাতালঃ নিন, ১০ টাকা বকশিস দিলাম। তখন ৩য় মাতাল ড্রাইভারকে দিল একটা থাপ্পর। ড্রাইভার মনে করল যে লোকটা বোধ হয় মাতাল না, হয়ত সবকিছু বুঝে ফেলেছে। তবুও ড্রাইভার তাকে জিজ্ঞেস করল: থাপ্পর মারলেন কেন?? ৩য় মাতালঃ শালা, এত স্পীডে কি কেউ গাড়ি চালায়! আর একটু হলে তো মেরেই ফেলেছিলি। কিছুক্ষণের জন্য ছাড়তে হবে (১১) ম্যাজিস্ট্রেট : ২০ টাকা পকেট মারার জন্য তোমাকে একশ টাকা জরিমানা দেওয়া হল। পকেটমার : আমার কাছে মাত্র ২০ টাকা আছে, স্যার। বাকি টাকা এক্ষুনি এনে দিতে পারি, কিন্তু কিছুক্ষণের জন্য ছাড়তে হবে। বল্টু ও তার বন্ধু (১২) তিন বন্ধু মিলে জঙ্গলে হাঁটতেছে ৷ হঠাৎ তাদের সামনে একটা পরী এল পরী : তোমরা একটা করে ইচ্ছার কথা বল , আমি তোমাদের সেই ইচ্ছা পূরণ করে দেব৷ বন্ধু ১ : আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর বানিয়ে দাও ৷ পরী : দিলাম ৷ বন্ধু ২ : আমাকে দুনিয়ার সবচেয়ে হ্যান্ডসাম ছেলে বানিয়ে দাও ৷ পরী : দিলাম ৷ বল্টু : এই দুইজনকে আগের মত করে দাও!! সিনেমার বিয়ে এবং বাস্তব বিয়ে (১৩) দুই বিবাহিত বন্ধু বিল্টু আর দুবলোর মধ্যে কথা হচ্ছে - বিল্টু: আচ্ছা দুবলো! বল তো সিনেমার জীবন আর বাস্তব জীবনের মধ্যে পার্থক্য কী? দুবলো: এইটা বুঝলি না! সিনেমায় অনেক ঝক্কিঝামেলা পেরোনোর পর বিয়ে করতে হয়। আর বাস্তব জীবনে বিয়ের পর অনেক ঝক্কিঝামেলা শুরু হয়! অসুখটা আসলে মানসিক (১৪) ডাক্তার: চিন্তার কিছু নেই। আপনার চাচার অসুখটা আসলে মানসিক। উনি মনে করেন উনি অসুস্থ, আসলে তা নয়। কিছুদিন পর রোগীর খবর নিতে ফোন করলেন ডাক্তার। ডাক্তার: কী অবস্থা আপনার চাচার? রোগীর আত্মীয়: খুবই খারাপ! উনি মনে করেন, উনি মারা গেছেন! বারোটা বাজবে (১৫) এক ছাত্র পরীক্ষার হলে বসে প্রশ্নপত্র নিয়ে বেশ অস্থির হয়ে বিড় বিড় করছে- শিক্ষক: কী ব্যাপার তুমি খাতায় না লিখে বসে বসে উসখুস করছ কেন? ছাত্র: স্যার, প্রশ্ন যে রকম কঠিন এসেছে লিখতে আমার বারোটা বাজবে। শিক্ষক: তাতে কি এখন তো এগারোটা বাজে! যৌতুকবিরোধী আন্দোলনে (১৬) শফিক সাহেব: আমি আগামী মাস থেকে যৌতুকবিরোধী আন্দোলনে নামব। কী বলেন? রফিক সাহেব: কেন, এ মাসে নামবেন না কেন? শফিক সাহেব: এ মাসে আমার ছেলের বিয়ে আর আগামী মাসে মেয়ের বিয়ে তো, তাই! ছেলের আচার-ব্যবহার কেমন? (১৭) পাত্রীর বাবা : ছেলের আচার-ব্যবহার কেমন? ঘটক : নিশ্চয়ই ভালো। এক খুনের মামলায় তার ১০ বছর জেল হয়েছিল। আচার-ব্যবহার দেখেই জেল কর্তৃপক্ষ সাজা দুই বছর মওকুফ করেছে। পাত্রীর বাবা : ছেলে উদার মানছি। আমার মেয়েকে যে কখনোই ছেড়ে যাবে না, আপনি কী করে বুঝলেন, ঘটক সাহেব? ঘটক : কারণ, ছেলে এ পর্যন্ত কোনো গার্লফ্রেন্ডকেই ছাড়েনি। বরং গার্লফ্রেন্ডরাই তাকে ছেড়ে গেছে! যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে (১৮) যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে- শিক্ষক : আমি টেবিল ছুঁয়েছি, টেবিল মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি। এভাবে একটি যুক্তি দেখাওতো। ছাত্র : আমি আপনাকে ভালোবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি! ভদ্রমহিলা ও সিনেমা হলের ম্যানেজারের মধ্যে ফোনালাপ (১৯) এক ভদ্রমহিলা ও সিনেমা হলের ম্যানেজারের মধ্যে ফোনালাপ- মহিলা : হ্যালো। কোন ছবি চলছে? ম্যানেজার : আই লাভ ইউ! মহিলা : (রেগে গিয়ে) ইডিয়ট। ম্যানেজার : এটি গত সপ্তাহে চলছিল। মহিলা : (আরো রাগান্বিত হয়ে) ননসেন্স। ম্যানেজার : এটি আগামী সপ্তাহে চলবে! গোপন রহস্য (২০) জন্মবার্ষিকীতে একজন শতায়ু বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করা হল তাঁর এই দীর্ঘ্য জীবনের গোপন রহস্য কী? বৃদ্ধা বললেন, এখনই ঠিক বলা যাচ্ছে না। একটা ভিটামিন পিল কোম্পানি, একটা আয়ুর্বেদ কোম্পানি আর এ‌কটা ফ্রুট জুস ফ্যাক্টরির সাথে দরদাম চলছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ bangaladesh

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now